loading...

পিপিই পরে অফিস করেন গৌরীপুর প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা

0

বিশেষ প্রতিবেদক:

সারাদেশের চিকিৎসকরা করোনা ভাইরাসের ভয়াল আক্রমণে যারা নিজেদের জীবন ঝুঁকিতে রেখে কাজ করে যাচ্ছেন। যেখানে চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ডবয়, যাদের কাজের ক্ষেত্রটা জাতীয় কিংবা বৈশ্বিক প্রতিকূলতায়ও বন্ধ করা যায় না। তাদের সুরক্ষার জন্য মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা সুরক্ষা পোশাক পর্যাপ্ত নেই। সেখানে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সোহেল রানা পাপ্পু অফিস করেন পিপিই পরে। ৩১ মার্চ বিকাল ৩.৪৩ মিনিটে তিনি অফিসে বসে কর্মরত অবস্থায় পিপিই পরে ছবি শেয়ার করছে তার ফেসবুক টাইম-লাইনে।

গৌরীপুর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সোহেল রানা পাপ্পুর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ফিল্ড পর্যায়ে যাওয়ার সময় পড়ার অনুমতি আছে, তাই পড়েছিলাম। কিন্তু অফিসে পরিনা সবসময়। কিন্তু তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে দেখা যায় তিনি লিখেছেন অফিসে কর্মব্যস্ত।

এই বিষয়ে গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ রবিউল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পিপিই সাধারণত যারা রুগীর সংস্পর্শে যাবেন বা রুগীকে সেবা করবেন শুধু তাদের জন্য। এখন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার পিপিই পরে অফিস করা কতটুকু যুক্তিসংগত তা বলতে পারছি না। এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

এদিকে পিপিই ব্যাবহারের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী গত (২৯শে মার্চ) রবিবার সকালে ভিডিও কনফারেন্স এ বলেন, পিপিই হচ্ছে যারা স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত তাদের জন্যে, ইদানিং দেখছি যত্রতত্র সবাই এর ব্যাবহার করছে। যাদের দরকার তারাই পাচ্ছে না, প্রথমে চিকিৎসকদের পিপিই প্রয়োজন। অযথা বাড়াবাড়ি করে বাবুর্চি, গেটম্যান, ব্যাংক এ সবাইকে দিয়ে সংকট করবেন না। আমি নিজেও বিব্রত বোধ করেছি এইটা দেখে, আতংকিত হয়ে যাই পাচ্ছেন তাই পড়ছেন। চিকিৎসক ছাড়া অহেতুক যারা যারা পিপিই পড়বেন, তাদের সবাইকে করোনা রোগী দেখতে পাঠাবো।

 

 

loading...
%d bloggers like this: