অসহায় জুলেখার ভাগ্যে কি নেই কোন সরকারী সুবিধা 

0

শাহজাহান কবির  : 

ময়মনসিংহের গৌরীপুর  উপজেলার ৬মং নং  বোকাইনগড়  ইউনিয়নের ইয়ারপুর  গ্রামের মৃত আবদুল আজিজের  স্ত্রী মোসাঃ জুলেখা খাতুন (৬৫) বছর বয়সেও অসহায়’র ভাগ্যে জুটেনি সরকারী কোন সুযোগ সুবিধা। স্বামীহারা ওই মহিলা তিন বেলা খাবার যোগান দেওয়ার জন্য পাড়া প্রতিবেশীদের টুকিটাকি কাজ করেও ভিক্ষুাবৃত্তি করে খাবার জোগান তিনি,বয়সের ভারে নজু হয়ে পড়েন তিনি অন্যের বাড়িতে আর কাজ করতে পারছে না, একটি মেয়ে সন্তান ছোট রেখে,৪০) বছর আগে স্বামী মারা যায় পরে  মেয়েকে মানুষের বাড়িতে নিয়ে অন্যের বাড়িতে কাজ ও ভিক্ষা করে মেয়টিকে বড় করেছি পাড়াপ্রতিবেশীদের কাজ থেকে সাহায্য করে মেয়টিকে বিয়ে দিয়েছি। বর্তমানে মেয়ের জামাই বাড়িতে পাচ শতাংশ জায়গা কিনে আশ্রয় নেন  জুলেখা।  মেয়ে ও জামাই নিজের সংসার চালাতে পারেনা অতি কষ্টে দিন যাপন করেন বর্তমানে মেয়ে ও জামাইকে নিয়ে ঢাকায় থাকেন।   কোন ভাবে একবেলা খাবার জুটলে ও অন্য বেলায় জুটে না জুলেখার। প্রতিবেদককে বলেন আমার স্বামী মারা গেছে (৪০) বছর হইছে এই লাগাত কেউ আমার খবর নেয়না  কোন  কিছু পাইছি না, স্থানীয় মেম্বারের এহানে গুরছি খালি কয় কার্ড  অইব কিন্তু  আজ পর্যন্ত কিছুই হইলো না। মানুষে কয় বাংলাদেশের  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নাহি গরীবদের জন্য ঘর দিতাছে এানের টিন দিতাছে কেউ যদি দয়া করে  আমারে একটা ঘর না হয় দুই একটা টিন দিত তাহলে আমি  একটু ঘুমাতে পারতাম বৃষ্টির পানি আর ভাল্লাগেনা আর কত পানি খাব,
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়
ঘরের জন্য একটু জায়গা থাকলেও পলিথিন দিয়ে ঘর বানিয়ে বসবাস করেন তিনি।খোঁজ খবর রাখার মত কেউ নেই তাকে দেখা শুনার মত কেউ নেই। এলাকায় বিভিন্ন মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে কোন ব্যবস্থা করছেনা তার কথা শুনেনি কেউ। একটি ঘরের এই কথা বললেই কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তিনি।  অসহায় জুলেখা খাতুন আরও বলেন গৌরীপুর উপজেলায় আবেদন করেছি সরকারী ঘর পাওয়ার জন্য সরকারের কাছে ও সমাজের সকলের সহযোগীতা কামনা করেন তিনি।

%d bloggers like this: