কোন বয়সে শিশুদের চা-কফি পান করতে দেয়া উচিত

0

ফিচার ডেস্ক :

বাবা-মায়ের দেখাদেখি অনেকেই শিশুই চা-কফি পানের বায়না ধরে। বড়দের মতো চা-কফির প্রতি আকর্ষণ এই বয়সের ছেলেমেয়েদের মধ্যে গড়ে ওঠে। চেষ্টা করেও সব সময় তাদের এই সবের থেকে দূরে রাখা যায় না। জেনে নিন কোন বয়সে সন্তানদের হাতে চা-কফির পেয়ালা তুলে দেয়া উচিত।

কফির মধ্যে বেশি পরিমাণ ক্যাফেইন থাকায় এটি বেশি কড়া পানীয়। তাই বাচ্চাদের কফি থেকে দূরে রাখাই ভালো। কিন্তু সত্যিই কি কফি বাচ্চাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর? কফি খেতে আপনার টিনএজার সন্তানকে বারণ করার আগে জেনে রাখুন যে কফি মোটেও তার স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর নয়। কারণ অনেক সময়ই বাচ্চারা সোডা, ফিজি ড্রিংক, আইসড টি বা চকোলেট মিল্কের মাধ্যমে ক্যাফেইন শরীরে ঢোকায়। হ্যাঁ, এই সবের থেকে কফিতে ক্যাফেইনের পরিমাণ বেশি। কিন্তু ক্যাফেইন আপনার সন্তান একেবারে খাচ্ছে না, তা কিন্তু নয়।

অনেকে মনে করেন ছোট বয়সে চা-কফি পান করলে বাচ্চাদের বৃদ্ধি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এই ভাবনাও কিন্তু ভিত্তিহীন। ১২ থেকে ১৮ বছরের মধ্যের ছেলেমেয়েরা দিনে ১-২ কাপ চা-কপি পান করতেই পারে। দিনে অতিরিক্ত চা-কফি খেলে আপনার টিনএজার সন্তানের যেমন ক্ষতি হতে পারে, সেরকম আপনারও হতে পারে। কারণ অতিরিক্ত ক্যাফেইন কারোর শরীরের জন্যই ভালো নয়। আপনার

সন্তানের বয়স যদি ১২ থেকে ১৮-র মধ্যে হয়, তাহলে প্রতিদিন এক কাপ চা-কফি সে খেতেই পারে। তবে অন্য কোনও খাদ্য বা পানীয়ের মাধ্যমে তার শরীরে যেন ক্যাফেইন প্রবেশ না করে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

বিকেলের পরে আর সন্তানকে কফি দেবেন না। রাতের দিকে কফি খেলে হার্ট রেট বেড়ে যেতে পারে। কফি খেলে যদি আপনার সন্তানের মুড স্যুইং হয় বা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে বা সহজে নার্ভাস হয়ে যায় বা আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে, তাহলে কফি কয়েক দিন বন্ধ রেখে দেখুন। একটা কথা মনে রাখবেন, কোনও কিছুই অতিরিক্ত শরীরের পক্ষে ভালো নয়। আপনার কিশোর বয়সের সন্তানের পক্ষেও অতিরিক্ত কফি খাওয়া কিন্তু ক্ষতিকর হতে পারে।