loading...

ইরানের কাছ থেকে তেল কেনার আগে বিশ্বকে সাবধান হওয়ার কথা

0

আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে ক্রমশ উত্তেজনা বেড়েই চলেছে। রাজধানী তেহরানের উপর একের পর এক মার্কিন নিষেধাজ্ঞা দু’দেশকে চরম পরিস্থিতি নিয়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় গত কয়েকদিন আগে ইরানের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে সে দেশের মধ্যে ঢুকে পড়ে একটি মার্কিন ড্রোন। যা মুহূর্তে ধ্বংস করে ইরানের সেনাবাহিনী। যা দুই পরমাণু শক্তিধর দেশকে যুদ্ধের দিকে একধাপ এগিয়ে দিয়েছে।

যেভাবে আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে তাতে আশঙ্কার কালো মেঘ ছেয়ে গিয়েছে গোটা বিশ্বের আকাশে। এই অবস্থায় নতুন করে মার্কিন হুমকি। ইরানের কাছ থেকে তেল কেনা নিয়ে বিশ্বকে নয়া হুঁশিয়ারি ড্রোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের।

মার্কিন বিদেশ দফতরের ইরান বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি ব্রায়ান হুক ইরানের কাছ থেকে তেল আমদানি করার ব্যাপারে বিশ্বের দেশগুলোকে সতর্ক করে নয়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। যা নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ব্রায়ান হুক হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, বিশ্বের যে দেশই ইরানের কাছ থেকে তেল কিনবে সে দেশকেই আমেরিকার নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হবে। ফলে তেল কেনার ব্যাপারে সমস্ত দেশকে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ।

ব্রায়ান হুক ইউরোপীয় ইউনিয়নকে সরাসরি হুমকি দিয়ে বলেন, বাণিজ্যের জন্য ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোকে ইরান অথবা আমেরিকা যে কোনও এক দেশকে বেছে নিতে হবে। আমেরিকার এই আধিকারিক সরাসরি ঘোষণা করেন যে, ইরান তেল রফতানি করে বছরে যে পাঁচ হাজার কোটি ডলার বিদেশি মুদ্রা অর্জন করত, তা আমেরিকা একাই বন্ধ করে দেবে। মার্কিন আধিকারিকরা গত কয়েক মাসে বহুবার বলেছেন, তারা ইরানের তেল রফতানি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনবেন। কিন্তু বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ আমেরিকার এই হুঁশিয়ারিকে কানেই তোলেনি।

বরং চীন সহ আরও কয়েকটি দেশ ইরানের কাছে থেকে তেল আমদানি করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। শুধু তাই নয়, আমেরিকা যেভাবে ইরানের উপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা জারি করে যাচ্ছে তাকে অন্যায় এবং বেআইনি বলে ব্যাখ্যা করেছে বহু দেশ। যদিও মার্কিন এহেন হুঁশিয়ারিকে উড়িয়ে ইরানের পালটা দাবি, তেহরান যখন যতটুকু প্রয়োজন মনে করবে তখন ততটুকু তেল রফতানি করবে। যা কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না বলে আমেরিকাকে পালটা হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের রাজধানী তেহরান। ফলে তেল নিয়ে নতুন করে বিরোধের রাস্তায় আমেরিকা এবং ইরান।

loading...
%d bloggers like this: