loading...

গৌরীপুরে উপবৃত্তির বিকাশ একাউন্ট করে ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ

0

ক্রাইম রিপোর্টারঃ

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার রামগোপালপুর ইউনিয়নের ধুরুয়া নাজিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের উপবৃত্তির বিকাশ একাউন্ট চালুকরার নামে প্রায় তিনশত শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৫০ টাকা করে উত্তোলন করে স্থানীয় বিকাশ এজেন্ট মারুফ। যদিও বিকাশ কর্তৃপক্ষ এমন কোন নির্দেশনা দেয়নি। জানা যায়, এশিয়ান ডেভলপমেন্ট ব্যাংকের কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতায়মাউশির বাস্তবায়নাধীন সেকেন্ডারি এডুকেশন সেক্টর ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের আওতায় দেশব্যাপী ২৯১৬ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৩০০,০০০ শিক্ষার্থী উপবৃত্তি পাবে সরাসরি তাদের বিকাশ একাউন্টে। শিক্ষার্থীরা বছরে দুই বার তাদের বিকাশ একাউন্টে উপবৃত্তির টাকা পাবেন। যা সম্পুর্ন বিনামুল্যে (কোন চার্জ ছাড়াই) চালু করা হবে।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে ধুরুয়া নাজিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোহরাব উদ্দিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বিকার করে বলেন, এটা মারুফ করেছে বিকাশের নিয়ম সর্ম্পকে আমি অবগত না। পরে বিষয়টি জানার পরে মারুফকে বললে মারুফ সকল শিক্ষার্থীদের টাকা তাদের একাউন্টে ফিরত দিয়ে দেয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলার অনুমতি চাইলে তিনি কথা বলতে দেননি। তিনি জানান আমি যা বলেছি তাই লিখে দিবেন, ছাত্রদের সাথে কথা বলার প্রয়োজন নেই।
পরে বিকাশ এজেন্ট মারুফের কাছে জানতে চাইলে প্রথমে তিনি বলেন, আমি পারিশ্রমিক হিসেবে প্রতিজনের কাছ থেকে ৫০ টাকা করে নিয়েছি। পরে আবার প্রধান শিক্ষকের সুরে তাল মিলিয়ে বলে আমি বিকাশের ট্রেনিং করিনি তাই বিষয়টা জানা ছিলো না। কিন্তু পরে জানতে পেরে তাদের একাউন্টে টাকা ফিরিয়ে দিয়েছি।

একটি অডিও রেকর্ডে জানা যায় স্থানীয় বিকাশ এজেন্ট মারুফ এবং অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোহরাব উদ্দিন কোমলমতি শিক্ষাথীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয় প্রায় ১২ হাজার টাকা । সেখানে শুনা যায় মারুফ নিজেই বলেন হেডমাস্টার ৫৯৫০ টাকা দিয়েছি।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সাংবাদিকদের জানান টাকা নেওয়ার কোন বিধান নেই, যদি নিয়ে থাকে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দুর্নীতি বার্তার অনুসন্ধানীটিম বেশ কয়েকজন ছাত্র ও অভিভাবকদের সাথে কথা বলে জানতে পারে অদ্যবধি কোন টাকা গ্রাহকদের একাউন্টে টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে বিকাশের টেরিটরি ম্যানেজার রিফাত বিন তারেক বলেন, ট্রেনিং ছাড়া আমরা কাউকে এজেন্ট নিয়োগ দেই না। আর উপবৃত্তির একাউন্ট করতে কোন টাকা নেওয়ার নিয়ম নেই। যদি অভিযোগ প্রমানিত হয় তাহলে তার প্রতি যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে ।

loading...
%d bloggers like this: