loading...

নড়াইলে নদ নদী,খাল-বিল জলাশয় গুলো পানি শূন্য হঠাৎ বহু প্রজাতির মাছের জীবন সংকটাপন্ন

0

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

নড়াইলে নদ নদী, খাল-বিল ও জলাশয় গুলো পানি শূন্য হয়ে পড়েছে। ফলে দেশী প্রজাতির মাছের সংকট দেখা দিয়েছে এখানকার হাট বাজারে। যদিও কিছু পরিমান মাছ জেলেদের মাধ্যমে নড়াইলে হাট বাজারে আসে তাও চড়া দামের কারনে নিন্ম আয়ের মানুষেরা কিনতে পারেনা,আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়ের পাঠানো তথ্য, ভিত্তিতে জানা যায় জানা। সুত্রে জানাগেছে, নড়াইলে মাছের চাহিদা এর বিপরীতে বাৎসরিক উৎপাদন গত বছরে দেশী জাতের ছোট মাছের উৎপাদন হ্রাস পেয়ে বর্তমানে বিলুপ্তির পথে।

এ কারনে দাম বেড়েছে চার থেকে পাঁচ গুন। দেমী শিং, মাগুর, কৈ ও পাবদার দাম বেড়েছে ছয় গুন। নড়াইলের নদী-নালা ও খাল বিলে এক সময় প্রচুর মাছ পাওয়া যেত। জলবায়ু পরিবর্তনে ও মানুষের নানাবিধ কর্মকান্ড স¤প্রসারিত হওয়ায় মাছের আবাসস্থল প্রতিনিয়ত ধ্বংস হয়ে মাছের জৈবিক এবং বাস্তুসংস্থানগত সমস্যার সৃষ্টি হয়ে বহু প্রজাতির মাছের জীবন সংকটাপন্ন। নদ, নদী ও খাল-বিল থেকে গত এক দশকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে বিভিন্ন প্রজাতির দেশী মাছ। এতে করে দেশের অর্থনীতিতে মাছের অবদান যেমন কমেছে তেমনি ব্যাপকভাবে সংকুচিত হয়ে গেছে নড়াইলে জেলেদের অর্থনীতি, আয়-রোজগার।

বিশেষজ্ঞদের মতে নড়াইলে এতিহ্যবাহি নদীসহ খাল বিলের মাছ শুন্যতার জন্য বিভিন্ন গবেষনায় যে সকল বড় কারন সনাক্ত করেছেন সেগুলি হ”েছ- নানমুখী দুষন, একদা খরস্রোতা, পালরদি স্রোতের বেগ হ্রাস, পলিপাতে নদীর গভীর হ্রাস এবং অতিরিক্ত মাছ অবাধে মাছ শিকার। বর্তমানে নদী থেকে উজানে তিন ধরনের মাছ আহরন করছেন। অথচ এক সময় নদী থেকে তিনভাগে প্রায় ১২০ প্রজাতির পরিমান মাছ ছিল। আকার-আকৃতি, স্বাদে-গুনে ও জনচাহিদায় সেসব মাছ ছিল খুবই অর্থকরী। এই পালরদী নদীতে এক সময় জেলেরা প্রচুর পরিমান শিকার করতেন টেংরা, পাবদা ও রিঠা প্রজাতির মাছ। মাছ শিকারীর জেলে পল­ীগুলো আগের জায়গাতেই আছে।

তবে তাদের নেই তাদের আগের মত অর্থনৈতিক স”ছলতা । বহু জেলে ¯’ান পরিবর্তন করে সমুদ্রমুখি হয়েছে বলে জানান গবেষকরা। পালরদি নদীর মোহনা থেকে কিছুটা উজান পর্যন্ত নোনাপনিতে সত্তর –আশির দশকে ও বিভিন্ন প্রজাতির মাছের আনাগোনা ছিল। এখন তা আর নেই। নড়াইলে ষাটের দশকের শেষপাদ পর্যন্ত সাদা রঙ্গের এক ধরনের মিলত। যা ইলিশ নামে পরিচিত ছিল। কিš‘ নদীতে মিল বর্জ নিক্ষেপ, পয়ঃপ্রনালীর বর্জ্য মিশ্রন, রান্নঘড়ের কিচেন ওয়াশ ফেলা এবং সে সাথে দুই পাড়ের দুষিত রোধ করা গেলে তিন ভাগের দুই ভাগ দুষন রোধ করা যেত।

loading...
%d bloggers like this: