দুর্গাপুরে ধর্ষনের পর কিশোরিকে হত্যা দায় স্বীকার করলো দুলাভাই

0

এস.এম রফিক,দুর্গাপুর(নেত্রকোনা)

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে নিখোঁজের একদিন পর আফসানা আক্তার (১৪) নামে এক কিশোরীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঐ কিশোরীকে ধর্ষনের পর হত্যা করে পাহাড়ের গর্তে ফেলে দেয় তার বোন জামাই আবুল কাশেম(২৩)। দুর্গাপুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারার জবান বন্ধিতে আবুল কাশেম এ সকল তথ্য দিয়েছে বলে জানান অফিসার ইনচার্জ(ওসি)মোঃ মিজানুর রহমান।

এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বিকেলে ওসি মিজান প্রতিনিধি কে বলেন, নিহত আফসানা আক্তার দুর্গাপুর সদর ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের দিনমজুর আবু ছালেকের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় লেখাপড়া করতো।১ জুলাই বুধবার সকালে পাহাড়ে কচুর লতি সংগ্রহ করতে গিয়ে সে নিখোঁজ হয়। সম্ভাব্য সবখানে খুঁজেও আফসানাকে না পেয়ে দুর্গাপুর থানা পুলিশকে জানানো হয়। পরদিন স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর আসে ভারতীয় সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া থেকে প্রায় ২০০ গজ দুরবর্তী স্থানে পাহাড়ের গর্তে মুখে কাপড় গুজা অবস্থায় একটি লাশ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে দুর্গাপুর পুলিশ বৃহ:স্পতিবার রাত ৯টার দিকে লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসে শুক্রবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

এ পর থেকে পুলিশের উর্দ্ধতন মহল ও অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মোঃ মিজানুর রহমান এর দিক নির্দেশনায় ওসি তদন্ত মীর মাহবুবুর রহমান ও থানার অন্য অফিসারদের সহায়তায়, বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ৮ জুলাই বুধবার কিশোরীর বোন জামাই আবুল কাশেম কে গ্রেফতার করলে ১৬৪ ধারার জবান বন্ধিতে কাশেম লোমহর্ষক বর্ণনা দেয় যে, ১জুলাই বুধবার দুপুরে আফসানা পাহাড়ে কচুর লতি সংগ্রহ করতে গেলে কাশেম দুর থেকে তা দেখতে পায়। কাছে গিয়ে নানা অজুহাতে শ্যালিকাকে নানা কৌশলে তাকে ধর্ষন করে। বিষয়টি বাড়ীতে জানাবে বল্লে গায়ের ওড়না দিয়ে শ^াসরোধ করে হত্যা করে আফসানাকে। আফসানার হত্যা নিশ্চিত হওয়ার পর লাশ পাহাড়ের গর্তে ফেলে স্থান ত্যাগ করে কাসেম।

এ নিয়ে মেয়েটির বাবা থানায় একটি অভিযোগ করলে পুলিশের উর্দ্ধতন মহলের তত্বাবধানে আবুল কাশেম কে গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন আইন, হত্যা ও লাশ গুমের অপরাধে দুর্গাপুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে প্রেরণ করলে বিজ্ঞ আদালত জেল হাজতে প্রেরনের আদেশ দেন কাসেমকে ।

%d bloggers like this: