সাজাপ্রাপ্ত আসামির বিলাসবহুল জীবন যাপনের টাকা কোথা থেকে আসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

0

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপির কাছে ক্ষমতা হচ্ছে দুর্নীতি করে টাকা বানানো, তারা যে দুর্নীতি করে গেছে, দুর্নীতির যে বিষবৃক্ষ রচনা করে গেছে সারা বাংলাদেশে, আজকে তার কুফল বাংলাদেশ ভোগ করছে। আমরা ক্ষমতায় আসার পর এক এক করে সেগুলো আমরা ধরছি উদঘাটন করছি। তাদের দুর্নীতির এত টাকা বিদেশে যে ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার আসামি সাজাপ্রাপ্ত সে যেভাবে বিলাসবহুল জীবন যাপন করছে, আমরা তো তা পারিনি। কিন্তু তারা করছে কোথা থেকে পাচ্ছে এত টাকা? সেটাই তো প্রশ্ন।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকালে ২১ শে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একথা বলেন। সংসদ নেতা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে কথাগুলো বলেন। আলোচনা সভা উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সূচনা বক্তব্য রাখেন। এছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী, আব্দুর রাজ্জাক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম প্রমুখ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন দেখি দুর্নীতি নিয়ে বড় করে কথা বলে কিন্তু মানুষ কি ভুলে গেছে বিএনপির আমলে ২০০১-২০০৬ পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশ পাঁচ পাঁচ বার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। এটা সকলেই জানে। তাদের দুর্নীতির এত টাকা যে বিদেশে ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি সে যেভাবে বিলাসবহুল জীবন যাপন করছে, আমরা তো তা পারিনি। কিন্তু তারা করছে কোথা থেকে পাচ্ছে এত টাকা? সেটাই তো প্রশ্ন। বলছে জুয়ার আড্ডা থেকে নাকি টাকা সংগ্রহ করে।

এরপর দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে দলের নেতাকর্মীদের সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ করবেন। আজকে খুব দুঃখ আমি আপনাদের মাঝে আসতে পারলাম না এই জায়গায়। যা হোক এটা বিশ্বব্যাপী সমস্যা। কিন্তু ভিডিও কনফান্সের মাধ্যমে বা জুমের মাধ্যমে কথা বলতে পারছি ডিজিটাল বাংলাদেশ হয়েছে বলেই এটা সম্ভব হয়েছে।

এজন্য জয়কে ফোন করেছিলাম ধন্যবাদও দিয়েছি যে তুই যদি ডিজিটাল বাংলাদেশ না করে দিলে এভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারতাম না। সবকিছু স্থবির হয়ে থাকত। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। জাতির পিতা দেশ স্বাধীন করে গেছেন জাতির পিতার স্বপ্নছিল দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটাবেন। আমরা অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছিলাম এবং আমরা তা করতেও পারতাম। কিন্তু দুর্ভাগ্য করোনাভাইরাস আসাতে সবকিছু স্থবির হয়ে গেছে। তারপরেও আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি আমাদের সীমিত সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও আমাদের অর্থনীতির চাকা গতিশীল রাখা, আমাদের সাধারণ মানুষ যেন কষ্ট না পায় তাদের যেভাবে পারি সহযোগিতা করা, সাহায্য করা, আমাদের দেশটা যেন সামনের দিকে এগিয়ে নিতে পারি তার জন্য যথাযথ চেষ্টা করে যাচ্ছি।

%d bloggers like this: