সত্য সংবাদ প্রকাশে সাংবাদিককে প্রাননাশের হুমকি!!

0
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

গত ২৭/৫/২০১৮ইং তারিখে অনলাইন কাজী টিভিতে “জালটাকার জালে ফেসেঁ গেল জহিরুল”নামে একটি সংবাদ প্রকাশ করাহয়। ঘটনাটি ঘটে পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার মুদিরহাট বাজার নামক এলাকায়,পটুয়াখালীর ডিবি পুলিশের একটি চৌকস দল ও মিডিয়া কর্মীর ততপ্রতায় আটক হয় আসামী জহিরুল।  আসামীর দেয়া জবান বন্দী অনুযায়ী ডিবি পুলিশ জাল টাকা বিক্রয় কারি মোঃ সরোয়ারকে আটক করে কোর্টে চালান দিলে কোর্ট তাকে জেল হাজতে পেরন করে। কিছু দিন পর সরোয়ার হাই কোর্ট থেকে জামিন নিয়ে আসে,এবং অপর আসামী রুবেল এখনো পলতাক আছে।

ঘটনার বিস্তারিত খোজ করলে দেখা যায় আটক জহিরুল পরিকল্পিতভাবে ফাসাঁতে চায় তার শশুর বাড়ীর লোকদের কিন্তু তার ঐ পরিকল্পনা বেস্তে যায় মিডিয়া কর্মী ও ডিবি পুলিশের বিচক্ষণতারর কাছে। জাল টাকা সহ সেষে আটক হয় জিহিরুল এরই ধারাবাহীকতায় ডিবি পুলিশ একটি মামলা রুজ করেন এবং কোর্টে চালান করে আসামীকে, এতে করে আসামী জহিরুল ক্ষিপ্ত হয়ে কোর্টে মেজিস্ট্রেট এর কাছে ১৬৪ধারায় মিথ্যা জাবন বন্দিদেয় মিডিয়া কর্মী কাজাী মামুনের বিরুদ্বে এখানেই থেমে থাকেনি আসামী জহিরুল হাই কোর্ট জামিনে এসে তার ঐ অপকর্মের সহযোগী দের সাথে নিয়ে গত ২৮/১০/২০১৮ইং তারীখ দিবাগত রাত আনুমানিক ৭.৩০ মিনিটের সময় ঐ সংবাদ কর্মীর নিজ গ্রামের বাড়ীর দরজার সামনে সরকারি পাকা রাস্তার উপর আসামী জহিরুল,সরোয়ার,রুবেল মোটরসাইকেল যোগে এসে প্রতিবেদককে সংবাদ প্রকাশ ও ডিবি পুলিশকে সহযোগীতা করায় বকা বকি,গায়ে হাত দেয় এবং সাব খুনের উদ্দেশ্যে এবং ৩ টাকার বেল্ড দিয়ে প্রান নাশের হুমকি দেয় ঐ সময় কাজী মামুনের ডাক চিৎকারে তার বাসা থেকে তার মা ছুটে চলে আসলে দ্রত মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায় আসামীরা। এ সকল বিষয় পটুয়াখালী সদর থানায় একটি সাধরন ডায়রি করাহয় যাহার জিডি নং ১৫৩০ তারিখ ৩০/১০/২০১৮
উল্যেক্ষ থাকেযে ডিবি পুলিশ আসামী জহিরুল কে কোর্টে চালান দেয়ার পর তার দেয়া জবান বন্দী অনুযায়ী জাল টাকা সংগ্রহ করতে সাহায্য কারী ও জাল টাকা বিক্রয় কারী নাম প্রকাশ করে জহিরুল এতে দেখাযায় জাল টাকা বিক্রয় কারী মোঃ সরোয়ার (২৯) পিতা মোঃ ফোরকান বিশ্বাস, জাল টাকা সংগ্রহকারী মোঃ রুবেল, তাদের সকলের ঠিকানা সর্বসাং গ্রাম:শাখারীয়া,ইউনিয়ান:আঠারোগাছিয়া,থানা: আমতলী, জেলা:বরগুনা।
আসামীর দেয়া জবান বন্দী অনুযায়ী ডিবি পুলিশ জাল টাকা বিক্রয় কারি মোঃ সরোয়ারকে আটক করে কোর্টে চালান দিলে কোর্ট তাকে জেল হাজতে পেরন করে।কিছু দিন পর সরোয়ার হাই কোর্ট থেকে জামিন নিয়ে আসে,এবং অপর আসামী রুবেল এখনো পলতাক আছে।

%d bloggers like this: