ভবানীপুরে এক আতংকের নাম হাসান,তার মামলা আতংকে নিরুপায় এলাকাবাসী

0

স্টাফ রিপোর্টারঃ

ফুলবাড়িয়া উপজেলার ভবানীপুরের এক আতংকের নাম হাসান।হাসান ইয়াসীন আলীর পুত্র, তার বাড়ি ভবানীপুর মোল্লা পাড়া। হাসান একের পর এক মামলা মিথ্যা অভিযোগে সাধারণ মানুষের নামে মামলা করে এলাকাবাসীর মাঝে আতংকের সৃষ্টি করেছেন বলে জানাগেছে। স্হানীয় সূত্রে জানাযায়, হাসান মানে একের পর এক মামলা, হাসান মানে জুয়া, হাসান মানে সমাজের শান্তি বিনষ্টকারী। স্হানীয়রা আরও জানান, কোন প্রকার কথা কাটাকাটি হলেও প্রথমে অভিযোগ দায়ের করেন হাসান তারপর গ্রাম্য শালিসের মাধ্যমে মোটা অংকের টাকা আদায় করে থাকেন।

মামলা করাটা এখন তার পেশা হয়ে দাড়িয়েছে বলে অভিমত ব্যাক্ত করেছেন স্হানীয়রা।স্হানীয় মাতাব্বররা জানান,এই হাসান ঢাকা থেকে আসার পর থেকে এই এলাকায় একের পর এক মামলার ঘটনা ঘটছে যার সিংহভাগই মিথ্যা ও বানোয়াট ঘটনা সাজিয়ে করা হয়। পরবর্তী মামলার খরচবাবদ টাকা মোটা অংকের টাকা না পেলে মামলা প্রত্যাহার করেন না হাসান। তাই অনিচ্ছা সত্ত্বেও মামলার ব্যয় বাবাদ টাকা ধার্য করা হয় বিবাদীদের উপর। টাকা হাতে পাওয়ার পর মামলা তুলে নিয়ে থাকেন হাসান। হাসানের শালিস করতে করতে এখন বিরক্ত হয়ে পড়েছেন ভবানীপুরের মাতাব্বর শ্রেনীর গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। তারাও এখন অসহায় কারণ সঠিক বিচার করলেও টাকা না পেলে সে বিচারকাজ অমান্য করে থাকেন।

আর তাই তাদেরও দাবী প্রসাশনের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে তদন্ত কমিটি গঠন পূর্বক তদন্ত সাপেক্ষে মামলাবাজ ও জুয়ারী হাসানের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি প্রদানের মাধ্যমে এলাকাবাসীকে শান্তিতে বসবাস করার সুযোগ দেওয়া হউক। উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন আগে জুয়া খেলা অবস্হায় ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা সংস্থা (ডিবি) তাকে সহ তার সাঙ্গপাঙ্গদের আটক করে। এই বিষয়ে ভবানীপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জবান, বর্তমান চেয়ারম্যান শাহীনুর মল্লিক জীবন, ড. কামরুজ্জামানসহ স্হানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ হাসানের এমন কর্মকান্ডের নিন্দা জানানোর পাশাপাশি প্রশাসনিক ভাবে তদন্তপূর্বক ব্যবস্হা গ্রহণের সুপারিশ করেন।

%d bloggers like this: