loading...

গুপ্তমনির চরে অর্ধ শতাধিক শিক্ষার্থীর শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত

0

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল, গাইবান্ধা প্রতিনিধি:

“ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা সব শিশুদের অন্তরে” আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষৎ। “সবার জন্য শিক্ষা চলো স্কুলে যাই ” এই স্লোগানকে সামনে রেখে প্রাথমিক শিক্ষা সবার জন্য বাধ্যতামূলক হলেও গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার ফজলুপুর ইউনিয়নের গুপ্তমনির চরে প্রায় অর্ধ শতাধিক শিশুরা শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় ,উজাল ডাঙ্গায় হাড়ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৬১ জন। বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে বিলীন হবার পর কোচখালীর চরে স্থানান্তর করা হয়। কোচখালীতে হাড়ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা মাত্র ৯ জন এবং পাশাপাশি দুইটি বিদ্যালয় রয়েছে। কিন্তু হার ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি কৃত গুপ্তমনির চরের শিক্ষার্থীর সংখ্যা অর্ধশতাধিক।এতে করে গুপ্তমনির চরের বিদ্যালয় ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীরা বর্তমানে শিক্ষার আলো হতে বঞ্চিত হচ্ছে। এমতাবস্থায় বিদ্যালয়টি গুপ্তমনির চরের স্থানান্তরের প্রয়োজন মনে করছেন শিক্ষার্থী অভিবাবকরা ।

৫ম শ্রেনীর ছাত্র সোহেল জানায়, আমরা ৫ম শ্রেনীতে ১২ জন শিক্ষার্থীর আছি, সামনে পিএসসি পরীক্ষা, কিভাবে পরীক্ষা দেব তা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন্ ।
আারো শিক্ষার্থীরা জানায় জীবনের ঝুকি নিয়ে নদীর ওপাড়ে নৌকাযোগে যাতায়াতের সমস্যার করনে স্কুলে যেতে পারিনা।

অভিভাবকরা জানায় নদী পারাপারের সময় গত বছরেও দুটি বাচ্চা মারা যায়, যার কারণে অভিভাবকরাও ভয়ের মধ্যে থাকেন যে তাদের বাচ্চারাও যদি এভাবে নদীতে পড়ে যায় তাহলে যে কোন মুহূর্তে দুর্ঘটনা ঘটতে পাওে । এ কারণে বিদ্যালয়ে বাচ্চাদেরকে স্কুল পাঠাতে পারছি না। তাই বিদ্যালয়টি গুপ্তমনির চরে স্থানান্তরের জন্য কর্তৃপক্ষের নিকট জোরদাবী জানায়।
এ ব্যাপারে সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার এসএম কামরুজ্জামান জানান, হাড়ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি কে চিঠি দেয়া হয়েছে কিন্তু তারা কিন্তু তারা মানছেন না ।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার কফিল উদ্দিন জানান, এ ব্যাপারে শিক্ষা কমিটি গঠন করা হয়েছে বৃহিস্পতি তদন্তের পর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হোসেন আলী জানান , এ বিষয়টি শুনেছি উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে যথাযথ ব্যবস্তা গ্রহনের জন্য।

loading...
%d bloggers like this: