ধর্ষণচেষ্টার দায় স্বীকার বাসচালক শহীদের

0

নিজস্ব প্রতিবেদক :

সুনামগঞ্জে চলন্ত বাসে তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টায় প্রধান অভিযুক্ত বাসচালক শহীদ মিয়া ঘটনার দায় স্বীকার করেছেন। গ্রেপ্তারের পর সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদে পুরো ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন শহীদ।

রবিবার দুপুরে সিআইডির সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি হাসিব আজিজ।

এর আগে শনিবার সুনামগঞ্জের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে শহীদকে গ্রেপ্তা করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সিআইডির সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ২৬ ডিসেম্বর ফাহাদ অ্যান্ড মায়শা পরিবহনের বাসটি (সিলেট জ ১১-০২২৩) সিলেট থেকে সুনামগঞ্জের দিরাইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা করে। দুপুর ২টার দিকে সুনামগঞ্জ পৌছায়। পরে দিরাইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা করে।

ওইদিন ভিকটিমকে তার দুলাভাই সিলেটের লামাকাজি থেকে সুনামগঞ্জে দিরাইপুর যাওয়ার জন্য ওই বাসে তুলে দেন। পথে সবযাত্রী বাস থেকে নেমে যায়। এরপর বাসটি দিরাইয়ের পাতারিয়ায় পৌছালে চালক শহীদ মিয়া চলন্ত বাসে ভিকটিমকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় ভিকটিম আত্মরক্ষার্থে চিৎকার শুরু করেন। চিৎকার শুনে সুজানগর গ্রামসহ আশেপাশের লোকজন গাড়িটি আটকের চেষ্টা করে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ধর্ষণে ব্যর্থ শহীদ মিয়া ভিকটিমকে চলন্ত বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। রাস্তায় পরে ভিকটিম গুরুতর আহত হন। পরে লোকজন তাকে উদ্ধার করে সিলেটের এমজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির এই কর্মকর্তা বলেন ওই ঘটনায় মামলার পর আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য সাাঁড়াশি অভিযান শুরু হয়। সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধরের নেতৃত্বে একটি চৌকস দল দেশের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালায়।

 

অভিযানের এক পর্যায়ে শহীদের ছোট ভাই মো. কছির ও দুলাভাই সুমন মিয়াকে আটক করা হয়। তাদের দেয়া তথ্যমতে, শহীদের অবস্থান নিশ্চিত করার জন্য ভোগড়া বাইপাস ও উত্তর দিয়াবাড়ি এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময়ে জানাযায়, শহীদ ঢাকার সায়েদাবাদ থেকে বাসে করে সুনামগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। পরে তাকে সুনামগেঞ্জ বাসস্ট্যান্ড থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার জিসানুল হক উপস্থিত ছিলেন।

%d bloggers like this: