প্রিমিয়ার লিগের সেরা খেলোয়াড় হলেন ডি ব্রুইন

0

২০১৯-২০ মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগের বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার জিতলেন ম্যানচেস্টার সিটির বেলজিয়ান মিডফিল্ডার কেভিন ডি ব্রুইন। সিটিজেনরা এবারের প্রিমিয়ার লিগ না জিতলেও মৌসুম জুড়ে দুর্দান্ত পারফর্ম করে বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরষ্কার ঠিকই জিতে নিলেন ডি ব্রুইন। তার সঙ্গে এই পুরস্কার জেতার দৌড়ে আরও ছিলেন লিভারপুলের অধিনায়ক জর্ডান হ্যান্ডারসন, সাদিও মানে, ট্রেন্ট অ্যালেক্সান্ডার-আর্নল্ড, সাউদাম্পটনের ড্যানি ইংস, বার্নলির গোলরক্ষক নিক পোপ এবং এই মৌসুমে লিগে গোল্ডেন বুট জয়ী লেস্টার সিটির স্ট্রাইকার জেমি ভার্ডি।

তবে ডি ব্রুইনের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ম্লান হয়ে যায় বাকি সবাই। প্রিমিয়ার লিগের বিশেষজ্ঞ প্যানেল এবং সাধারণ ফুটবল সমর্থকদের ভোটের ওপর ভিত্তি করে মৌসুমের সেরা ফুটবলার নির্বাচিত হলেন কেভিন ডি ব্রুইন। ২০১৯/২০২০ মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগজুড়ে লিভারপুলের খেলোয়াড়দেরই আধিপত্য, তবে তার ভেতরেও নিজের আলো ছড়িয়েছেন বেলজিয়ান সুপারস্টার কেভিন ডি ব্রুইন। এবারের মৌসুমে তার দল প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা ধরে রাখতে না পারলেও নিজের দুর্দান্ত ফর্মের এদিক ওদিক হতে দেননি ডি ব্রুইন। ২৯ বছর বয়সী এই অ্যাটাকিং মিড ফিল্ডার চলতি মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে সর্বোচ্চ সংখ্যক গোল এবং অ্যাসিস্টের যোগানদাতা। অর্থাৎ গোল এবং অ্যাসিস্ট মিলিয়ে তার সঙ্গে পেরে ওঠেনি কেউই।

নামের পাশে ১৩টি গোল আর ২০টি অ্যাসিস্টই স্বাক্ষ্য দিচ্ছে ডি ব্রুইনের দুর্দান্ত ফর্মের। প্রিমিয়ার লিগে মোট ৩৫টি ম্যাচ খেলেছেন ডি ব্রুইন, যার মধ্যে ৩২ ম্যাচে শুরু একাদশে থেকেই খেলেছেন তিনি আর বাকি তিনটি ম্যাচ খেলছেন বদলি হিসেবে। আক্রমণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে প্রায় সব পরিসংখ্যানই কথা বলছে ডি ব্রুইনের পক্ষে। যেদিকে মোহাম্মদ সালাহ ১৯ গোল এবং ১০ অ্যাসিস্টে মোট ২৯ গোলে অবদান রেখেছেন সেখানে ডি ব্রুইন তার থেকে ৪টি গোলে বেশি অবদান রেখেছেন। তার দল প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা না জিতলেও দুর্দান্ত ফর্মে দলকে ঠিক কক্ষপথেই রেখেছিলেন তিনি। বিচারে এগিয়ে ছিলেন ডি ব্রুইনই। আর শেষ পর্যন্ত তিনিই জিতলেন প্রিমিয়ার লিগের সেরা খেলোয়াড়ের খেতাব।

%d bloggers like this: