ঢাকা ২৮.৯৯°সে ১৬ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
শিরোনাম :
প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যদিয়ে ‘মসিক’এ শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব মহানবমীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন মসিক -মেয়র ইকরামুল হক টিটু নৌকার মাঝি হয়ে হরিনচড়া ইউনিয়নবাসীর সেবা করতে চান রাসেল রানা ডোমারে শেখ রাসেল দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা  দুধের শিশু কোলে নিয়ে ট্রেনের নিচে মায়ের ঝাঁপ মুক্তাগাছায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ঐতিহ্য রক্ষা করে পূজা উদযাপন শিশু তামিমের হাতে বই-খাতা বদলে ঘাড়ে ৬ সদস্যদের পরিবারের দায়িত্ব হালুয়াঘাটে আজ দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত ডোমারে নবাগত উপজেলা সমবায় অফিসার এর সাথে বসুন্ধরা সমিতির সৌজন্য সাক্ষাৎ হালুয়াঘাটে ইউপি চেয়ারম্যান সুমনের অশ্লীল ভিডিও ফাঁস

প্রবাসীদের আয়ে রিজার্ভ ৪৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যেও প্রবাসীদের আয়ের ওপর নির্ভর করে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রির্জাভ। রির্জাভ ৪৬ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। আজ মঙ্গলবার (২৯ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর কাজী ছাইদুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৬ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় চার হাজার ৬০৮ কোটি ডলার। বাংলা‌দে‌শি মুদ্রায় যার প‌রিমাণ তিন লাখ ৯১ হাজার ৬৯৭ কো‌টি টাকা (প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ধরে)। প্রতি মাসে ৪ বিলিয়ন ডলার আমদানি ব্যয় ধরলে মজুত থাকা এ বৈদেশিক মুদ্রা (রিজার্ভ) দিয়ে সাড়ে ১১ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।

আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, একটি দেশের কাছে তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমপরিমাণ বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ থাকতে হয়। চলতি মাসে জুনের শুরু থেকে ২৮ তারিখ পর্যন্ত ১৭৫ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। যা তার আগের বছর (২০২০ সাল) একই মাসের থেকে ১০ কোটি ডলার বেশি। গত ২০২০ সালের জুন মাসে দেশে প্রবাসী আয় আসে ১৬৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, অর্থবছরের শুরু থেকে দেশে এখন পর্যন্ত (২৮ জুন) দুই হাজার ৪৫৮ কোটি ৯০ লাখ ডলার প্রবাসী আয় এসেছে। হিসাব বলছে, আগের বছরের তুলনায় এ বছর রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধির হার ৩৬ দশমিক ৪০ শতাংশ বেশি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তা জানান, আসন্ন ঈদকে (কোরবানির ঈদ) সামনে রেখে প্রবাসীরা বিপুল পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। প্রতি বছরেরই দুই ঈদের আগে অন্য সব মাস থেকে রেমিট্যান্স বেশি পাঠান রেমিট্যান্স যোদ্ধারা। এর আগে চলতি বছরের বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) দিনশেষে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৫ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়। ১ জুন (মঙ্গলবার) দিনশেষে প্রথমবারের মতো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়ায় ৪৫ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলারে। তার আগে ৩ মে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৫ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছিল। ২৪ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ দাঁড়িয়েছিল ৪৪ দশমিক শূন্য দুই বিলিয়ন ডলার।

২০২০ সালের ৩০ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ ছিল ৪৩ বিলিয়ন ডলার, ১৫ ডিসেম্বর ৪২ মিলিয়ন এবং ২৮ অক্টোবর রিজার্ভ ৪১ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছিল। অন্যদিকে রিজার্ভে রফতানি আয়েরও প্রভাব আছে। চলতি বছরের ১১ মাসে (জুলাই-মে) পণ্য রফতানি থেকে ৩৫ দশমিক ১৮ বিলিয়ন ডলার আয় করে দেশ, যা তার আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৩ দশমিক ৬৪ শতাংশ বেশি। অর্থাৎ ২০২০ সালের ১১ মাসে (জুলাই-মে) তিন হাজার ৯৫ কোটি ৯১ লাখ (৩০ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন) ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছিল।




আপনার মতামত লিখুন :

এক ক্লিকে বিভাগের খবর


x