loading...

সাভারে তিন মাস আটকে রেখে গৃহবধূকেকে ধর্ষণ- থানায় অভিযোগ

0

বিশেষ প্রতিনিধি:

সাভারে গৃহবধূকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে আটকে রেখে ৩ মাসব্যাপী ধর্ষণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধর্ষনকারী নিজেকে পুলিশের পরিচয় দিয়ে গৃহবধূকে ভয়-ভীতি ও হুমকিও দিয়েছে । এদিকে এ ঘটনায় থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ অভিযোগ গ্রহন করলেও পরে অভিযোগটি খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে থানা থেকে জানানো হয়েছে । সাভারের মজিদপুরের আল- আমীন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করেছেন টাংগাইল জেলার ধনবাড়ি উপজেলার বৈলা এলাকার বাসিন্দা গৃহবধূ হাসিনা বেগম ।

ওই গৃহবধূ বলেন,গাজীপরের বাসা থেকে কাজলের সহযোগীতায় লম্পট আল- আমীন তাকে অপহরণ করে সাভারের মজিদপুরে নিয়ে যায় । আল আমিন সেখানে একটি ফ্ল্যাট বাসা ভাড়া নিয়ে ৩মাস তাকে আটকে রেখে উপর্যুপরি ধর্ষণ করে। এসময় আল আমিন নিজেকে মিরপুর থানা পুলিশের এসআই পরিচয় দিয়ে ভয়- ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি দেয় ।
গৃববধূর অভিযোগ, গত ২৩ মে কৌশলে পালিয়ে এসে ঐদিনই সাভার থানায় অভিযোগ করেন আল আমিন ও কাজলের বিরুদ্ধে । দীর্ঘ সময়েও পুলিশ ধর্ষণ ও অপহরণকারী আল আমিন ও তার সহযোগী কাজলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়ায় ১৩ জুন আবারও থানায় যান ।
সেসময় থানার কর্তব্যরত ডিউটি অফিসার তাকে বলে যে, আপনার অভিযোগটি পাওয়া যাচ্ছে না । শুনে নির্যাতিতা গৃহবধূ হতাশ হয়ে পড়েন । ডিউটি অফিসার আবারও নতুন করে অভিযোগ করার পরামর্শ দেন । সেমতে হাসিনা বেগম আবারও লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন আল আমিন ও কাজলের বিরুদ্ধে ।

অভিযোগ রয়েছে, থানা পুলিশ তদন্তের নামে আবারও অভিযোগটি প্রক্রিয়াধীন রেখেছে । গৃহবধূর স্বামী বাসিদ মিয়া জানান, হাসিনা বেগম নিখোঁজ হওয়ার পর বাসন থানায় জিডি করা হয়েছিলো । পুলিশ ঐ জিডিমূলে তদন্ত করেছে কিনা জানা নেই ।
হাসিনা বেগমের দায়ের করা অভিযোগের প্রেক্ষিতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রনি জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে । ঘটনার সত্যতা পাওয়া যাচ্ছে । থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ এস এম সায়েদ জানান, গৃহবধূও দায়েরকৃত আগেও অভিযোগটি পাওয়া যায়নি । ১৩ জুন তারিখে দায়ের করা অভিযোগটি পাওয়া গেছে । তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে ।

loading...
%d bloggers like this: