ময়মনসিংহে শিশু ভাতার কার্ডকে কেন্দ্র করে বহু লোকদের টাকা আত্মসাৎ

0

স্টাফ রিপোর্টারঃ

সম্পৃতি ময়মনসিংহে শিশু ভাতার কার্ড দেয়াকে কেন্দ্র করে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউপি সদস্য রেজাউল করীম মিন্টু মেম্বার নামে। এ বিষয়ে স্থানীয় লোকদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, প্রায় ১৬৪ জন লোকদের কাছ থেকে টাকা নেয় মিন্টু মেম্বার।

জানা গেছে, ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ৫নং সিরতা ইউনিয়নের চর খরিচা গ্রামের মোঃ আব্দুল জলীল এর ছেলে ইউপি মেম্বার মোঃ রেজাউল করীম মিন্টু মিয়া তার ওয়ার্ডের গরীব, অসহায় প্রায় ১৬৪ জন লোকদেরকে সরকারী ভাবে শিশু ভাতা ও গর্ভবতীকালীন ভাতা দেয়ার কার্ড করে দিবে বলে আজ থেকে প্রায় ৭/৮ মাস আগে কারও কাছ থেকে ৪০০০/- চার হাজার আবার কারও কাছ থেকে ৫০০০/- পাঁচ হাজার টাকা করে টাকা ঘুষ নেয়।

কিন্তু আজও অসহায় লোক গুলো তাদের শিশু ভাতার কার্ড পেল না। এ বিষয়ে সাংবাদিকগণ চর খরিচা এলাকায় প্রবেশ করলে স্থানীয় লোকজন ও ভুক্তভোগী অসহায় হত দরিদ্র লোক গুলি সাংবাদিকদের এ তথ্য প্রদান করে। এলাকার লোকজন আরও বলেন, রেজাউল করীম মিন্টু মেম্বার চর খরিচা উচ্চ বিদ্যালয় এর পাশে জামে মসজিদের সরকারী বরাদ্দকৃত টাকা উত্তোলন করেও খেয়ে ফেলেছে।

এ ছাড়াও মিন্টু মেম্বারের নামে আরও অনেক অভিযোগ রয়েছে বলে স্থানীয় এলাকাবাসী জানান। শিশু ভাতার কার্ড করে দিবে এরকম কথা বলে জনগণের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করছে এ বিষয়ে স্থানীয় সিরতা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু সাঈদ সাহেবকে জিজ্ঞাসা করা হলে, উনি বলেন হ্যা এ বিষয়ে কিছু আমিও শুনতেছি, আর ভুক্তভোগী কেও যদি আমাকে লিখিত অভিযোগ দেয় তাহলে আমি তদন্ত কমিটি করে একটি প্রতিবেদন তৈয়ার করে তা উপজেলার চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট প্রেরণ করবো।

১৬৪ জন ভুক্তভোগীর মধ্য হতে কয়েক জনের বক্তব্য নিতে গেলে এক পর্যায়ে কিছু অসহায় ব্যক্তি বলেন, মিন্টু মেম্বারকে শিশু ভাতার কার্ড করে দেয়ার জন্য ৭/৮ মাস আগে ৪-৫ চার পাচঁ হাজার করে টাকা সুদে ঋন করে এনে দিয়েছি। যা আজও তার লাভ গুণতেছি। এ বিষয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্শণ করছি। যেন সঠিক তদন্ত করে বিষয়টি আমলে আনতে এবং তদনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

%d bloggers like this: