loading...

ভুল স্বীকার, তবে অনুশোচনা নেই ধর্মসেনার

0

ক্রীড়া ডেস্ক:

বিশ্বকাপ শেষ। কিন্তু তার রেশ এখনো রয়ে গেছে। বিশেষ করে ফাইনাল ম্যাচ নিয়ে বিতর্ক থামছে না। ফাইনাল ম্যাচের শেষ ওভারে মার্টিন গাপটিলের করা ওভারথ্রোতে ৬ রান দিয়েছিলেন ফিল্ড আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা। থ্রো করার পর বল চলে গিয়েছিল সীমানার বাইরে।

তবে ক্রীড়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘ওই বলে পাঁচ রান দেয়া উচিৎ ছিল। কারণ, গাপটিল যখন থ্রো করেছিলেন তখন দ্বিতীয় রান নেয়ার পথে বেন স্টোক ও আদিল রশীদ মাঝ উইকেট অতিক্রম করেননি। তবুও ৬ রানের সিদ্ধান্ত দেন আম্পায়ার ধর্মসেনা। এই বিষয়টি নিয়ে আইসিসির আম্পায়ার থেকে শুরু করে অনেক ক্রিকেট বিশ্লেষক কুমার ধর্মসেনার সমালোচনা করেছেন।’

অবশেষে এই বিষয়ে নিজে কথা বলেছেন ধর্মসেনা। তিনি বলেছেন, এটি ছিল ‘জাজমেন্টাল এরর’ তথা বিচারিক ভুল। ধর্মসেনা বলেছেন, ‘টিভি রিপ্লেতে বিষয়টি দেখার পর আমার মনে হয়েছে যে, এটি জাজমেন্টাল ভুল ছিল। কিন্তু মাঠে আমাদের সামনে টিভি রিপ্লের বিলাসিতা ছিল না। আমি কখনোই আমার ওই সিদ্ধান্তের জন্য অনুশোচনা করব না। তাছাড়া এই সিদ্ধান্তের জন্য আইসিসি আমার প্রশংসা করেছে।’

ধর্মসেনা বলেছেন, ‘এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য থার্ড আম্পায়ারের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন ছিল না। কারণ, এখানো ডিসমিসাল সংক্রান্ত কিছু ঘটেনি। আইসিসির আইন এটাই বলে। আমি কমিউনিকেশন সিস্টেমের মাধ্যমে লেগ আম্পায়ারের সঙ্গে কথা বলেছি। এটি অন্য আম্পায়াররা এবং ম্যাচ রেফারিও শুনতে পারেন। যেহেতু তারা টিভি রিপ্লে চেক করতে পারেন না, তাই তারা সবাই নিশ্চিত করেছে যে রান সম্পন্ন হয়েছে। তারপরই আমি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

ধর্মসেনা বলেছেন, ‘সবাইকে বুঝতে হবে যে, মাঠে একজন আম্পায়ারকে অনেক কিছু লক্ষ্য করতে হয়। আমাদের মনে হয়েছিল যে, ফিল্ডার যখন থ্রো করেছে তখন দুই ব্যাটসম্যান একে অপরকে অতিক্রম করেছে।’

গত ১৪ জুলাই লর্ডসে অনুষ্ঠিত হয় আইসিসি বিশ্বকাপের ১২তম আসরের ফাইনাল ম্যাচ। এই ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করতে ২৪১ রান করে নিউজিল্যান্ড। পরে ইংল্যান্ডও ৫০ ওভারে ২৪১ রান করে। এরপর সুপার ওভারে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ড করে ১৫। পরে নিউজিল্যান্ডও করে ১৫ রান। সুপার ওভারেও ম্যাচ টাই হওয়ায় ম্যাচে বেশি বাউন্ডারি মারার সুবাদে ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়ন হয়।

loading...
%d bloggers like this: