loading...

বান্দরবান জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক করোনা সংকটে খোলা চিঠি দিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদককে

0

মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম: বান্দরবান জেলা প্রতিনিধিঃ
চলমান করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় বান্দরবান পৌরসভার মেয়রকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে একটি বার্তা দিয়েছেন সাবেক মেয়র জাবেদ রেজা।

তিনি জানান, আমরা চাই, সম্মিলিত ভাবে সবাই করোনা মোকেবালায় এগিয়ে আসুক। সবার আগে জনগণের নিরাপত্তা, তাই আমরা দলমত নির্বশেষে এই মহামারী মোকাবেলায় কাজ করতে চাই। সেই উদ্দেশ্য থেকেই বর্তমান মেয়রের দৃষ্টি আকর্ষণের উদ্দেশ্যে আমার এই ফেসবুকে বার্তা।

ফেসবুক বার্তায় তিনি যা লিখেছেন:

প্রিয় মেয়র মহোদয়,
বান্দরবান পৌরসভা
আস্ সালামু আলাইকুম,

সৃষ্টির সেরা জীব মানুষ আর সৃষ্টিকর্তাকে সহজে খুশি করার সহজ পথ হল মানবসেবা। আর সম্মান, ক্ষমতা, চেয়ার সব কিছুর মালিক একমাত্র আল্লাহ্। আল্লাহ্কে সম্তুষ্টি করার সুযোগ “COVID-19” আমাদেরকে দেখিয়ে দিচ্ছে।

কিছু বিষয়ে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি-

*পৌর-হটলাইন চালু করা এখন সময়ের দাবী।

*জানতে পারলাম এক বৎসর যাবত পৌরসভার নিজস্ব এ্যাম্বুলেন্সটি নষ্ট। করোনায় ব্যস্ত হয়ে পৌর-এলাকায় আমাদের গর্ভবতী মা-বোনদের, হার্টের রোগী, ছোটখাটো দুর্ঘটনার রোগীর কথা ভুলে গেলে চলবেনা। তাদের জন্য গভীর রাতে পৌর এম্বুলেন্সের বিকল্প নেই। এ্যাম্বুলেন্সটি দ্রুত মেরামত করার ব্যবস্থা নেয়া যায় , আর এই সময়টাতে সাদা পিক-আপ গাড়িটা দিয়ে আপাতত রাতে নাগরিক সেবাটা দেয়া যেতে পারে।

*বান্দরবানে বেসরকারি দুটো হাসপাতাল আছে, তাদের এ্যাম্বুলেন্স সেবা নিশ্চিত করতে হবে। বান্দরবান সদরে মোট ৮টি এ্যাম্বুলেন্স আছে যা পৌর-এলাকার জন্য যথেষ্ট। কিন্ত দুর্ভাগ্য সদর হাসপাতাল ছাড়া আর কোন এম্বুলেন্স সহজে পাওয়া যায়না।

লকডাউন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে পৌর মেয়রের ভূমিকা অপরিসীম, নাগরিক সেবার নিশ্চয়তা দিয়ে নয়টি ওয়ার্ডকে সম্পুর্ন বিচ্ছিন্ন করে ফেলে কাউন্সিলরদের মাধ্যমে প্রতিটি ওয়ার্ডে এরিয়া ভিত্তিক ভ্রাম্যমাণ বাজার বসানো যেতে পারে। অথবা দুয়ারে বাজার/ আমাদের দোকান /হাতের মুঠোয়/ বাজার নামক ইত্যাদি সহ যারা অনলাইন বাজার হিসেবে কাজ করছে তাদের সাথে কথা বলে পৌর-এলাকায় কাজ করার জন্য চুক্তি করা যায় (তবে কোনভাবেই বাজার দরের বেশি নেওয়া যাবেনা)
*আপনার কাউন্সিলররা অনেক দায়িত্ববান এবং এখানে অভিজ্ঞ ও বারবার নির্বাচিত অনেক কাউন্সিলর আছে তাদের সাথে বসে এলাকায় খন্ডকালীন কিছু নির্দলীয় সেচ্ছাসেবী নিয়োগ দিন।

*সদর থানার ওসি সাহেব – পৌর-পরিষদ বসে আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত।

*পৌরসেবা আর হাসপাতালের জরুরি সেবা একই জিনিষ।

*সাংবাদিক ও সদ্য শেষ হওয়া ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে অংশ নেওয়া যুবকদের সহযোগীতায় সঠিক তথ্য ও পরামর্শ পাওয়া যাবে।

*জনপ্রতিনিধি ব্যতীত শুধু প্রশাসন দিয়ে কখনও লকডাউন সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়।

*আপনি অনেক সৌভাগ্যবান মানুষ, মেয়রের পাশাপাশি আপনি সরকারি দলেরও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সুতরাং আপনার কাছে পৌরবাসীর প্রত্যাশা অন্য জনপ্রতিনিধির চেয়ে একটু বেশি।

*এই কর্মযজ্ঞ করতে গেলে অর্থ প্রয়োজন,এও জানি পৌরসভায় রাজস্ব সংকট আছে। তবে দুর্নীতি আর অনিয়ম এক নয়। এই দুর্যোগ মুহুর্তে একটু অনিয়ম হলে আপনার জনগণ মেনে নি

loading...
error: Content is protected !!
%d bloggers like this: