শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বসত বাড়িতে ১৪৪ধারা জারি

0

 

মুহাম্মদ আবু হেলাল,শেরপুর প্রতিনিধি:

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার সদর ইউনিয়নের বালিয়াচন্ডি গ্রামে এক পরিবারের বসত বাড়ির জমির উপর ১৪৪ধারা জারির নোটিশ প্রদান করা হয়েছে ।অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শেরপুর,স্বারক নং ৫৩১/এ,ডি,এম পিটিশন নং ১৯১/২০২০ বি,আর,এস খতিয়ান নং ১৬৪ দাগ নং ১০৩৫ জমি ১০শতাংশ বি,আর,এস খতিয়ান নং ৩০০ দাগ ১০৩৬ জমি ৫.২৫ শতাংশ ভূমি জবর দখলের এক লিখিত অভিযোগ হর চন্দ্র বর্মনের ছেলে কুমুদ চন্দ্র বর্মন কোর্টে দায়ের করলে বিজ্ঞ আদালত ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৪ধারার এ আদেশ দেন ।

ঝিনাইগাতী থানার এ,এস আই আতিকুর রহমান উভয় পক্ষকে শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার্থে স্ব-স্ব অবস্থানে থেকে আগামী ১৪/১০/২০২০ তারিখে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শেরপুর হাজির হওয়ার নোটিশ প্রদান করেছেন ।জানা যায়,ওই গ্রামের মৃত দেলোয়ার মুন্সীর ছেলে আবু বক্কর (৫০) অভিযোগকারীর বসত বাড়ির পূর্ব পার্শ্বে ৫ শতাংশ জমিতে বাড়ি নির্মাণ করে ১৫শতাংশ জমি ক্রমান্বয়ে জবর দখল করে নেয়। তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে জবর দখলের জমি উদ্ধারের কথা অভিযোগে প্রকাশ করেছেন ।

এ ব্যাপারে ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শফিউলসহ এলাকাবাসী জানায়,বিষয়টি সমস্যা সমাধান করা জন্যে গ্রাম্য ভাবে বহুবার দেনদরবার হয়েছে।তারা আপোষ মিমাংসায় না আসায় কোর্টের আশ্রয় নিয়েছেন কুমুদ চন্দ্র ।   বিবাদী আবু বক্কর ও তার স্ত্রী রাশেদা বেগম জানায় আমি ২৪বছর থেকে এখানে বসবাস করছি ১৫শতাংশ জমি তার নিকট থেকে প্রতি কাঠা ৬০হাজার টাকা দাম ধরে মোট ১লাখ ৮০হাজার টাকার মধ্যে থেকে দেড়লাখ টাকা দিয়েছি বাকি ৩০হাজার টাকা পরে নিয়ে সাব রেজিষ্ট্রি দলিল করে দিবে বলে তালবাহনা করছেন।

 

এখন জমি  লিখে না দিয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ও মামলা মোকাদ্দমা করে হয়রানি করছে ।তার সাথে আমাদের গভীর সম্পর্ক থাকায় বিশ্বাস করে টাকা দিয়েছি,পরে লেখে দিবে বলে আমি ক্রয়কৃত জায়গায় ঘোয়ালঘর,বাঁশেরঝাড় টয়লেট,খরের পালা, গরুরচারি, গোবরেরকারি ও  টিউবওয়েল স্থাপন করেছি। এ স্থাপনাগুলো এক দিনে হয়সন।বাদি কুমুদ চন্দ্র বর্মন জানান,“আমি তার নিকট থেকে কোন টাকা নেইনি,যদি নিয়ে থাকি তাহলে বায়নাপত্র বা স্বাক্ষী দেখাতে বলেন,আমার দূর্বলতা ও বন্ধুত্বের সুযোগে আমার বসতবাড়ির জমিটুকু জবর দখল করে আমায় উচ্ছেদ করার জন্যে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।আমি ন্যায় বিচারের জন্যে আদালতের কাছে আশ্রয় নিয়েছি।”

%d bloggers like this: