loading...

কুমিল্লায় প্রশংসিত এসপি সৈয়দ নুরুল ইসলাম

0

খায়রুল আলম রফিক:


দেশের ঐতিহ্যবাহী জেলা কুমিল্লা । এ জেলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ, জড়িতদের আটক, আইন-শৃংখলা রক্ষা, অপরাধ দমন, অপরাধীদের গ্রেপ্তার, থানার অফিসারদের মামলা গ্রহণ বিষয়ে সার্বক্ষনিক নজরদারি, সড়ক পথে শৃঙ্খলা রক্ষা, অসহায়, গরীব দু:খী মানুষের সেবায় নিবেদিত প্রাণ হিসাবে কাজ করে কুমিল্লাবাসীর ভূয়শি প্রশংসিত হয়েছেন এবং হচ্ছেন পুলিশ সুপার (এসপি) সৈয়দ নুরুল ইসলাম ।
এক বছর আগে তিনি এ জেলায় এসপি হিসাবে যোগদান করেন । যোগদানের পরদিনই বিশাল এক হেরোইনের চালান উদ্ধার করে পুলিশী কার্যক্রমে গতিশীলতা আনেন ।


এরপর থেকে অব্যাহতভাবে চলছে মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তার অভিযান কার্যক্রম । নিদর্শন হিসাবে গত রবিবারও বিপুল পরিমান ইয়াবা উদ্ধার এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধে জড়িতদেও গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসেন ।


অপরদিকে একই দিন কুমিল্লা – নোয়াখালি সড়কের লালমাইয়ের জামতলায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত একই পরিবারের ৬ জনসহ নিহত ৮জনকে দেখতে ছুটে যান । শুধু কুমিল্লাতেই নয় ইতিপূর্বে ময়মনসিংহসহ কর্মস্থলগুলিতে সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন নুরুল ইসলাম ।
কর্তব্যপরায়নতা, সততা, নিষ্ঠা আন্তরিকতা ও সাহসী কর্মকান্ডের মধ্য দিয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন সাধারণ মানুষের কাছে। মাদক দমনে এবং মানবতার সেবার ভূমিকা তাকে সবার সামনে তুলে ধরেছে একজন আদর্শ পুলিশ অফিসার হিসেবে।


সাহসিকতা, অপরাধ দমনে সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে সৈয়দ নুরুল ইসলাম পেয়েছেন বিপিএম, পিপিএম (বার) পদক । পেয়েছেন সংশ্লিষ্ট রেঞ্জের সেরা পুলিশ সুপারের মর্যাদাও।
মেধাবী ও চৌকষ এই পুলিশ সুপার কর্ম এলাকার জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষনিক সর্তক। কুমিল্লায় যোগদানের পরই তিনি বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ, ব্যতিক্রমধর্মী ও ক্রিয়েটিভ পদক্ষেপ নেন যা কুমিল্লাবাসীর বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষন করে।


যা তার ব্যক্তি স্বাতন্ত্র, চিন্তাধারা ও উদ্দমকে যেমন স্বকীয়তা দেয় তেমনি তা পুলিশের ইমেজকে নতুন মাত্রায় উন্নীত করে।


আপরাধ দমনে পুলিশী তৎপরতাকে তিনি সবসময়ই হার্ড লাইনে রাখেন ও আধুনিক ষ্ট্যাটেজিতে চালনা করেন। যে কারনে ক্লুলেস অপরাধের ঘটনাগুলোর রহস্য উন্মোচনে, অপরাধী সনাক্ত ও গ্রেফতারে এবং অপরাধ দমনে তার কৌশল ও নির্দেশনা কার্যকর হতে দেখা যায়। দ্রুত সাফল্যে অর্জন করে পুলিশ।
পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম যা তার মানবিক মূল্যবোধে নাড়া দেয়। পুলিশী গুরু দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার স্বপক্ষে এই অফিসার মানবিকতার ক্ষেত্রে সব সময়ই উদার। তার হৃদয় স্পর্শকার আবেগ অনুভুতি প্রবন।

কুমিল্লাবাসী তার মানবতাবাদী মন ও মননের পরিচয় পেয়েছে। তিনি মাটি ও মানুষের পুলিশ। শুধু জনবান্ধব পুলিশ নন, মানবিক পুলিশ হিসাবে তিনি এক মুর্তপ্রতিকৃতী। তিনি সমাজে নীরবে উজ্জল দৃষ্টান্ত রেখে চলছেন তার পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি।


জানা গেছে, সৈয়দ নুরুল ইসলাম স্বীয় কর্মস্থলগুলিতে পুলিশের সততায়, বীরত্বপূর্ণ কাজে, দক্ষতায়, কর্তব্যনিষ্ঠায় অবদান অনেক। সত্যিকারের দায়িত্বশীল ও নিষ্ঠাবান পুলিশ আইন মেনে যেমন পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন, তেমনি তাদের অনেকের সততার, নৈতিকতার, মানবিকতার গল্পে মনোমুগ্ধকর।
কুমিল্লার আইন-শৃঙ্খলার ব্যাপক উন্নতির পেছনে নুরুল ইসলামের মত সৎ, নির্ভীক, দক্ষ, সাহসী ও মানবিক পুলিশ কর্মকর্তা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন । অন্যায়ের সঙ্গে আপসহীন মনোভাবের কারণে কুমিল্লার মানুষের কাছে দেবদূতের মতো ।


এই কর্মকর্তা সৎ, মেধাবী, নীতিবান, সুশিক্ষিত, সদালাপী, নির্ভীক, দেশপ্রেমিক এবং কর্তব্যপরায়ণ পুলিশ হিসাবে প্রশংসার দাবীদারও। পেশাগত কাজের পাশাপাশি তার নেশা তিনি সুযোগ পেলেই প্রতিনিয়ত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান, সহযোগিতা করার সুযোগ খোঁজেন।
কর্মস্থলের এলাকাতেই নয় । জন্মভূমিতেও ছুটে যান । সেখানকার বহু দরিদ্র অসহায় মানুষকে কর্মস্থলের হাসপাতালে এনে চিকিৎসার সুযোগ সৃষ্টি এমনকি আর্থিকভাবেও সহযোগীতা করেন ।
গরীব ছাত্র ছাত্রীদের আর্থিক সহযোগীতা করে পড়ালেখার সুযোগ সৃষ্টি , দরিদ্র মুক্তিযোদ্ধাদেও চিকিৎসা সহায়তা দেয়ার কারনে জন্মভূমি শিবগঞ্জে সকলের ভাই হিসাবে সম্বোধিত হন ।


সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আশার আলো সৈয়দ নুরুল ইসলাম । পথশিশু, ছিন্নমূল শিশু, অসহায় মানুষের পাশে ছায়া হয়ে রয়েছেন তিনি । মানুষকে সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন।


কুমিল্লার বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষরা জানান, এসপি সৈয়দ নুরুল ইসলামের নির্দেশনায় পুলিশের নিয়মিত অভিযানে কুমিল্লার সর্বত্র বদলে গেছে। কুমিল্লার মাদক ব্যবসায়ীদের অনেকেই এলাকা ছেড়েছে। কেউ মন দিয়েছেন কৃষি বা অন্য ব্যবসায়। পুলিশের অভিযানেই স্বস্তি ফিরেছে জনমনে।
কুমল্লার বিভিন্ন থানার অফিসার ইনচার্জগণ বলেন, ‘মাদক নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বদ্ধপরিকর। কুমিল্লার পুলিশ সুপার মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। কোনো ছাড় হবে না মাদকের সঙ্গে জড়িতদের।
মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়ায় ইতোমধ্যে স্বীকৃতিও মিলেছে কুমিল্লা পুলিশের। ভারত সীমান্তঘেঁষা কুমিল্লায় একের পর এক অভিযানে ও জেলায় কর্মরত পুলিশ সদস্যদের তৎপরতায় প্রতিনিয়ত মাদকসহ ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করে পুলিশ।

একপর্যায়ে পুলিশি তৎপরতায় অসংখ্য ব্যবসায়ী মাদক ছেড়ে দিয়ে নতুন জীবনযাপনের শপথ নেন। শুধু অভিযানেই সীমাবদ্ধ নেই এ জেলার পুলিশ। মাদক, সন্ত্রাস, বাল্যবিবাহসহ সামাজিক বিভিন্ন অপরাধ নির্মূলে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শিক্ষার্থী ও পাড়া-মহল্লায় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে সভা সেমিনারও করেছেন কুমিল্লা পুলিশ সুপার।


মাদকবিরোধী অভিযান প্রসঙ্গে কথা হয় সৈয়দ নুরুল ইসলামের সঙ্গে। বলেন, মাদকবিরোধী সচেতনতা বাড়াতে আমরা দুইভাবে কাজ করছি। প্রথমত, পুলিশের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সভা-সেমিনার, লিফলেট বিতরণ, মিডিয়া কর্মীদের মাধ্যমে প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে।


পাশাপাশি আইনের আওতায় এনে ব্যবস্থা নেয়া। আইনি ব্যবস্থার মাধ্যমেও সচেতনতা বাড়ানো যায়। একজন অপরাধীর বিরুদ্ধে সঠিক ব্যবস্থা নিলে আর দশজন সচেতন হয়ে যায়। আমরা এটি খুব শক্ত হাতে করছি। মাদকের বিরুদ্ধে কুমিল্লা পুলিশ একাট্টা।

তিনি বলেন, একার পক্ষে কোনোকিছুই করা সম্ভব হয় না। আমি যোগদানের পরেই মাদকের ব্যাপারে বার্তা পৌঁছে দিয়েছি পুলিশের প্রতিটি সদস্যের কাছে। কনস্টেবল থেকে শুরু করে একেবারে ঊর্ধ্বতন অফিসাররাও এ ব্যাপারে একাট্টা এখন। সবার সহযোগিতা পাচ্ছি। কখনো উৎসাহ দিয়ে আবার কখনো কড়া অনুশাসনের মাধ্যমে পুলিশ সদস্যদের মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে বলছি।

বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে এমনভাবে মোটিভেটেড করা হয়েছে, যার মধ্য কুমিল্লা পুলিশের প্রতিজন সদস্য মাদকের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স।
আমি এখন এতটুকু নিশ্চিত করে বলতে পারি যে, কুমিল্লা পুলিশের সবাই চায় মাদক নির্মূল হোকপুলিশ ভেরিফিকেশন নিয়ে ভীতি ও নেতিবাচক ধারণা দূর করার জন্য ।
ঢাকা চট্রগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করার মাধ্যমে স্বপ্রণোদিত ও মানবিক কাজের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সৈয়দ নুরুল ইসলাম ।


কুমিল্লার অভিজ্ঞমহল বলেন, আমরা লসয়দ নুরুল ইসলামের মত এমন পুলিশই তো চাই, যারা পুলিশি সেবা জনগণের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেওয়ার জন্য নিরলসভাবে ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাবেন।
পুলিশ জনগণের সেবায় সরাসরি নিয়োজিত বলেই সমাজে বড় ধরনের কোনো অপরাধ ঘটাতে অপরাধী হাজারবার চিন্তা করে।
উনার সত সকল পুলিশ যদি ভালো না হন, তাহলে ওই এলাকার সাধারণ মানুষের ওপর ভয়ঙ্কর বিপদ নেমে আসে।


অনেকেই জনগণের সেবক হিসেবে পুলিশকে যেমন মানেন, তেমনি অপরাধ সংঘটিত হওয়ার জন্য, অপরাধ টিকে থাকার জন্য, টিকিয়ে রাখার জন্য, গোপনে অপরাধীকে প্রশ্রয় ও সহযোগিতার অপসংস্কৃতিতেও কিছু পুলিশের অবদান আছে বলে বিশ্বাস করেন তারা।
তিনি বলেন, মানবিক মূল্যবোধ ও আত্মমর্যাদায় উদ্ভাসিত হয়ে সৈয়দ নুরুল ইসলাম অপরাধ দমন ও নিয়ন্ত্রণের জন্য সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের শেষ ভরসা ও আশ্রয়স্থল।
সৈয়দ নুরুল ইসলাম বলেন, আমরা জনগণের পুলিশ হতে চাই। কিন্তু পুলিশের একার পক্ষে সব অপরাধ নির্মূল করা সম্ভব না।


তিনি বলেন, অপরাধ সমূলে উৎপাটন করতে পুলিশের পাশাপাশি রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, সাংবাদিক, ইমামসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সচেতনতা ও একান্ত সহযোগিতা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, যারা এখনও এ কাজে জড়িত তারা যত শক্তিশালীই হোক আইনের আওতায় তাদের আসতে হবে। মাদক ব্যবসায়ীরা যদি আইনের কাছে আত্মসমর্পণ না করে, আগামীতে তাদের জন্য ভয়ানক দিন অপেক্ষা করছে।


জানা গেছে, সৈয়দ নুরুল ইসলাম বাংলাদেশের অন্যতম উদ্ধর্তন পুলিশ কর্মকর্তা, অন্যতম সাবেক ছাত্রনেতা, ঢাকাস্থ ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ছাত্র সমিতির’ প্রতিষ্ঠাতা । ১৯৭১ সালের ১ মার্চ চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার শিবগঞ্জ পৌরসভার জালমাছমারি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
তাঁর পিতা সৈয়দ কসিমুদ্দীন মিঞা এবং মাতা সৈয়দা গুলনাহার বেগম। চার ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি পিতা-মাতার চতুর্থ সন্তান।


১৯৮৬ সালে লালমনিরহাট চিলড্রেন পার্ক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান শাখায় প্রথম বিভাগে এস.এস.সি, ১৯৮৮ সালে রাজশাহী কলেজ থেকে প্রথম বিভাগে এইচ.এস.সি এবং ১৯৯১ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সাথে বি.এস.সি ও ১৯৯৩ সালে এম.এস.সি পাশ করেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৯৭ সালে এম.এ.এস ডিগ্রী অর্জন করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি হওয়ার পর থেকেই মূলত তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন।


১৯৯০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এর ‘স্যার.এ.এফ রহমান হলের’ ক্রীড়া সম্পাদক, ১৯৯৪ সালে ‘স্যার.এ.এফ রহমান’ হল শাখার সভাপতি এবং ১৯৯৮ সালে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ তথা বাংলাদেশ ছাত্রলীগের জাতীয় কার্যকরী সংসদের সহ-পাঠাগার সম্পাদক নির্বাচিত হন সেই সময়ের তুখোর ছাত্রনেতা ‘সৈয়দ নুরুল ইসলাম।
ছাত্র রাজনীতির পাশাপাশি সেই সময় তিনি বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সাথেও জড়িত ছিলেন।


ঢাকায় বসবাসরত চাঁপাইনবাবগঞ্জের অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রীদের কল্যাণে ১৯৯৭ সালে ‘ঢাকাস্থ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ছাত্র সমিতি’ নামের একটি সংগঠন গড়ার উদ্যোগ নেন।
‘ঢাকাস্থ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ছাত্র সমিতির প্রতিষ্ঠাতা-আহবায়কের দায়িত্বও পালন করেন। এই সংগঠনের ব্যানারে তিনি সেই সময় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানসহ বিভিন্ন প্রকার সহযোগিতা করেন।


২০তম বি.সি.এস (পুলিশ ক্যাডার) পাশ করে ২০০১ সালে তিনি বাংলাদেশ পুলিশের এ.এস.পি হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে ঢাকা মেট্রোপলিটিন পুলিশের কোতোয়ালী থানার সহকারী কমিশনার, রমনা বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার (এসপি), ঢাকার বিশেষ পুলিশ সুপার (এস.বি, ঢাকা), ময়মনসিংহের এসপিসহ পুলিশ বিভাগের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।


জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা মিশনে বহুদিন কাজ করেছেন তিনি। সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ পুলিশের সর্বচ্চো পুরস্কার-সম্মাননা বি.পি.এম এবং পি.পি.এম পদক অর্জন করেন সৈয়দ নুরুল ইসলাম।
বাংলাদেশ পুলিশের ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ ব্যক্তি হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ এ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচিত জেনারেল সেক্রেটারীর দায়িত্বও পালন করেন তিনি। বর্তমানে ‘পুলিশ সুপার’ পদ মর্যাদায় বাংলাদেশ পুলিশের ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ঢাকা) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি ।

loading...
%d bloggers like this: