ঢাকা ৩২.৯৯°সে ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

দুই বছরেও শেষ হয়নি হালুয়াঘাটে চাঞ্চল্যকর জোড়া খুনের তদন্ত

মাসুদ রানা, ময়মনসিংহঃ
ময়মনসিংহ হালুয়াঘাটের সীমান্তবর্তী উপজেলায় দু’বছরেও শেষ হয়নি চাঞ্চল্যকর গার্মেন্টকর্মী জোড়া খুনের তদন্ত। যতই দিন ঘনিয়ে আসছে ততই সৃষ্টি হচ্ছে রহস্যের ধোম্রজাল। এ নিয়ে বিচারের দাবিতে ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসীর মাঝে বিরাজ করছে ক্ষোভ আর হতাশা। ২০১৪ সালের ( ৫ অক্টোবর ) নিখোঁজ হয়েছিলেন এই উপজেলার রামনগর গ্রামের সুরুজ আলীর পুত্র আল-আমিন (২১) ও আমজাদ হোসেনের পুত্র আবু নাঈম (২০)।

নিখোঁজের দুইদিন পর (৭ অক্টোবর ) কংশ নদীর কানাকড়ির চর থেকে আবু নাঈমের লাশ ও রামনগর গ্রামের ফরিদ ডাকাতের বাড়ির সামনে থেকে আল-আমিনের লাশ উদ্ধার করেছিল পুলিশ। নিহত দুইজনই গার্মেন্টকর্মী ছিলেন। ঈদের ছুটিতে বাড়িতে আসলে ঈদের আগের দিন সন্ধ্যায় সাউন্ডবক্স ভাড়া করার উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বের হলে দু’দিন পর পৃথকভাবে তাদের উভয়ের লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় নিহত দুই পরিবারের লোকজন বাদী হয়ে ১৫ জনকে আসামি করে হালুয়াঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকে তদন্ত প্রক্রিয়ার কাজ। থানা থেকে শুরু করে মামলাটি যায় সিআইডিতে। সেখানেও কয়েকটি ধাপে চলতে থাকে তদন্তের কাজ। সূত্রে জানা যায়, মামলাটি প্রথমে তদন্ত করেন সিআইডি’র এসআই পরিমল। তারপর কিশোরগঞ্জের সিআইডি’র এএসপি খন্দকার আবু সাইদ। তাপর নেত্রকোনার সিআইডি’র এএসপি মামুন রানা এবং সর্বশেষ গত নভেম্বর মাসে পুনরায় সরেজমিনে খুনের ঘটনা তদন্ত করতে আসেন ময়মনসিংহের সিআইডি’র এডিশনাল এসপি শাজাহান এবং এএসপি আনিসুর রহমান।

কিন্তু একই মামলা বারবার তদন্ত করায় নিহত পরিবারের মাঝে আতংক বিরাজ করছে। ওই খুনের ঘটনায় তদন্ত শেষ করে অনতিবিলম্বে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের কাছে জোড় দাবি জানান নিহতের পরিবার। সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তা এএসপি আনিসুর রহমানের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, জোরাখুনের ঘটনার মামলাটি এখনো তদন্তাধীন রয়েছে। আমরা খুব দ্রুত এ তদন্তের কাজ সম্পন্ন করার চেষ্টা করছি।




আপনার মতামত লিখুন :

এক ক্লিকে বিভাগের খবর


x