ময়মনসিংহে নারী কনস্টেবলের মৃত্যু! এসআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা

0

মাসুদ রানা, ময়মনসিংহ:

ময়মনসিংহের গৌরীপুর থানায় গায়ে আগুন ধরিয়ে নারী কনস্টেবলের আত্মহত্যার ঘটনায় তাঁর সহকর্মী উপ-পরিদর্শক (এস.আই) মো. মিজানুলের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলার পরই এসআই মিজানুলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার ( ৪ এপ্রিল ) দিবাগত রাতে নারী কনস্টেবল হালিমার বাবা মুক্তিযোদ্ধা হেলাল উদ্দিন বাদী হয়ে গৌরীপুর SA Computerথানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তবে মিজানুল এখন পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।

এদিকে গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ধর্ষণ ও আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে এস.আই মিজানুলকে মঙ্গলবার ( ৪ এপ্রিল ) দুপুরে ময়মনসিংহের একটি আদালতে পাঠানো হবে। তিনি আরো বলেন, গৌরীপুর থানায় কর্তব্যরত নারী কনস্টেবল হালিমা খাতুন গত রোববার সন্ধ্যায় থানা চত্বরে নিজ কক্ষে অগ্নিদগ্ধ হন। পরে ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) সৈয়দ নুরুল ইসলাম।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন আগামীকাল বুধবার ( ৫ এপ্রিল ) দেওয়ার কথা রয়েছে। এসময় দেলোয়ার বলেন, গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে হালিমার বাবা মুক্তিযোদ্ধা হেলাল উদ্দিন বাদী হয়ে গৌরীপুর থানায় ধর্ষণ ও আত্মহত্যা প্ররোচনায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পরই এসআই মিজানুলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। মিজানুল এখন পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। মঙ্গলবার তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হবে। উলে­খ্য, গত রবিবার ( ২ এপ্রিল ) গৌরীপুর থানা কর্মরত অবস্থায় ওই নারী পুলিশ কনস্টেবল তার শরীরে আগুন ধরিয়ে আত্মহত্যা করে। পরে ওইদিন সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।

নিহত পুলিশ কনস্টেবলের নাম হালিমা খাতুন (২৪)। তিনি নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার গয়রাকান্দা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা হেলাল উদ্দিনের মেয়ে। হালিমার সঙ্গে গৌরীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুলের প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে বলে একাদিক সূত্রে জনা গেছে। সেই প্রেমের সর্ম্পকের কারনেই হালিমা আত্মহত্যা করেছেন। তবে এই অভিযোগ ওঠার পর পরই ওই এস.আই.কে প্রত্যাহার করে ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্সে ক্লোজ করা হয়।

%d bloggers like this: