শেখ হাসিনা আমারে একটা ঘর দিলে নামাজপড়ে   দোয়া করবাম

0

শাহজাহান কবির  :

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার ৭ নং রামগোপালপুর ইউনিয়নের গাও রামগোপালপুর গ্রামের মৃত হবিবুর রহমানের স্ত্রী শুকুরী (৬২) বছর বয়সেও অসহায় শুকুরী-র ভাগ্যে জুটেনি সরকারী কোন সুযোগ সুবিধা। স্বামীহারা ওই মহিলা তিন বেলা খাবার যোগান দেওয়ার জন্য পাড়া প্রতিবেশীদের টুকিটাকি কাজ করে খাবার জোগান তিনি,বয়সের ভারে নজু হয়ে পড়েন বর্তমানে তিনি তার ভাইয়ের বাড়িতে আর কাজ করতে পারছে না । কোন ভাবে একবেলা খাবার জুটলে ও অন্য বেলায় জুটে না। তিনি প্রতিবেদককে বলেন আমার স্বামী মারা গেছে ৩০ বছর হইছে এই লাগাত ঈদ ফরব আইলে ১০ কেজি চাউল পাই আর কোন কিছু পাইছি না, স্থানীয় মেম্বারের এহানে গুরছি খালি কয় কার্ড অইব কিন্তু আজ পর্যন্ত কিছুই হইলো না । মানুষে কয় বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নাহি গরীবদের জন্য ঘর দিতাছে কেউ যদি দয়া করে আমারে একটা ঘর দিত তাহলে আমি একটু ঘুমাতে পারতাম। আমি নামাজ পড়ে দোয়া করবাম।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ঘরের জন্য তার ভাইয়ের বাড়িতে তার একটু জায়গা থাকলেও পলিথিন ও বাশ দিয়ে ঘর বানিয়ে বসবাস করেন তিনি।খোঁজ খবর রাখার মতো একজন ভাই আছে সেও আবার প্রতিবন্ধী। তাকে দেখা শুনার মত
কেউ নেই। এলাকায় বিভিন্ন মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে কোন ব্যবস্থা করতে পারছেনা কেউ তার কথা শুনেনি কেউ। একটি ঘরের এই কথা বললেই কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তিনি। শুকুরী জানান চার বছর ধরে আমার নামে ১০ টাকা কেজি চালের কার্ড ছিল কিন্তু আমি কার্ড পাইছি কোরবানী ঈদের আগে কিন্তু চার বছরের চাল কে উত্তোলন করে ছিল? অসহায় অবস্থায় সরকারী ঘর পাওয়ার জন্য সরকারের কাছে ও সমাজের সকলের সহযোগীতা কামনা করেন তিনি।

%d bloggers like this: