loading...

দশম শ্রেণীর ছাত্রীকে বার বার ধর্ষনের অভিযোগ

0

নিজস্ব প্রতিবেদক :

জোর পুর্বক ধরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ, আবার মোবাইলে মেয়েটির আপত্তিকর ছবি ধারন করে সেই ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করার ভয় দেখিয়ে বার বার ধর্ষন করা হয় জালশুকা কুমুদগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে। গত এপ্রিল মাসের ১২ তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ৭ টার দিকে নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার শ্যামগঞ্জ এলাকার হাফেজ জিয়াউর রহমান কলেজের পাশে একটি ভাড়াটিয়া বাসায় এ ঘটনাটি ঘটে।


এ বিষয়ে ধর্ষিতার বাবা বাদি হয়ে তিনজনকে আসামি করে ১০/০৯/১৯ ইং তারিখে পূর্বধলা থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন। মামলার এজহার সূত্রে জানাযায়, সেদিন গাইড কিনার জন্য লাইব্রেরীতে যাচ্ছিল সে, ওই গলির কাছে যেতেই সাব্বির ও অপুর্ব জোড় করে ধরে নিয়ে যায় রাফির বাসায়। সেখানে সাব্বির তাকে করে ধর্ষণ করে আপত্তিকর চিত্র মোবাইলে ধারন করে রাখে। আর সে সময় সাব্বিরকে সহযোগীতা করে আবির ও অপূর্ব। তার পর তাকে কাউকে কোন কিছু না বলার জন্য হুমকি দেয় ও বাসার সামনে এসে রেখে যায়। মেয়েটি ভয়ে কাউকে কিছুই বলেনি। পরে যখন সে অন্তঃসত্বা হয়ে পরে তখন শারিরিক পরির্বতন দেখে সবাই তাকে চাপ দিলে সে প্রকাশ করে।

নির্যাতিত ছাত্রী এক ভিডিও সাক্ষাতকারে দুর্নীতি বার্তাকে ঘটনার বর্ননা দেন। এমনকি তিনি এও বলেন যে, মোবাইলে তোলা ছবি প্রচারের ভয় দেখিয়ে বেশ কয়েকবার তাকে ধর্ষণ করে।
অনুসন্ধানে জানাযায়, আসামী রাফি, অপূর্ব, আবির এলাকার ত্রাস হিসেবে পরিচিত।ছাব্বির নিজেকে রাজনীতির মাঠেও জড়িয়ে রাখতে চায়। ছাত্রলীগের নাম ব্যবহার করে মিটিং মিছিল ও পেনা ফেস্টুন করে নিজেকে প্রচার করে। ইভটিজিং, চাদাঁবাজি সহ অনেক ধরনের অভিযোগ থাকা সত্বেও তাদের ভয়ে কেউ মুখ খোলার সাহস পায়না। বর্তমানে ধর্ষিতার পরিবার আসামীদের হুমকির মুখে দিন অতিবাহিত করছে। বাড়ি থেকে বের হতেও পারছেনা । হাটবাজার করার জন্যেও বের হওয়া তাদের জন্য ভয়ের কারন হয়ে দাড়িয়েছে।

গৌরীপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আল মুক্তাদীর শাহীন ও সাধারন সম্পাদক ইমতিয়াজ সুলতান জানান, ছাব্বির আমাদের ছাত্রলীগের ইউনিয়ন বা ওয়ার্ড কোন সংগঠনের সদস্য নয়।

নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম আশরাফুল আলম বলেন, ঐ ছাত্রীর জবানবন্দি এবং ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।

loading...
%d bloggers like this: