loading...

গাইবান্ধায় ৪০ দিন কর্মসূচি শ্রমিক নিয়োগে ঘুষ বানিজ্য

0

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল, গাইবান্ধা প্রতিনিধি:

গাইবান্ধায় অতিদরিদ্রের জন্য কর্মসংস্থান ( ৪০ দিন) কর্মসূচির (ইজিপিপি) কাজে শ্রমিক নিয়োগে ঘুষ বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়া কাগজে-কলমে মাটির কাজ সম্পন্ন দেখানো হলেও রাস্তায় কাজের কোনো অস্তিত্ব দেখা যায়নি। কিছু কাজ হয়েছে যেনতেনভাবে। অন্তত ১০টি প্রকল্প এলাকা ঘুরে এ চিত্র পাওয়া গেছে।

গাইবান্ধা জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, জেলার ৭টি উপজেলার ৮২টি ইউনিয়নে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির কাজের জন্য ২৮ হাজার ৮৪৫ জন শ্রমিক নিয়োগ করা হয়। এসব শ্রমিকের মজুরি বাবদ ২৪ কোটি ৪৯ লাখ ২১ হাজার ৬৮৩ টাকা বরাদ্দ পাওয়া যায়।

এর মধ্যে সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ৫ হাজার ৬১৭ জন শ্রমিকের বিপরীতে ৪ কোটি ৭৬ লাখ ৬৩ হাজার ৫৪৬ টাকা, গাইবান্ধা সদরে ৪ হাজার ৩৯১ জন শ্রমিকের বিপরীতে ৩ কোটি ৭২ লাখ ৩৩ হাজার টাকা, সাদুল্যাপুরে ৩ হাজার ৮৮৯ জন শ্রমিকের বিপরীতে ৩ কোটি ৩০ লাখ ২১ হাজার ৮০৬ টাকা, পলাশবাড়ীতে ২ হাজার ৯১০ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২ কোটি ৪৭ লাখ ৩১ হাজার ৮৬২ টাকা, গোবিন্দগঞ্জে ৫ হাজার ৭৩৭ জন শ্রমিকের বিপরীতে ৪ কোটি ৮৭ লাখ ১৬ হাজার ৫৮৭ টাকা, সাঘাটায় ৩ হাজার ৭৫২ জন শ্রমিকের বিপরীতে ৩ কোটি ১৮ লাখ ৪৬ হাজার ৪৪৯ টাকা এবং ফুলছড়িতে ২ হাজার ৪৪৯ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২ কোটি ১৬ লাখ ৪৮ হাজার ৪৩৩ টাকা।

নিয়ম অনুযায়ী এ প্রকল্পে সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসে কাজ করেন শ্রমিকেরা। প্রত্যেক শ্রমিকের দৈনিক মজুরি ২০০ টাকা। একজন শ্রমিক ৪০ দিন কাজ করতে পারেন। মোট ৪০ দিনে একজন শ্রমিক মজুরি পান ৮ হাজার টাকা। এই কর্মসূচির শ্রমিক দিয়ে গ্রামগঞ্জের বিধ্বস্ত রাস্তাঘাটে মাটি কেটে চলাচলের উপযোগী করার কথা। নীতিমালা অনুযায়ী ৩০ জুনের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার কথা ছিল।

loading...
%d bloggers like this: