ঢাকা ৩৪°সে ১৩ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

টুইটারে ফিরব না, জনসমর্থন বাড়ছে: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘টুইটার আমাদের অপমান ও নিগৃহীত করেছে। এটা খুবই বিরক্তিকর। আর কখনো টুইটারে ফিরবো না’। নিজের অবস্থানের বিষয় জানিয়ে ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমিই একমাত্র প্রেসিডেন্ট যার অভিশংসনের বিচারের মুখে পড়েও জনপ্রিয়তা বেড়েছে’।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউজম্যাক্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন ট্রাম্প। গত নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে এখনো নিজের অবস্থানেই অটল রয়েছেন তিনি। ট্রাম্প বলেছেন, গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি জিতেছেন এবং তিনি যদি ২০২৪ সালে প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান তাহলে তার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে সমর্থন রয়েছে।

সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ২০২৪ সালের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন কি না সে ব্যাপারে বলেন, ‘এটা বলার এখনো সময় আসেনি’। ট্রাম্প গর্বভরে বলেন, ‘আমি হচ্ছি অভিশংসন হওয়া একমাত্র ব্যক্তি যার প্রতি জনসমর্থন বাড়ছে’।

ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজ দলের নেতাদের সমালোচনা করে বলেন, রিপাবলিকান দলের লোকজন নিতান্তই ভদ্র, তারা শুধু নিজেদের দলের লোকের ওপর আঘাত হানতে পারেন।

ধারাবাহিকভাবে ভুল তথ্য পোস্ট করায় আজীবনের জন্য ট্রাম্পকে নিষিদ্ধ করেছে সামাজিক মাধ্যম টুইটার। এদিন এই সংস্থার ওপরও ক্ষোভ উগরে দেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘টুইটারে আমাদের হয়রানি করা হয়েছিল। তারা সব ধরনের পোস্টে ফ্লাগ লাগিয়েছিল। আপনি যা কিছু দেখছেন তাতে পতাকাঙ্কিত করে যাচ্ছিল। এটি অসম্মানজনক। এটি খুব বিরক্তিকর হয়ে উঠেছে। আমরা টুইটারে ফিরে যেতে চাই না।’

টিকা নিয়ে বাইডেনের দেয়া তথ্যেরও কড়া সমালোচনা করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘তিনি (বাইডেন) বলছিলেন যে তিনি অফিসে আসার সময় কোনো টিকা ছিল না। অথচ তিনি দায়িত্ব গ্রহণের আগেই টিকা নিয়েছেন। আমি নভেম্বরে যখন টিকার ঘোষণা দিয়েছিলাম তখনই লক্ষ লক্ষ ডোজ টিকা ছিল। সুতরাং হয় তিনি সত্য বলছেন না, নয়তো তিনি মানসিক সমস্যার মুখে বা অন্য কিছু।’

ভোটের ফল বা সমগ্র বিষয় নিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি সত্যিই কিছুটা শান্ত থাকতে চেয়েছিলাম। তবে সেটি এতটা নিখুঁতভাবে হয়নি।’

নির্বাচনে কারচুপি নিয়ে এদিন আবারও ক্ষোভ প্রকাশ করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘আমরা নির্বাচনে জয়ী হয়েছি। যা ঘটেছিল তা অসম্মানজনক, সম্পূর্ণ অপমানজনক’।

ট্রাম্প দাবি করে বলেন, ‘২০১৬ সালের নির্বাচনের চেয়ে ২০২০ সালের নির্বাচনে আমি ১২ মিলিয়ন ভোট বেশি পেয়েছিলাম। কিন্তু আমরা ১২ মিলিয়ন চাইনি, মাত্র ৩ মিলিয়ন পেতে চেয়েছিলাম। আমরা হারতে পারি না। সেখানে খারাপ ঘটনা ঘটেছে।’

ট্রাম্প বলেন যে, তারা মজা করে চুরি বন্ধ করার কথা বলছিলেন না। এটি তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর মতো একটি নির্বাচন হয়েছে। সুতরাং এটি ঠিক করতে হবে।




আপনার মতামত লিখুন :