ঢাকা ২৮.৯৯°সে ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

তিস্তা ব্যারাজে নষ্ট হচ্ছে কোটি কোটি টাকার সরকারি সম্পদ

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় অবস্থিত দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ নির্মাণকাজে ব্যবহৃত যানবাহনসহ নানা যন্ত্রাংশ নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর চাহিদা না থাকায় আর ব্যবহৃত হচ্ছে না। খোলা আকাশের নিচে ব্যারাজের গোডাউনে অযত্ন-অবহেলায় বছরের পর বছর পড়ে আছে কয়েকশত কোটি টাকা সমমূল্যের যন্ত্রাংশ।

জানা গেছে, উত্তরাঞ্চলের লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী ইউনিয়নের দোয়ানী নামক এলাকায় তিস্তা নদীর ওপর ৫৬টি জলকপাট দিয়ে নির্মিত ব্যারাজটি দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প। ব্যারাজটির নির্মাণকাজ ১৯৭৯ সালে শুরু হয়ে ১৯৯০ সালে শেষ হয়। সেচ প্রকল্প ও ব্যারাজটি রক্ষণাবেক্ষণ করেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পানি উন্নয়ন বোর্ড।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত ব্যরাজের কাজ শেষে দোয়ানী গোডাউনে ট্রাক, বেকার, ওযাগন, ঢালাই মেশিনসহ কয়েকশ কোটি টাকা দামের দামি যানবাহন ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশ খোলা আকাশের নিচে পড়ে আছে । অযত্ন আর অবহেলায় এসব জিনিস দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকায় ব্যাবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

সূত্রমতে, পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ এসব দামি যানবাহন ও যন্ত্রাংশ মেরামতের উদ্দ্যোগ না নেয়ায় রোদ-বৃষ্টিতে পুড়ে-ভিজে নষ্ট হচ্ছে ব্যবহার ও চলাচলযোগ্য যানবাহন, যন্ত্রাংশগুলো এবং চুরি হয়ে যাচ্ছে এর যন্ত্রাংশ। একসময়ের এসব সচল আধুনিক জিনিসগুলো বর্তমানে অচল হয়ে গেছে।
এদিকে গোডাউনে পরে থাকা জিনিসগুলো জং ধরে ব্যবহার অনুপযোগী  হয়ে পড়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড তিস্তা ব্যারাজ’র উপ-সহকারী প্রকৌশলী বিলাস চন্দ্র এর সাথে কথঅ হলে তিনি এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হয়নি।
তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া’র নির্বাহী প্রকৌশলী আসফুদ্দৌলা বলেন, এ বিষয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি’র রিপোর্ট পাওয়ার পরে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।




আপনার মতামত লিখুন :

এক ক্লিকে বিভাগের খবর


x