ফাইনালে খেলতে পারবেন নেইমার

0

আরবি লাইপজিগের বিরুদ্ধে ম্যাচ শেষে জার্সি অদল-বদল করেছেন নেইমার। ম্যাচ শেষে তাঁকে জড়িয়ে ধরে নেইমার তাঁর জার্সি খুলে দেন। হেলস্টেনবার্গও নেইমারকে তাঁর জার্সি উপহার দেন। কিন্তু উয়েফার করোনা সুরক্ষা নীতি অনুযায়ী, জার্সি বদল করলে তাকে ১২ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। এ নীতি ভঙ্গের কারণে শঙ্কায় ছিল এক ম্যাচে নিষেধাজ্ঞার। আর তাতে খোয়া যেত প্রথমবারের মতো ক্লাবের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল ম্যাচে অংশ নেয়ার সাধ।

তবে ইউরোপিয়ান ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা নিশ্চিত করেছে, নিয়ম ভাঙলেও নিষিদ্ধ করা হচ্ছে না নেইমারকে। ফলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল খেলতে আর কোনো বাধা রইলো না ব্রাজিলিয়ান সেনসেশনের। নেইমারের হাত ধরে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠেছে পিএসজি। তবে সেমিফাইনালে উয়েফার বেঁধে দেয়া নিয়ম ভেঙে বসেন ব্রাজিলিয়ান তারকা।

করোনা ভাইরাস পরবর্তী ফুটবলে নিয়মনীতির যেসব পরিবর্তন এসেছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, ম্যাচ শেষে জার্সি বদল করা যাবে না। যুগ যুগ ধরে ফুটবলাররা এই কাজ করে আসছেন। প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়দের প্রতি সম্মান জানানোরও বিষয় জড়িয়ে থাকে এতে। তবে ভাইরাস ছড়াতে পারে এই শঙ্কায়, করোনা–পরবর্তী সময়ে জার্সি বদল করার এই প্রথাকে বাদ দেয়ার নির্দেশনা ছিল উয়েফার পক্ষ থেকে। কিন্তু সেটি অমান্য করে বসেন নেইমার।

সেমিফাইনালে লিপজিগের জার্মান ডিফেন্ডার মার্সেল হালস্টেনবার্গের সঙ্গে জার্সি বদল করেন নেইমার। উয়েফার নতুন নিয়মে বলা আছে, ম্যাচের পর জার্সি বদল করলে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়কে এক ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হবে। সঙ্গে আইসোলেশনে থাকতে হবে ১২ দিন। এমন নিয়মের বেড়াজালে পড়ে স্বপ্নের ফাইনালে খেলতে না পারার শঙ্কা জাগে নেইমারের। তবে উয়েফা জানিয়েছে, নেইমারের জন্য এই শাস্তি কার্যকর হবেনা। এমনকি বিষয়টি তদন্তও করবেনা বলে জানিয়েছে ইউরোপিয়ান ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

%d bloggers like this: