ঢাকা ২৭.৯৯°সে ১৬ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
শিরোনাম :
প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যদিয়ে ‘মসিক’এ শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব মহানবমীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন মসিক -মেয়র ইকরামুল হক টিটু নৌকার মাঝি হয়ে হরিনচড়া ইউনিয়নবাসীর সেবা করতে চান রাসেল রানা ডোমারে শেখ রাসেল দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা  দুধের শিশু কোলে নিয়ে ট্রেনের নিচে মায়ের ঝাঁপ মুক্তাগাছায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ঐতিহ্য রক্ষা করে পূজা উদযাপন শিশু তামিমের হাতে বই-খাতা বদলে ঘাড়ে ৬ সদস্যদের পরিবারের দায়িত্ব হালুয়াঘাটে আজ দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত ডোমারে নবাগত উপজেলা সমবায় অফিসার এর সাথে বসুন্ধরা সমিতির সৌজন্য সাক্ষাৎ হালুয়াঘাটে ইউপি চেয়ারম্যান সুমনের অশ্লীল ভিডিও ফাঁস

আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় জলঢাকায় পাটের বাম্পার ফলন

দেশের যেসব স্থানে পাট চাষ বেশি হয় তার মধ্যে অন্যতম নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এবং গত কয়েক বছর ধরে ভালো দাম পাওয়ায় এ পাট চাষে ঝুকছে জলঢাকার কৃষকরা। উপজেলা কৃষি বিভাগও এবার জলঢাকায় পাট চাষের বাম্পার ফলনের আশা করছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানাযায়, চলতি মৌমুমে জলঢাকা উপজেলার ১১ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ১০ হাজার হেক্টর জমিতে পাট চাষের লক্ষমাত্রা ধরা হলেও পাট চাষ হয়েছে প্রায় ১০ হাজার ১২০ হেক্টর জমিতে। এখন পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকুলে রয়েছে। আকস্মিক কোনও দুর্যোগ না হলে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা করছে কৃষি বিভাগ।

কৈমারী ইউনিয়নের গাবরোল গ্রামের কৃষক মো. সুবান বলেন, প্রতি একর জমিতে পাট চাষে শ্রমিক ও চাষ বাবদ খরচ হয় প্রায় ১৫ হাজার টাকা। আর বীজ, রাসায়নিক সার ও সেচ বাবদ খরচ হয় আরও ১৮ হাজার টাকা। এতে করে প্রতি একরে খরচ হয় প্রায় ৩০ হাজার টাকা। ভালো ফলন হলে একর প্রতি ৩৫ থেকে ৪০ মন পাট পাওয়া যায়। গড়ে প্রতি মন পাট আড়াই থেকে ৩ হাজার টাকা করে হলে দাম পাওয়া যায় প্রায় ১ লাখ টাকা থেকে ১ লাখ ১০ হাজার টাকার মতো। পাট ঘরে তোলা, বাছাই ও বাজারজাতকরণে আরও প্রায় ২০ হাজার টাকা খরচ বাদ দিলেও লাভ থাকে প্রায় ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকা। তবে এই দামে পাট বিক্রি করতে হলে মৌসুমের শুরুতেই নয়, একটু অপেক্ষা করতে হয়।

জলঢাকা উপজেলার ডাউয়াবারী গ্রামের কৃষক আলম জানিয়েছেন, বিগত কয়েক বছর ধরে ভালো ফলনের পাশাপাশি ভালো দাম পাওয়ায় দিন দিন পাট চাষে তাদের আগ্রহ বাড়ছে। এ বছর পাটের বাম্পার ফলনের আশা করছেন তারা।

বালাগ্রামের কৃষক মো. মফিজুর, জোমাদ্দার জানান, গতবার পাটের ভাল দাম পেয়েছেন কৃষকরা। তাই অধিক লাভের আশায় এবারও তারা পাট চাষের প্রতি ঝুঁকছেন। তাছাড়া এবার আবহাওয়া ভালো রয়েছে। প্রাকৃতিক কোনও দুর্যোগ না হলে এবার পাটের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করা যায়। সেচ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সার ও কীটনাশক দিলেই ভালো ফলন পাওয়া যায়।

ইউনিয়ন ভিত্তিক উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে লোহাগড়ার কৃষকদের কাছে পাট প্রধান অর্থকরী ফসল। তাই দিন দিন তারা এর আবাদে ঝুকছেন। কৃষকরা যেন কোনও ধরনের সমস্যার সম্মুখীন না হয় সেজন্য কৃষি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম চালাচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পাটের ভালো ফলন হয়েছে। এবার আবহাওয়া অনুকুলে রয়েছে। এটি বজায় থাকলে পাটের বাম্পার ফলন হবে।




আপনার মতামত লিখুন :

এক ক্লিকে বিভাগের খবর


x