loading...

বান্দরবান পার্বত্য জেলার আমতলীপাড়া মাষ্টার মোঃ আব্দুল হাই প্রাথমিক বিদ্যালয়, “সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি “

0

মোঃ আবুল হাশেম, লামা (বান্দরবান):

লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে আমতলীপাড়া একটি দূর্গম পাহাড়ী এলাকা।গত ২০১৭ সালে এখানে মাস্টার মোঃআবু ইউচুফ ও তার পরিবার বর্গের সহ আরো কয়েকজনের সহযোগিতায় অবহেলিত কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য মাস্টার মোঃআব্দুল হাই এর পরিবার বর্গের দানকৃত ৪০ শতক জায়গার উপর বিদ্যালয়টি গোড়া পত্তন করেন।

যেহেতু দুর্গম ওই পাহাড়ী এলাকার প্রায় ৪থেকে৫ কিলোমিটার এর মধ্যে কোন স্কুল নেই। যে কারনে এই এলাকার কোমলমতি শিশুরা শিক্ষার আলো থেকে থেকে বঞ্চিত ছিল।

মানবতার দায়বদ্ধতা থেকে এলাকার অবহেলিত শিক্ষা বঞ্চিত মানুষের স্বার্থে মাস্টার মোঃআবু ইউচুফ সহ আরো কয়েকজনের ব্যক্তিগত ব্যয়ে বিদ্যালয়ের গৃহ নির্মান করে প্রাক্ প্রাথমিক থেকে ৫ম শ্রেণী পয়ন্ত চালু করেন।

বর্তমানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সহ আরো ৬ জন শিক্ষক এর বেতন মাস্টার মোঃ ইউচুফ ও তার পরিবারবর্গ দিয়ে আসছেন। এবং বিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২০৬ জন। ছাত্র-ছাত্রী অনুপাতে শ্রেণী কক্ষ এবং আসবাবপত্রের একান্ত প্রয়োজন।

আগামীতে সরকারী সহযোগিতা যেমনঃউপবৃত্তি,মিড ডে মিল, ভবন আসবাবপত্র ও শিক্ষা উপকরণ এবং সরকারের সুদৃষ্টি পেলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। কিন্ত আর্থিক দুঃখ-দৈন্যতার বিদ্যালয়ে অগ্রযাত্রা ব্যহত।বহু প্রচেষ্টার পরও বিদ্যালয়টি এখনো সরকারের কৃপাদৃষ্টি লাভে বঞ্চিত। এহেন গুরুত্বপূর্ণ অবেহেলিত পাহাড়ী জনপদে শিক্ষা বিস্তারে বিদ্যালয়টির ভূমিকা অতুলনীয়। অথচ এতো গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার পরও বিদ্যালয়টি আজও পর্যন্ত জাতীয়করনের আওতায় আসেনি।

একারনে বিদ্যালয়ের আর্থিক দুরাবস্থায় স্বাভাবিক কার্যক্রম প্রতিবন্ধকতায় সম্মুখীন। বর্তমানে বিদ্যালয়টি আশু সংস্কার একান্ত প্রযোজন।তাই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাস্টার মোঃআবু ইউচুফ অত্র বিদ্যালয়টি জাতীয়করণে জন্য পার্বত্য বিষক মন্ত্রনালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ও শিক্ষাবান্ধব সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধতন কতৃপক্ষের প্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ দাবি করছেন।

উল্লেখ্য, উক্ত এলাকাটি পার্বত্য অঞ্চলের অবহেলিত এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদ।তাই এলাকার দরিদ্র পরিবারের শিক্ষা ও জ্ঞান বিতরনের বিদ্যালয়টির ভূমিকা অপরিহার্য।

loading...
%d bloggers like this: