গফরগাঁয়ে আওয়ামীলীগ নেতা ফারুককে হত্যার চেষ্টা মামলায় ৩জন জেলহাজতে

0

মো: নাজমুল হুদা মানিক,

ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার ৬নং রাওনা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক মো: ফারুক মিয়াকে হত্যার চেষ্টা মামলায় ৭ জুলাই মঙ্গলবার গফরগাঁও থানা পুলিশ তারেক নামের একজনকে ছয়বাড়ীয়া গ্রামের নিজ বাড়ী থেকে গ্রেফতার করেছে। পরবর্তীতে হাদিছ ও মামুন নামের ২জন ৯ জুলাই আদালতে হাজিরা দিলে বিজ্ঞ আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরন করেন। ২০১৮ সালে ১৫ই আগষ্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী পালন উপলক্ষে এক মতবিনিময় সভা শেষে বাড়ী ফেরার পথে একদল সন্ত্রাসী আওয়ামীলীগ নেতা ফারুক মিয়াকে পিটিয়ে ২পা ভেঙ্গে রাস্তার পাশে জঙ্গলে ফেলে রেখে যায়।

পরবর্তীতে গুরুতর আহত ফারুকের স্ত্রী শিরিনা আক্তার বাদী হয়ে গফরগাঁও থানায় ১২/৯/২০১৮ইং সনে ৪জনকে চিনাক্ত আসামী করে মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ৬। মামলা তদন্ত শেষে ২২/৫/২০১৯ইং সনে চার্জসিট প্রদান করেন। গফরগাঁও উপজেলার ৬নং রাওনা ইউনিয়নের বাসিন্দা আওয়ামীলীগ নেতা ফারুক মিয়া জানায়, আমি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একজন নিবেদিত কর্মী। বিএনপি জামাত জোট সরকারের দু:সময়ের বিগত দিনে আমি ৬নং রাওনা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের সাধারন সম্পাদক ছিলাম। বর্তমানে বাংলাদেশ তাঁতীলীগ ময়মনসিংহ জেলা শাখার সদস্য। আমি জীবনবাঁজি রেখে বিগত দিনে আওয়ামীলীীগের সকল কর্মসুচী পালন করেছি।

২০১৮ সনে ১৫ই আগষ্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকীর অনুষ্ঠান পালন করার উদ্যেশে মতবিনিময় সভা শেষে ১২/৮/১৮ইং রাত আনুমানিক ১০. ৩০ মিনিটের সময় বাড়ী ফেরার পথে সন্ত্রাসী বাহিনী লাউতৈল উচাভিটার কাছে রামদা দিয়ে কুপিয়ে মারাত্বক জখম করে এবং লোহার রড সাবল দিয়ে পিটিয়ে ২টি পা ভেঙ্গে ফেলে। আমি মারা গেছি ভেবে তারা আমাকে জঙ্গলে ফেলে চলে যায়। পরবর্তীতে এলাকার লোকজন খোজ পেয়ে আমাকে উদ্বার করে এবং ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে।

আমি চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় আমার স্ত্রী শিরিন আক্তার বাদী হয়ে গফরগাঁও থানায় মামলা দায়ের করে। আমি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সময়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদন করলে তিনি আমাকে সহায়তা করেন। আমি এই ন্যাক্কার জনক পৈশাচিক নারকীয় হত্যাকান্ডের চেষ্টার ঘটনার সঠিক বিচার চাই। মামলার বাদী আওয়ামীলীগ নেতা ফারুকের স্ত্রী শিরিনা আক্তার জানান, মামলার আসামীরা গ্রেফতার হওয়ার পুর্বমুহুর্ত পর্যন্ত আমাদেরকে মামলা তুলে নিতে নানা প্রকার হুমকি দিয়েছে। আসামীরা জামিনে মুক্তি পেয়ে আমি ও আমার স্বামী আওয়ামীলীগ নেতা ফারুক সহ পরিবারের যেকারো হত্যা সহ বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটানোর পরিকল্পনা করতে পারে। আমি মামলায় দোষীদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দাবী করছি।

%d bloggers like this: