মানহানিকর তথ্য প্রচারের প্রতিবাদে ছাত্রলীগের সংবাদ সম্মেলন

0

ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:

ত্রিশালের উন্নয়নের রুপকার ধর্মমন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও ময়মনসিংহ-৭ ত্রিশাল আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব হাফেজ মাওলানা রুহুল আমীন মাদানী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মিথ্যা বানোয়াট, কুরুচিপূর্ণ ও মানহানীকর তথ্য প্রচারের মাধ্যমে রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবে তাদের কে হেয় প্রতিপন্ন করার চক্রান্তে মেতে উঠেছেন স্থানীয় কিছু দূস্কৃতিকারী মহল। এসব চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সাংসদের পুত্র ও ত্রিশাল উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাসান মাহমুদ।

সোমবার দুপুরে উপজেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে এ সংবাদ সন্মেলন করেছেন তিনি।

লিখিত বক্তব্যে হাসান মাহমুদ বলেন, জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টিসহ সমাজে আমার পিতা ও আমাদেরকে হেয় প্রতিপন্ন করার চক্রান্ত করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পুলিশ হেড কোয়ার্টার, দূর্নীতি দমন কমিশনসহ বিভিন্ন স্থানে মিথ্যা, কাল্পনিক ও মানহানিকর অভিযোগ দায়ের করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারে লিপ্ত হয়েছে। কিছু নিবন্ধনহীন অনলাইন পোর্টাল ও ফ্যাইক ফেইসবুক আইডির মাধ্যমে এসব অপপ্রচার চালানো হযেছে যার কোন অস্তিত্বই নেই।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত দলীয় নেতা কর্মীরাতাদের বক্তব্য-ত্রিশাল উপজেলার উন্নয়নের রুপকার আধুনিক ত্রিশাল গড়ার উদ্যোক্তা ধর্ম মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সম্মানিত সভাপতি আলহাজ্ব হাফেজ মাওলানা রুহুল আমীন মাদানি এমপি মহোদয় ও উনার দুই পুত্র একজন ত্রিশাল উপজেলা ছাত্রলীগের সংগ্রামী সভাপতি হাসান মাহমুদ অপরজন বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী প্রিন্স মাহমুদ এর বিরুদ্ধে আনীত এসব মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন অভিযোগের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন- যাকে নিয়ে এই ভূয়া নাটক সাজানো হয়েছে সেই ভূয়া অভিযোগকারী আবুল কালাম শেখ এর স্বাক্ষর জাল করে কিছু অসাধু কুচক্রী মহল বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যম ও ভুয়া ফেইসবুক আইডি ব্যাবহার করে মিথ্যা বনোয়াট রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রনোদিত হইয়া ব্যাক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করার নিমিত্তে যে সকল অভিযোগ বিভিন্ন অফিস আদালতে জমা দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে তা সম্পুর্ণ মিথ্যা বানোয়াট। এব্যাপারে মোঃ আবুল কালাম শেখ জেলা ময়মনসিংহের নোটারী পাবলিক সমক্ষে ও স্বাক্ষীগনের মোকাবেলায় অভিযোগে তার স্বাক্ষর জালিয়াতির বিষয়ে স্বীকার করে তিনি অবগত নন বলে তার লিখিত বক্তব্য পেশ করেছেন বলে দাবী জানিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

হাসান মাহমুদ বলেন, ১৯৯৬ সালে আমার পিতা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে ত্রিশালের যে উন্নয়ন কর্মকান্ড করেছিলেন তা ত্রিশালের জনগণসহ সর্বমহলে স্বীকৃত। ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি আবারও দলের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর গত ২২ মাসে ত্রিশালে উন্নয়নের জোয়ার বইতে শুরু করেছে। ত্রিশালের সর্বস্তরের মানুষ তাকে উন্নয়নের রূপকার হিসাবে শ্রদ্ধা করেন। আমি বাবার রাজনীতির সুবাধে ২০০১ সাল থেকে রাজনৈতিক সকল কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছি। কয়েক দিন পূর্বে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে আমার নাম করে একটি অডিও ক্লিপ প্রচারিত হয়, যাহা আমার বোধগম্য নয়। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আমাকে ও আমার পরিবারকে সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার সারাদেশে যে সকল দৃশ্যমান উন্নয়ন কর্মকান্ড করছেন তারই ধারাবাহিকতায় সাংসদ রুহুল আমীন মাদানীর নেতৃত্বে ত্রিশালে সর্বক্ষেত্রেই উন্নয়নের জোয়ার বইছে সে উন্নয়ন কার্যক্রমকে অপপ্রচারের উদ্দেশ্যে দল ও সরকারের ভাবমূতি ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি এসময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
সংবাদ সম্মেলনে এসময় উপস্থিত ছিলেন, ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ন সম্পাদক নবী নেওয়াজ সরকার, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি আনোয়ার হোসেন আকন্দ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হামিদুর রহমান, আবুল কালাম, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শোভা মিয়া আকন্দ, পৌর আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ন সম্পাদক মোকছেদুল আমীন, ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন প্রমূখ।

%d bloggers like this: