স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় কর্তৃক সীমান্ত শাখা-২ প্রকাশিত গেজেটের শর্ত ভঙ্গ করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ গোমস্তাপুরে গবাদি পশুর বিট/খাটালে আর্থিক হরিলুট

0

স্টাফ রিপোর্টার :

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় সীমান্ত শাখা-২, তারিখ =২২সেপ্টেম্বর ২০১৪ইং প্রকাশিত গেজেটের নং ৪৪.০০.০০০০.১১৭.০৩.০০৪.২০১৪/১১৩ সীমান্ত এলাকায় বিভিন্ন ভাবে আগত গবাদি পশুর বিপণন,পরিবহন,সংরক্ষন ইত্যাদি সহ গবাদি পশুর ব্যবস্থাপনা এবং রাজস্ব আদায়ের জন্য গবাদি পশুর বিট স্থাপন সংক্রান্ত নীতিমালা প্রকাশিত হয়।

সেই সুবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জ গোমস্তাপুর উপজেলাধ্বীন রাধানগর ইউনিয়নের অন্তর্গত বিভিষন বি-পি-ওর পার্শ্বে সীমান্ত শাখা-২এর গবাদি পশুর বিট/খাটাল অবস্থিত। উক্ত বিট মালিক মো:আলমগীর ইসলাম এর নেতৃত্যে চলছে বিভিন্ন অনিয়ম ও আর্থিক দূর্নীতি।

স্থানীয় গরু ব্যবসায়ীরা মোবাইল ফোনে অভিযোগ করেন যে বাংলাদেশ সরকারের প্রকাশিত গেজেটের বিট সার্ভিসচার্জ প্রতিটি গবাদি পশুর জন্য ২০টাকা হারে সার্ভিসচার্জ আদায় করবে।অতিরিক্ত প্রতিদিন অবস্থানকালীন ফি ৩০টাকা আদায় করবে বিট গ্রহিতা।কিন্তু পরিতাপের বিষয় যে কাস্টমস/করিডর অফিসের ওযুহাত দেখিয়ে আমাদের কাছে ০২টি গরুর বিট আদায় করছে ৩৬০০টাকা বিট মালিক আলমগীর।অতঃপর উক্ত বিট এর টাকা আদায়ের রশিদ চাইলে তা দিতে নাকচ করে বিট মালিক।সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় ভুক্তভোগি ব্যবসায়ীদের অভিযোগ টি সত্যতার প্রমাণ পাওয়া যায়।সাংবাদিকের টের পেয়ে বিট মালিক পালিয়ে যায়।

বিট দেখাশুনা ও পরিচর্যা করে তাজামুল ইসলাম এর কাছে বিট মালিকের সন্ধান চাইলে তিনি
বলেন আশেপাশেই আছে।বিট আদায়ের পরিমাণ জানতে চাইলে তিনি জানান ২টি গরুর বিট
আদায় করি ৩৬০০টাকা। আরও এক ব্যবসায়ীর কাছে জানতে চাইলে তিনিও জানান আমাদের কাছ থেকে ৩৬০০টাকা নেয় ২টি গরু প্রতি।বিট মালিকের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আমি অসুস্হ বলে মোবাইল সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেয়।এই বেপারে বিটের সদস্য বিজিবি-র প্রতিনিধির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান বিট সুষ্ঠু ভাবে
পরিচালনা হচ্ছে,এটা ১০০%সত্য। কিন্তু বিট সদস্যর বিজিবি প্রতিনিধি কে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য বলা হলে তিনি জানান,এই সংক্রান্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে বলে আমার মনে হইনা।

%d bloggers like this: