loading...

অনলাইন সাংবাদিকতায় উজ্বল নক্ষত্র খায়রুল আলম রফিক

0

বিশেষ প্রতিনিধি:


মেধা নিষ্ঠা ও দক্ষতার কারণে খায়রুল আলম রফিককে গোলাম সারওয়ারকে অনেকেই অনলাইন সাংবাদিকতার উজ্বল নক্ষত্র অগ্রজ বলে মানেন।
তিনি একজন বিনয়ী ও ভদ্র মানুষ । অনলাইন সংবাদপত্রে যেকোন সংবাদ দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়াসহ কোনো সমস্যা হলেই তার ভূমিকা অনন্য।
অনলাইন সাংবাদিকতা জগতে বাতিঘর । খায়রুল আলম রফিকের হাতে ধরে অনেকেই এসেছেন অনলাইন সাংবাদিকতায় । তাদের মতে, অনলাইন সাংবাদিকতায় বিশ্বাসী মানুষ বলতে যাকে বোঝায়-তিনি হলেন খায়রুল আলম রফিক ।


তিনি আমাদের আশার আলো, আকাশের মতো উঁচু। তার কর্মে, বিশ্বাসে, আচার-আচরণে, স্বভাবে, চাল-চলনে, জীবন-আচারে তার পথ অনুসরণ করেন তারা । অনলাইন সাংবাদিকতয় তার মধ্যে রয়েছে শিল্পের ছোঁয়া । আদর্শ আর ন্যায়ের প্রতীক ।
অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী আপোষহীন আর ন্যায়ের পক্ষে লড়াকু সৈনিক। অনলাইন সাংবাদিকতার পৃথিবীর বাতি। সাংবাদিকতাই তার পেশা । রয়েছে এ পেশার মানুষদের প্রতি দায়িত্ববোধ । ভুক্তভোগী সকলের দায়িত্ব নিয়ে সমস্যা সমাধান করছেন নিরলসভাবে।


খায়রুল আলম রফিল মনে করেন , অনলাইন সাংবাদিকতা পেশাটি অত্যন্ত আকর্ষণীয়। বিশেষ করে মেয়েরা এই পেশার ছেলেদের প্রতি অন্যরকম একধরনের আকর্ষণ বোধ করেন। অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় ছেলেরা একটু বেশিই আকর্ষণীয় হন মেয়েদের চোখে।
অবশ্য ছেলেরাও সাংবাদিক মেয়েদের প্রতি বিশেষ আকর্ষণবোধ করেন। অবশ্যই এই পেশার গ্ল্যামারের কারণে। সাংবাদিকতা অদ্ভুত উত্তেজনাপূর্ণ একটি পেশা। যখন যেখানে খুশি , যেভাবে প্রয়োজন , সেভাবে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার অদ্ভুত একধরনের গুণ থাকে সাংবাদিকদের।


অনেকে বলতে পারেন , কথা সাজানোতে পারদর্শী বলেই বিপরীত লিঙ্গের মানুষদের কাছে তারা আকর্ষণীয় বেশি। তবে যে যাই বলুন না কেন , আসলেই এই পেশার মানুষগুলো আকর্ষণীয়। কিন্তু এই আকর্ষণ দিয়ে তো আর জীবন চলে না।


জীবনে পাশাপাশি চলতে গেলে আরও অনেক কিছুর প্রয়োজন হয়। এই পেশার মানুষজন যতটা আকর্ষণীয় , সঙ্গী হিসেবে ঠিক ততটাই খারাপ। দেখে নেওয়া যাক সেই দশটি কারণ , যার ফলে একজন সাংবাদিকের সঙ্গে ঘর করা মোটেও সুখের হয় না! সময়ের অভাব সাংবাদিকদের পেশাটাই এমন যে , কোনও কিছুর নির্দিষ্ট কোনও সময় নেই। খবরের খোঁজে তাদের হুটহাট এদিক-সেদিক চলে যেতে হয়।
খবর কভারেজের জন্য ছুটতে হতে পারে দূর-দূরান্ত। আর এই কারণে নিজের মনের মানুষকে একটু কমই সময় দিতে পারেন তারা। হঠাত্ দেখা গেল , ডেটিং করতে গিয়ে একটি ফোন পেলেন আর সঙ্গে সঙ্গে ছুট দিতে হল।


যদি মনের মানুষটি এই জিনিস মেনে নিতে পারেন , তবেই জীবন সুখের হবে , নতুবা নয়। খুঁতখুঁতে স্বভাব। একজন সাংবাদিকের পক্ষে আপনি সত্য বলছেন , না মিথ্যা বলছেন তা ধরে ফেলাটা সহজ একটি কাজ। কারণ , তাদের পেশাই এমন। নিজের পেশায় মনোনিবেশ করতে করতে বাস্তব জীবনেও তিনি এই কাজটি করেন।


আপনি কী করছেন , কী পড়ছেন , কোথায় যাচ্ছেন–সবই খুঁটিয়ে লক্ষ্য করবেন তিনি। এখনকার যুগে এতটা খুঁতখুঁতে হওয়া অনেকেই পছন্দ করেন না। সুতরাং দ্বন্দ্ব তো হবেই। কথা ধরার বিরক্তিকর অভ্যাস । পেশাগত কারণেই সাংবাদিকদের স্মৃতিশক্তি বেশ প্রখর হয়।
আপনি যা বলবেন বা যা করবেন , তার সবটা না হলেও খানিকটা তিনি মনে রাখবেন। এবং সবচেয়ে বড় সমস্যা হল , সঠিক সময়ে আপনার কথা দিয়ে আপনাকেই খোঁচা দিয়ে কথা বলবেন তিনি। কারণ , তাদের কাজটাই এমন।


আর এ কারণে ঝগড়াটা একটু বেশিই বাধে। তাই সাংবাদিকদের সঙ্গে সম্পর্ক সুখের হয় না।। ব্যাকরণগত ভুল ধরবে । সাংবাদিকদের কাজই এমন যে , সব সময় কথার পিঠে কথা বলতে হয়। কথার ভুল খুঁজতে খুঁজতে তারা এমনই হয়ে যান যে , তার প্রিয় মানুষটির কথাতেও ভুল খুঁজতে থাকেন। সেই সব কথা সব সময় কার শুনতে ভাল লাগবে বলুন ? জ্ঞান দেওয়াটা স্বভাব ।
সাংবাদিকদের কথা সাধারণ মানুষদের তুলনায় অনেক বেশি ব্যাকরণগত শুদ্ধ হয়। লিখতে লিখতে বা বলতে বলতে বাংলা ও ইংরেজি অভিধান তাদের ঘুমের মধ্যেও যেন তাড়া করে। সুতরাং যখনই তাদের সামনে একটু গোলমেলে শব্দ বা ব্যাকরণ বলবেন , তখনই তিনি আপনাকে জ্ঞান দিতে শুরু করবেন শিক্ষকের মতো।


নিজের প্রেমিককে-প্রেমিকাকে শিক্ষক হিসেবে পছন্দ করবেন না অনেকেই। সুতরাং সংঘাত অবশ্যম্ভাবী। অতিরিক্ত সন্দেহপ্রবণতা । খবরের মূল বিষয়বস্তু খুঁজতে খুঁজতে সাংবাদিকদের মনের মধ্যে সন্দেহপ্রবণতা বেশিই ঢোকে বোধহয়। আপনি একটি সাধারণ কথা বললেও তিনি কথাটিতে অন্য গন্ধ পেয়ে সন্দেহ করা শুরু করতে পারেন এবং সন্দেহ কোনও সম্পর্কের জন্যই সুখের হয় না। সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্তি । ফেসবুক , ট্যুইটার , ইনস্টাগ্রামের মতো সোশ্যাল সাইটগুলির প্রতি অনেকেরই কম-বেশি আসক্তি রয়েছে।


কিন্তু সাংবাদিকদের আসক্তি একটু বেশিই হয়ে থাকে। তত্ক্ষণাত্ কোনও খবর পেলেই ব্রেকিং ধরানোর তাড়ায় তারা অনেকটা সময়ই সোশ্যাল সাইটে কাটান।
প্রেমিক-প্রেমিকার জন্য সময় কোথায় ? এই কারণেই সুখের হয় না সম্পর্ক। সাংবাদিকের নিজের জন্য সময়ের প্রয়োজন । পেশাগত কারণেই হোক এবং নিজেকে আরও উন্নত করার জন্যই হোক– সাংবাদিকদের নিজেদের জন্য একটু সময়ের প্রয়োজন হয়।


সারাক্ষণ কাজের মধ্যে থেকে তারা নিজেরাও বেশ বিরক্ত থাকেন। নিজেদের মন-মেজাজ ঠিক করার জন্য নিজেদের জন্যও তাদের খানিক সময় বের করতে হয়। এসবের মধ্যে প্রেমিক- প্রেমিকার দিকে ঠিকমতো নজর নাও যেতে পারে।
ফলে সম্পর্ক মধুরও হয় না। অর্থনৈতিক অবস্থা । একজন সাংবাদিক যত বেশিই খাটাখাটি করুন না কেন , সত্য ও ন্যায়ের পথে চলা সংবাদিকের পক্ষে বিপুল অঙ্কের টাকা প্রতিমাসে আয় করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। সবচেয়ে বড় কথা হল , অনেক বেশি বাস্তববাদী হওয়ার কারণে তারা প্রেমিক- প্রেমিকার পেছনে একটু কমই ব্যয় করতে চান।


এখানেই প্রেমিক-প্রেমিকা বা শ্বশুর-শাশুড়ির চোখে তারা খলনায়ক হয়ে উঠতে পারেন। তারা মোটেও সংসারী নন । হ্যাঁ , সাংবাদিকেরা অনেক কিছু অনেক ভালো বোঝেন। কিন্তু তারপরেও সংসারের ক্ষেত্রে তারা মোটেও বাস্তববাদী নন।
দৈনন্দিন চাল-ডাল-নুন-আলুর হিসেব তাদেরকে দিয়ে হয় না। এমনকী নিজের স্বামী-স্ত্রী- সন্তানদের দিকেও মনোযোগ দিতে পারেন না তারা। ফলে অনেক সময় তাদের পক্ষে সংসার টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয় না।


অনলাইন সাংবাদিকতায় উজ্বল নক্ষত্র খায়রুল আলম রফিক বলেন, আমাদের চারিদিকের বস্তুনিষ্ট ও নিরপেক্ষ সংবাদ সহজ ভাবে জনসাধারণের সম্মুখে প্রকাশ করাই সাংবাদিকতা। এক্ষেত্রে কিছু বিষয় মনে রেখে পথ চলতে হবে ।
যেমন, সোর্স নিয়োগে সতর্কতা । তিনিই হবেন একজন জনপ্রিয় সাংবাদিক যার রয়েছে সর্বস্তরে সোর্স। তবে সোর্স নিয়োগের ক্ষেত্রে অবলম্বন করতে হবে বিশেষ সতর্কতা। সোর্স নিয়োগের পূর্বে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তার জ্ঞান কতটুকু এবং তিনি এ সংবাদের ব্যাপারে কতটা নিরপেক্ষ তা যাচাই করে নিতে হবে। না হলে ভুল তথ্যের জন্য আপনার কষ্ট করে লেখা সংবাদটি গ্রহণযোগ্য হারাতে পারে।


আপনার সম্পর্কেও মানুষের জন্মাতে পারে ভ্রান্ত ধারণা। সংবাদ লেখার সহজ উপায় : আধুনিক ইলেকট্রনিক্স যুগে সংবাদপত্রের পুরাতন ধ্যান ধারণা অনেকটা পাল্টিয়েছে।
সংবাদ লেখার অনেক নিয়ম কানুনেরও ব্যাপক পপরিবর্তন সাধিত হয়েছে। তবে সংবাদ লেখার প্রথমেই ঠিক করে নিতে হবে ‘সংবাদ শিরোনাম’ সংক্ষিপ্তাকারে চমকপদ্র আর লিখতে হবে শিরোনাম, যাতে পাঠকের সংবাদ পড়ার আগ্রহ সৃষ্টি হয়।


এরপরে লিখতে হবে”সূচনা সংবাদ”। ইংরেজীতে যাকে ইনট্রো বলে। সূচনা সংবাদ হলো পুরো সংবাদের সংক্ষিপ্ত সার। সূচনা সংবাদ পড়েই পাঠক বুঝতে পারবে সংবাদের পুরো বিষয়বস্তু।
সংবাদ লেখার শব্দ ও বাক্য হতে হবে সহজ সরল ও ববোধগম্য। ছোট ছোট বাক্যে সাবলীল ভাষায় লেখা হলে পাঠকরা পড়ে স্বস্তি পাবে।


সংবাদটি অবশ্যই তথ্য নির্ভর হতে পারে। অনুমান কিংবা আবেগের কোন স্থান নেই এখানে। সংবাদের মধ্যে যিনি যত বেশী তথ্য সংযোজন করতে পারবেন তার সংবাদটি পাঠকের কাছে তত বেশি গ্রহণযোগ্য হবে।

বলা যাবেনা আজ কোন সংবাদ নেই :
খুন-খারাপি, ধর্ষণ,ক্রস, বোমা হামলা, আত্মহত্যা, অপহরণ, সংঘাত, সংঘর্ষ দূর্ঘটনা, চুরি-ডাকাতি, ছিনতাই, গ্রেফতার, অগ্নিকান্ড না ঘটলে সেদিন আমরা বলে থাকি আজ কোন সংবাদ নেই।
একজন পেশাদার সংবাদিকের জন্য এই কথাটি বড়ই লজ্জাকর। যিনি পেশাদার সাংবাদিক তিনি ভূলেও বলতে পারবেন না আজ কোন সংবাদ নেই। প্রতিদিন ঘটে যাওয়া ঘটনাই শুধু সংবাদ নয়।


আমাদের চারেপাশে যে কোন সমস্যাই হতে পারে সংবাদ। পৌরসভার ড্রেন পরিস্কার না করার কারণে মশার উপদ্রব বেড়ে গেছে নাগরিকরা অতিষ্ট”ভাবুন তো এটা কি কম গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ?
ক্রাইম রিপোর্ট লেখার কৌশলঃ ক্রাইম রিপোর্ট সংবাদ পত্রের জন্য একটি গগুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ক্রাইম রিপোর্ট একজন সাংবাদিককে রাতারাতি জনপ্রিয়তার শীর্ষে ননিয়ে যেতে পারে। আবার ভুল তথ্যের কারণে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক বিড়ম্বনার শিকার হতে পারে।


তাই ক্রাইম রিপোর্ট লেখার আগে সাংবাদিককে চরম সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এক্ষেত্রে সর্বপ্রথম যা করতে হবে তা হলো, যার যা যাদের বিরুদ্ধে যে তথ্য আআছে তা গোপনে সংগ্রহ করতে হবে।
সম্ভব হলে সকল ডকুমেন্ট (ছবি, পেপার) নিজ আয়ত্বে আনতে হবে। তথ্য সংগ্রহ করা শেষ হলে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ তার বক্তব্য গ্রহণ করতে হবে (বক্তব্য ক্যাসেট বন্দী বা স্মার্টফোনে রেকর্ডিং করতে পারলে ভালো হয়)।


সাংবাদিকের নিজের কোন কথা সংবাদের মধ্যে সংযোজ না করাই উচিত। ডকুমেন্ট ও সূত্রের কাঁধে ভর করেই সংবাদ লিখতে হবে। অভিযুক্ত ব্যক্তির ব্যক্তব্য সংবাদের মধ্যে গুরুত্ব সহকারে লিখতে হবে।
প্রতিবেদকের কাছে যদি তাঁর বক্তব্য খন্ডন করার মত উপযুক্ত প্রমাণ থাকে তাহলে ”প্রতিবেদকের ভাষ্য” হিসেবে তা সংবাদের মধ্যে উপস্থাপন করা বাঞ্চনিয়।

সংবাদ লেখা ও প্রকাশের পর সাংবাদিকের করণীয়ঃ
সংবাদ লেখার পর কমপক্ষে একবার ভালভাবে পড়বে হবে। বানান ভুল হলে, তথ্য বাদ পড়লে বা বাক্য অসম্পূর্ণ থাকলে তথা সংশোধন করে পত্রিকায় পাঠাতে হবে। প্রেরিত সংবাদের ফটোকপি অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে।


সংবাদটি প্রকাশ হওয়ার পর মিলিয়ে দেখতে হবে। লেখা সংবাদটি হুবহু ছাপা হয়েছে নাকি এডিট করা হয়েছে। যদি এডিট করা হয়ে থাকে তবে পরবর্তীতে সংবাদ লেখার সময় ক্রটিগুলো সংশোধণ করা সুবিধা হবে। সম্মানী সাংবাদিক হওয়া :
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদই একজন সাংবাদিককে সমাজের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে পারে। এক্ষেত্রে নৈতিকতার বিষয়টি অগ্রহণ্য।


এছাড়া ভালো রিপোর্টার বা সাংবাদিক হতে হলে নিয়মিত পত্রিকা পড়তে হবে। যে সংবাদগুলো তথ্য হিসেবে ভবিষ্যতে কাজে লাগতে পারে তা সংরক্ষণ করতে হবে।
প্রতিদিনের ঘটনা ডাইরীতে লিপিবদ্ধ করতে হবে। সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতার বিষয়ে বই পত্র সংগ্রহ করে তা নিয়মিত অনুশীলন করতে হবে।
যে সংবাদগুলো তথ্য হিসেবে ভবিষ্যতে কাজে লাগতে পারে তা সং রক্ষণ করতে হবে। প্রতিদিনের ঘটনা ডাইরীতে লিপিবদ্ধ করতে হহবে। সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতার বিষয়ে বইপত্র সংগ্রহ করে তা নিয়মিত অনুশীলন করতে হহবে।


সাংবাদিকতার বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিতে হবে। প্রতিষ্ঠিত সাংবাদিকদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করতে হবে এবং তাদের লেখা সংবাদ অনুসরণ করতে হবে। অবশেষে বলা যায় যে, সংবাদই লেখা হোক না কেন তা হতে হবে বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ।
যিনি সাংবাদিকতার মত মহান পেশার নিজেকে নিয়োজিত করতে চান তার অধ্যাবসায়, সততা, সহনশীলতা, নিরপেক্ষতা থাকা অত্যাবশ্যক। তাকে বর্জন করতে হবে লোভ ও লালসা। অনলাইন সাংবাদিকতা বলতে বোঝায় ইন্টারনেট পত্রিকা বা গণমাধ্যমে সাংবাদিকতা।
কিভাবে হবেন অনলাইন সাংবাদিক ! অনলাইন সাংবাদিকতা বলতে বোঝায় ইন্টারনেট পত্রিকা বা গণমাধ্যমে সাংবাদিকতা। অনলাইন সাংবাদিকতার বৈশিষ্ট্য ।


তাৎক্ষণিকতা । যে কোনো ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই রেডিও টিভির মতো এতে প্রকাশ করা যায়। আবার মেইলে খবরের আপডেট পাঠানোরও সুবিধা আছে। গুগল ফিডবার্নারসহ বিভিন্নভাবে এটা করা সম্ভব। স্থায়িত্ব । অনলাইনে প্রকাশিত রিপোর্টের স্থায়িত্ব অনেক বেশি।
প্রকাশিত রিপোর্টগুলো আর্কাইভ করে রাখার ব্যবস্থা থাকায় তা যে কোনো সময় দেখা যায়। অন্য যে কোনো মিডিয়ার (প্রিন্ট, রেডিও ও টিভি) চেয়ে এটা খুঁজে বের করা অনেক সহজ।
উপভোগ্য । অনলাইন সংবাদপত্রে লেখার পাশাপাশি গ্রাফিক্স, অডিও, গান, ভিডিও ফুটেজ ও অ্যানিমেশন সংযুক্ত করা সম্ভব। ফলে এটা উপভোগ্য হয়ে ওঠে।


ইন্টার-অ্যাকটিভ । অনলাইন সাংবাদিকতা একটি ইন্টার-অ্যাকটিভ প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে পাঠকের মতামত জানা ও পাঠককে নিজের মতামত দ্বারা প্রভাবিত করার সুযোগ বিদ্যমান। এখানে একটি লেখার সঙ্গে একই বিষয়ের অন্যান্য লিংক প্রদান করা যায়।
ফলে পাঠক খুব সহজেই একই বিষয়ে অন্যান্য লেখা সম্পর্কে জ্ঞানার্জন করতে পারে। তাছাড়া এতে লেখার সূত্র উল্লেখ করা যায় বিধায় পাঠক রিপোর্টের বা লেখার বস্তনিষ্ঠতা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারে।
পূর্ণাঙ্গ, সমৃদ্ধ ও সর্বশেষ সংবাদ পরিবেশনা অনলাইন সংবাদপত্রে জায়গার কোনো সমস্যা নেই। কিংবা রেডিও টিভির মতো সময়েরও সীমাবদ্ধতা নেই।


ফলে একজন অনলাইন সাংবাদিক তার স্টোরিকে বিভিন্ন তথ্যে সমৃদ্ধ করে প্রকাশ করতে পারেন। আবার প্রিন্ট মিডিয়ায় একবার প্রকাশিত হয়ে গেলে তা আর সংশোধন করার সুযোগ থাকে না। কিন্তু অনলাইনে এ ধরনের সমস্যা নেই।
এ জগতের সাংবাদিকরা ঘটনা ঘটার সঙ্গেই তা আপডেট করে দিতে পারেন। প্রিন্ট মিডিয়ায় সাংবাদিকতার ওপর ইন্টারনেটের প্রভাব ।
প্রিন্ট মিডিয়ার কর্মী, সাংবাদিক ও সম্পাদকদের কাছে ইন্টারনেট বর্তমানে সময় বাঁচানো গবেষণাসম্পদ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।


বিশেষ করে কোনো বিষয়ের ব্যাকগ্রাউন্ড জানার ক্ষেত্রে এটি বিশেষ ভূমিকা রাখছে। ইন্টারনেটে প্রিন্ট ও সম্প্রচার মিডিয়ার বিভিন্ন প্রবন্ধ-নিবন্ধ, কলাম, ধারাবাহিক ফিচার পাওয়া যায়, যা জ্ঞানার্জনে অনেক সহায়ক হচ্ছে।
কিভাবে শুরু করবেন অনলাইন সাংবাদিকতা? প্রথম স্তর । প্রথমেই আপনাকে সাংবাদিকতার প্রাথমিক ধারণা নিতে হবে। কীভাবে সংবাদ লিখতে হয়, সংবাদের উপাদানগুলোই বা কী ইত্যাদি। সেটা আপনি বই পড়ে জানতে পারেন।


তাছাড়া এখন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এ বিষয়ে কোর্সের আয়োজন করছে। সেখানেও অনেক কিছু জানার আছে। আপনাকে অবশ্যই কম্পিউটার চালানো শিখতে হবে। এমএস ওয়ার্ডে বাংলা ও ইংরেজি লিখতে জানতে হবে।
তাছাড়া ফটোশপ ও ইলাস্ট্রেটর সম্পর্কে ধারণা থাকলে ভালো। ইন্টারনেট সম্পর্কে ধারণা অর্জন করতে হবে। এক্ষেত্রে কিছু ওয়েব ব্যাসিক এবং প্রোগ্রামিং ভাষা শেখা থাকলে ভালো। তবে প্রোগ্রামিং ভাষা খুব বেশি দরকার নেই।


যাদের বিভিন্ন ব্লগে লেখার অভ্যাস আছে তারা এক্ষেত্রে সামান্য হলেও এগিয়ে আছেন। লেখার দক্ষতা বাড়ানোর চেষ্টা করতে হবে।
এক্ষেত্রে কার্যকর উপায় হচ্ছে বিভিন্ন বিষয়ে বেশি বেশি লেখা এবং ভালো কোন লেখক বা সম্পাদকের দ্বারা সম্পাদনা করিয়ে নিজের ভুলগুলো চিহ্নিত করা। দ্বিতীয় স্তর । প্রথমে আপনার লেখার (ফিচার, নিউজ, সাক্ষাৎকার ইত্যাদি) বিষয় নির্ধারণ করুন। আপনার বাছাই করা বিষয়ে কিছু নমুনা লেখা লিখে ফেলুন। এক্ষেত্রে নিজের কোন ওয়েবসাইট থাকলে তাতে লেখাগুলো প্রকাশ করুন। নিজের ওয়েবসাইট না থাকলে হতাশার কিছু নেই। বর্তমানে অনেক ফ্রি ওয়েবসাইট (বিভিন্ন ব্লগ, ওয়ার্ডপ্রেস.কম ইত্যাদি) পাওয়া যাবে যেখানে আপনি চাইলেই লিখতে পাবেন।


এবার ফ্রিল্যান্সারদের লেখার দায়িত্বে আছেন এমন দুয়েকজন সম্পাদক-সহ-সম্পাদক খুঁজে বের করুন। তাদেরকে আপনার পরিচয় প্রদান করে আপনি যে লিখতে ইচ্ছুক তা জানিয়ে চিঠি-মেইল করুন। তাদের কাছে অ্যাসাইনমেন্ট চাইতে পারেন।
তবে অবশ্যই তাদের কাছে আপনার লেখার দুয়েকটি নমুনা কপি পাঠাবেন। তাছাড়া বিভিন্ন বিষয়ে লেখার আইডিয়া নিয়ে সংশ্লিষ্ট সম্পাদকের সঙ্গে ফোনে বা মেইলে আলোচনা করতে পারেন।
এসব কাজের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আপনার যোগাযোগ বাড়ান এবং আপনাকে লেখার সুযোগ দিতে অনুরোধ করুন।


একই সময়ে আপনার ব্লগ কিংবা সাইটে নিয়মিত লিখতে থাকুন । উল্লিখিত উপায়ে কাজ করলে অবশ্যই আপনি লেখার সুযোগ পাবেন, একথা বলা যায় নির্দ্বিধায়। তৃতীয় স্তর । এবার বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকায় আপনার সিভি পাঠান।
সাথে সাথে হাউসগুলোতে আপনার যোগাযোগ অব্যাহত রেখে নিয়মিত সাংবাদিক হিসেবে নিয়োগ পেতে চেষ্টা করুন। অনলাইন সাংবাদিকতা : নৈতিকতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা ।
অনলাইন সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে প্রত্যেক সংবাদকর্মীকে অবশ্যই দৃঢ় নৈতিকতাবোধ সম্পন্ন হওয়া উচিত। কারণ অনলাইন বর্তমানে একটি গবেষণা সম্পদ হিসেবে কাজ করছে।


ফলে মিথ্যা ও বিকৃত তথ্য দিয়ে কোনো লেখা দিলে তা ইতিহাস বিকৃতির চরম পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে। এছাড়া একজন পাঠক একই সময়ে অনেকগুলো সংবাদপত্র পড়তে পারে। ফলে সঠিক তথ্য প্রদান না করলে সংশ্লিষ্ট সংবাদপত্র বিশ্বাসযোগ্যতা হারাবে এবং আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
ঐদিও এ এক অদ্ভুত সময়। কালান্তরের সময়ের সরণী বেয়ে হাঁটতে হাঁটতে পৃথিবীর বয়স বাড়ছে। আদিম সভ্যতা থেকে গোটা সমাজ এখন আধুনিক থেকে আরও আধুনিক সভ্যতার দিকে নিজের অভিমুখ রেখে এগিয়ে যাচ্ছে।


যুগের বদলের সঙ্গে সঙ্গেই সমান্তরাল ভাবেই বদলে যাচ্ছে মানুষ। শান্তির পায়রা আকাশে উড়ছে ঠিকই, বাতাস বিষায়িত হয়েছে বারুদ গন্ধে। বাড়ছে বর্বরতাা। প্রতি সেকেন্ড, প্রতি মুহূর্ত, প্রতি ঘণ্টায় রক্তাক্ত হচ্ছে কলম, মৃত্যু হচ্ছে কলমচিদের। পুড়েছে ক্যামেরা, ভেঙেছে নিউজ বুম। প্রাণ যাচ্ছে সাংবাদিকদের। তারও বসে নেই সাংবাদিকগণ ।
গারনেটের মতে, একজন রিপোর্টার যখন খুব সহজে যেকোনো স্থানে অবস্থান করে, যেকোনো অবস্থায়, যেকোনো বিষয়ের খবরাখবর তৎক্ষণাৎ অডিয়েন্সের সাথে শেয়ার করতে পারবেন, সেটাই হবে অনলাইন সাংবাদিকতা।


চিরায়ত পদ্ধতিতে সাংবাদিকতা করতে হলে একজন রিপোর্টারকে অনেক উপকরণ, যেমন- ভারী ক্যামেরা, বুম, সরাসরি সম্প্রচারের সরঞ্জাম এবং এগুলো পরিচালনার জন্য বাড়তি ক্রু বহন করতে হয়। ফলে তিনি চাইলেই যখন ইচ্ছে তখনই সংবাদ দেওয়া শুরু করতে পারেন না। কিন্তু একজন অনলাইন সাংবাদিকের এসবের বালাই নেই।
তিনি ইচ্ছে করলেই একা কাজ করতে পারেন। সরাসরি সম্প্রচার করার জন্য তাকে বিশাল ও জটিল আউটসাইড ব্রডকাস্টিং ভ্যান ব্যবহার করতে হয় না, বরং দ্রুতগতির ইন্টারনেট কানেকশন ব্যবহার করে তিনি শুধুইতার ছোট্ট ল্যাবটবটি দিয়েই দর্শকের উদ্দেশে সরাসরি সম্প্রচার করতে পারেন। রিয়েল-টাইম সাংবাদিকতার জন্য বর্তমান বিশ্বে অনলাইন সাংবাদিকতা একটি অনন্য মাধ্যম হয়ে উঠেছে।
একজন অনলাইন সাংবাদিক সহজে বহনযোগ্য অন্য কোনো ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করতে পারেন মোজো করার জন্য।


যেমন ধরুন, ছবি তোলার জন্য তিনি স্মার্টফোনের বদলে ডিএসএলআর ক্যামেরাও ব্যবহার করতে পারেন, কারণ এই ক্যামেরা অনায়াসে যত্রতত্র ব্যবহার করা যায়। তবে মোবাইল সাংবাদিকতায় মূলত প্রাইমারি ডিভাইস হিসেবে স্মার্টফোন ব্যবহার করা হয়। ছবি তোলা, ছবি এডিটিং, ভিডিও করা, মানুষের ইন্টারভিউ নেয়া এসব কাজের জন্য আধুনিক ল্যাবটপগুলো বেশ পারদর্শী।
বর্তমানে প্রায় সব মিডিয়া হাউজ, নিউজ এজেন্সি অনলাইন নিয়ে কাজ করছে। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় নিউজ এজেন্সিগুলোর অনলাইন সাংবাদিকতা নিয়ে আলাদা ডিপার্টমেন্ট আছে। এসব ডিপার্টমেন্টে অনলাইন জার্নালিজম নিয়ে গবেষণা করা হচ্ছে। প্রতিনিয়ত অনলাইন সাংবাদিকতাকে আরও সহজ করে তোলার জন্য নতুন নতুন অ্যাপলিকেশন্স তৈরি হচ্ছে।


বিশেষত সোশাল মিডিয়ার অডিয়েন্সদেরকে এঙ্গেজ করার জন্য এখন অনলাইন সাংবাদিকতা একটি অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে। অনলাইন সাংবাদিকতার মাধ্যমে সাংবাদিকরা ঘটনা বা সাবজেক্টের খুব কাছে চলে যেতে পারেন।
মনে রাখতে হবে , যেহেতু আমাদের দেশে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক এখনো সব জায়গায় খুব একটা সহজলভ্য নয় তাই আপনাকে অনেকক্ষেত্রে মডেম ডেটা প্যাক ব্যবহার করতে হবে। কখনো কখনো অকুস্থল থেকে সরাসরি সম্প্রচারের প্রয়োজন হতে পারে।


তাই আগেভাগেই ডেটা প্যাক ক্রয় করে রাখা উচিত। অডিও ধারণ । মাইক্রোফোন: আপনার স্মার্টফোনের মাইক্রোফোনের অবস্থান সম্পর্কে ধারণা নিন। অডিও রেকর্ড করার সময় যদি হাতের আড়ালে মাইক্রোফোন ঢাকা পড়ে যায় তাহলে কথা ঠিকমতো শোনা যাবে না।
দূরত্ব: যদি মাইক্রোফোন ছাড়া অডিও রেকর্ড করতে হয় তাহলে বক্তার মুখের চার থেকে ছয় ইঞ্চি দূরে ফোনটি ধরতে হবে। সম্পাদনা ।
ভিডিওর ক্ষেত্রে সহজ ভাষা ব্যবহার করুন। ছোট ছোট শব্দ ও অ্যাক্টিভ ভয়েস ব্যবহার করা উচিত। অনেক সময় ভিডিওর ভাব প্রকাশ করার জন্য ইমোটিকন ব্যবহারের কথা বলা হয়। তবে অপ্রয়োজনে ইমোটিকন না ব্যবহার করাই শ্রেয়।


মোজো ভিডিওগুলো খুব বেশি লম্বা না করাই উত্তম। দেড় থেকে দুমিনিটেই ফুটিয়ে তুলতে হবে পুরো গল্প। এখানেই মোজোর সার্থকতা।
ছবি থেকে অপ্রয়োজনীয় অংশ ক্রপ করে কেটে বাদ দিতে হবে। যদি এক্ষেত্রে ছবির পিক্সেল ডেনসিটি কমে যায় তবে না কাটা উচিত। তখন এডিট করে ছবির মূল সাবজেক্টের ওপর ফোকাস করে ইচ্ছে হলে বাকি অপ্রয়োজনীয় আশপাশ ঝাপসা করে দিতে পারেন।
ছবি বা ভিডিওতে প্রয়োজনবোধে ইফেক্টের ব্যবহার করুন। এডিটিং অ্যাপ, ট্রাইপড, মাইক্রোফোন ইত্যাদি ব্যবহার করে তৈরি একটি কন্টেন্ট দেখে নিতে পারেন।


অনলাইন সাংবাদিকের ল্যাবটপে মোজো কিটে যেসব সরঞ্জাম থাকা উচিত তা হলো স্মার্টফোন, ট্রাইপড, স্মার্টফোন ফটোগ্রাফি গ্রিপ, তারবিহীন ও তারসহ মাইক্রোফোন, উইন্ডশিল্ড মাইক্রোফোন, স্টোরেজ ডিভাইস, যেমন- মাইক্রো সিকিউর ডিজিটাল (এসডি) কার্ড বা পেনড্রাইভ, বাড়তি ব্যাটারি ইত্যাদি।
যেহেতু প্রযুক্তির উত্তরোত্তর উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে, সুতরাং ভবিষ্যতে মানুষের হাতে আরও উন্নত ফিচার সম্বলিত স্মার্টফোন আসবে।


হয়তো অনলাইন সাংবাদিকতার জন্য সম্পূর্ণ আলাদা সহজে বহনযোগ্য ডিভাইস তৈরি করা হবে, যা দিয়ে সবধরনের সাংবাদিকতার কাজ সারা যাবে। অনলাইন সাংবাদিকতার মূলধারার সাংবাদিকতার জায়গা দখল করতে না পারলেও এই ধারার পাশেপাশে সমানতালে এটিও এগিয়ে যাবে।
কারণ ভবিষ্যতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো হবে অডিয়েন্সের কাছে পৌঁছানোর সবচেয়ে বড় প্লাটফর্ম আর এই প্লাটফর্মের জন্য এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি উপযোগী মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে অনলাইন সাংবাদিকতা ।

loading...
%d bloggers like this: