গৌরীপুর অসহায় ভুমিহীন ও গৃহহীনদের মাঝে ১০২টি ঘর প্রদান করা হলো

0

স্টাফ রিপোর্টার :

মুজিববর্ষের অঙ্গীকার দেশে থাকবে না ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার” এই মর্মে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা’র বাস্তবায়নে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র উপহার হিসেবে জমিসহ পাকা বাড়ি পাচ্ছেন দেশের ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার গুলো। তারই ধারাবাহিকতায় শনিবার (২৩ জানুয়ারী/২১) সকাল ১১.১০ টায় ময়মনসিংহের গৌরীপুরে স্থানীয় পাবলিক হলে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনাড়ম্বর পরিবেশে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় সুবিধাভোগীদের হাতে ঘরের চাবি, জমির দলিল, মাঠপর্চা, দাখিলা, ডিসিআর উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ এবং জনপ্রতিনিধিগণ তুলে দেন ।
স্বাধীনতার ৫০ বছরে দরিদ্র কবলিত বাংলাদেশকে বিশ্বের কাছে মাথা উচু করে দাঁড় করানোর প্রত্যয় গ্রহণ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন এ দেশের মেহনতি মানুষের মুক্তির জন্য খাদ্য, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসার দায়িত্ব নেওয়ার। বঙ্গবন্ধু কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর রেখে যাওয়া অসমাপ্ত পরিকল্পনা এবং স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ। তারই ধারাবাহিকতায় মুজিব বর্ষ উপলক্ষে
জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী এদেশের গৃহহীন এবং ভূমিহীন মানুষদের মাথা গুজার ঠাঁই করে দেওয়ার অঙ্গীকার করেছিলেন। অঙ্গীকার করেছিলেন, ভূমিহীন থেকে নাম মুছে দেয়ার। আজ সেই স্বপ্নের প্রথম ধাপ বাস্তবায়ন হলো তার ঘোষণার মাধ্যমে।
উপকারভোগী পরিবারের নিকট গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মারুফ রাহাত’র সভাপতিত্বে ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবিদুর রহমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজিম উদ্দিন আহমেদ, অফিসার ইনচার্জ (ওসি)বোরহান উদ্দিন খান, স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার নাজিম উদ্দিন, সহনাটী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান, সহনাটী ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এসএম সারোয়ার কামাল, গৃহ নির্মাণ প্রকল্পের তদারকি কর্মকর্তা উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার কমল রায়, সুবিধাভোগী সহনাটী ইউনিয়নের জাহাঙ্গীর আলম, মইলাকা ইউনিয়নের স্বামী পরিত্যক্তা শিউলি রাণী দাস প্রমুখ। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ, স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা, সাংবাদিক ও সুবিধাভোগীরা।
এ ব্যাপারে গৌরীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান মারুফ রাহাত জানান, স্থানীয় সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিন’র সার্বিক দিকনির্দেশনায় প্রত্যেক সুবিধাভোগীর নামে ২ শতাংশ সরকারি খাস জমি বন্দোবস্ত প্রদানপূর্বক কবুলিয়ত দলিল রেজিস্ট্রেশন, নামজারি সম্পন্নকরণ ও গৃহ প্রদানের সনদ সুবিধাভোগীদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
প্রতিটি ঘর নির্মাণে ১ লক্ষ ৭১ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবিদুর রহমান জানান, এ উপজেলায় ১০২ গৃহের মধ্যে সিধলা ইউনিয়নে ৯টি, মইলাকান্দা ৭টি, গৌরীপুর ১৫টি, ডৌহাখলা ৪টি, রামগোপালপুর ৪টি, ভাংনামারী ৩০টি, বোকাইনগর ০৩টি, অচিন্তপুর ০৮টি, সহনাটী ০৮টি, মাওহা ১৪টি ঘর প্রদান করা হয়েছে।

%d bloggers like this: