loading...

পটুয়াখালীতে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ২০ দিন ধর্ষনের পর খবর পেয়ে র‍্যাব-৮ উদ্ধার করে!

0

আব্দুল আলীম খান পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ

পটুয়াখালীতে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ২০ দিন ধরে ধর্ষণ করেছে গৃহশিক্ষক। এরই ধারাবাহিকতায় পটুয়াখালী র‍্যাব-৮ এর ছায়া অভিযান চালিয়ে ধর্ষনের সহায়তাকারী আকলিমা বেগম (৪৫) আটক করে এবং সেখান থেকে অপহরণ হওয়া আব্দুল হাই বিদ্যানিকেতনের অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী তুলি আক্তারকে (১৩) উদ্ধার করে পিতাঃহারুন হাওলাদার,পটুয়াখালী টাউন কালিকাপুর নন্দকানাই এলাকার বাসিন্দা।

৯ সেপ্টেম্বর সোমবার সকাল ১০ ঘটিকার সময় পটুয়াখালী শহরের সবুজবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে স্কুলপড়ুয়া ছাত্রীকে উদ্ধার ও ধর্ষকের সহযোগী আকলিমা বেগমকে(৪৫) আটক করা হয়। র‍্যাব এর টের পেয়ে ধর্ষণকারী গৃহশিক্ষক মাসুদ কৌশলে পালিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে পটুয়াখালী র‍্যাব-৮ এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ রইছ উদ্দিন জানান,২০ আগস্ট সকালে আব্দুল হাই বিদ্যানিকেতনের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে যাওয়ার পথে, অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে নিয়ে যায় গৃহশিক্ষক মোঃমাসুদ রানা শুভ (২৬) ও তার সহযোগী আকলিমা বেগম।

অনেক খোঁজাখুঁজির পরও স্কুলছাত্রীকে না পেয়ে ২১ আগস্ট পটুয়াখালী সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন ছাত্রীর মা। সেই সঙ্গে মেয়েকে উদ্ধারে পটুয়াখালী র‍্যাব-৮ কাছে সকল তথ্য এবং মেয়ের ছবি দিয়ে আসে সহযোগিতা পাওয়ার জন্য

তিনি আরো জানান,ওই ছাত্রীকে তুলে নিয়ে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখে প্রায় ২০ দিন ধরে ধর্ষণ করছে গৃহশিক্ষক মাসুদ রানা। ধর্ষণে সহযোগিতা করেছে আকলিমা বেগম। সোমবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহরের সবুজবাগের মনু ফকিরের বাড়ির ভাড়াটিয়া আকলিমা বেগমের বাসায় অভিযান চালিয়ে স্কুলপড়ুয়া ছাত্রীকে উদ্ধার করে র‍্যাব-৮ কৌশলে ধর্ষণের সহযোগী পালিয়ে যাওয়ার সময় আকলিমা বেগমকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় ধর্ষক মাসুদ রানা টের পেয়ে পালিয়ে যায়।

ধর্ষকের সহযোগী আকলিমা বেগমকে পটুয়াখালী সদর থানায় প্রেরণ করা হয় এবং স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থীকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ধর্ষণকারীর বিরুদ্ধে পটুয়াখালী সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। তিনি সকলকে পটুয়াখালী র‍্যাব-৮ কে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার কথা বলেন।

loading...
%d bloggers like this: