loading...

গৌরীপুর আলোচনায় সর্বকনিষ্ঠ প্রার্থী খায়রুল বাসার

0

মশিউর রহমান কাউসার,গৌরীপুর ব্যুরো চিফ:

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরব হয়ে ওঠেছে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা। এরইমধ্যে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী সম্ভাব্য প্রার্থীরা প্রচারণা ও দলীয় মনোনয়নের জন্য দৌঁড়ঝাপ শুরু করেছেন। এতে আলোচনায় রয়েছেন ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ সদস্য, সাংস্কৃতিক ও সংবাদকর্মী এইচএম খায়রুল বাসার।খায়রুল বাসার স্থানীয়ভাবে উদীচী, গৌরীপুর থিয়েটার, বাংলা মঞ্চ, সংগীত নিকেতনসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জড়িত। স্বেচ্ছাসেবী হিসেবেও রয়েছে তার ব্যাপক সুনাম ও অর্জন। জাতীয় পর্যায়ে ইয়াং বাংলা কর্তৃক জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সোস্যাল ইউনিটি ফর নার্সিং (সান) এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক তিনি।

উপজেলার মাদক, বাল্য বিবাহ, দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে সাধারণ মানুষের তার মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। বিশেষ করে নিজ উদ্যোগে তিনি উপজেলায় ১২ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গড়ে তোলেন।

সাবেক এই ছাত্রনেতা দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকলেও বিভিন্ন সময় সৃজনশীল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আলোচনায় আসেন। ইউপি নির্বাচন, পৌরসভা নির্বাচন ও দুটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তরুণদের নিয়ে বিভিন্ন সৃজনশীল প্রচারণা দিয়েও সবার দৃষ্টি কাড়েন তিনি।

‘আলোকিত গৌরীপুর’ গড়ার আহবান নিয়ে তিনি ঘুরে বেড়াচ্ছেন উপজেলার বিভিন্ন স্থানে দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষদের কাছে। প্রথম জেলা পরিষদ নির্বাচনে স্থানীয় হেভিওয়েট প্রার্থীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সর্বকনিষ্ঠ প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হয়ে চমক সৃষ্টি করেন তিনি।

খায়রুল বাসার বলেন, জেলা পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তিনি দুই বছরে এ উপজেলার বিভিন্ন মসজিদ-মন্দিরসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল-কলেজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ক্লাবসহ বিভিন্ন স্থানে উন্নয়ন ও সংস্কার কাজে প্রায় দেড় কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছি।

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারলে মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্ণীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করবো। এলাকার উন্নয়নে অংশ নিয়ে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ ও জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের রাজনীতিকে এলাকায় আরো গতিশীল করবো।

 

loading...