loading...

করোনা আতঙ্কে গজনী অবকাশে কমেছে পর্যটক

0

জাহিদুল হক মনির, ঝিনাইগাতী:

করোনা ভাইরাস আতঙ্কের মধ্যে ভারত সীমান্ত ঘেঁষা গারো পাহাড়খ্যাত শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার ‘গজনী অবকাশ’ পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটকের সংখ্যা কমেছে। ওই পর্যটন কেন্দ্রের ব্যবসায়ীদের দাবি, প্রতি বছর পর্যটন মৌসুম শুরু থেকে এপ্রিলের ১৫ তারিখ পর্যন্ত পর্যটকে মুখরিত থাকে এ পর্যটন কেন্দ্র। কিন্তু গত এক সপ্তাহ ধরে পর্যটক খুব একটা আগমন হচ্ছে না। এতে বড় ধরনের লোকসানের আশঙ্কা করছেন ইজারাদার ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

পর্যটন কেন্দ্রের বাহারি জিনিস বিক্রেতা আমিনুল ইসলাম বলেন, গত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে এখানে পর্যটক আসছে না। আমার মনে হয় করোনা ভাইরাস আতঙ্কে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া এখানে বেশিরভাগ পর্যটক হচ্ছে শিক্ষক-শিক্ষার্থী। কিন্তু করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে সরকার ১৫ দিন দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছেন। তাই পর্যটক নেই বললেই চলে, আমরা ব্যবসায়ীরা অলস সময় পার করছি। ডাব বিক্রেতা হাফিজ উদ্দিন বলেন, কিসের এক ভাইরাস আইছে, একেবারে ব্যবসাটা গায়েব কইরে দিছে। এ ভাইরাসের নাম হুনার পর থ্যাকেই আর আর লোক-জন আসে না এখানে।

পানি বিক্রেতা কমলা, হালিমা, ফুলেছা বেগম জানান, এ পর্যটন কেন্দ্রে তারা তিন-চার মাস এখানে পানি বিক্রি করে আয়ের টাকা দিয়ে সংসার চালান। কিন্তু পর্যটক না থাকায় তাদের রোজগার বন্ধ হয়ে গেছে । পর্যটন কেন্দ্রের ‘গারো মা ভিলেজ’ নামক বিনোদন র্স্পটের ম্যানেজার আতিক বলেন, এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে পর্যটকের আনাগোনা নেই বলেই চলে। তাদের ব্যবসা খুবই খারাপ। পর্যটন কেন্দ্রের প্রবেশদ্বারের ইজারাদার হান্নান বলেন, এ বছর মৌসুমের শুরুতে দর্শনার্থী দেখে মনে হয়েছিল ব্যবসা হবে এবার। কিন্তু কিছু দিন পরেই দর্শনার্থী কমে যায়। বর্তমানে এই করোনা ভাইরাস আতঙ্কে একেবারে দর্শনার্থী নেই। এতে অনেক টাকা লোকসান হবে বলে জানান তিনি।

loading...
%d bloggers like this: