loading...

গাইবান্ধায় শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

0

আতোয়ার রহমান রানা,গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ

দরজায় কড়া নারছে মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদ-উল-ফিতর। আর তাই ঈদকে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে ফুটপাতসহ গাইবান্ধার বিভিন্ন মার্কেট ও বিপনী বিতানগুলো। শেষ মুহূর্তে মানুষের ঢলও যেন বেড়েই চলেছে। রোদের তীব্রতা উপেক্ষা করে মার্কেট ও বিপণী বিতানগুলোতে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। ঈদের কেনাকাটা করতে কেউবা এসেছেন পরিবারকে নিয়ে আবার কেউবা এসেছেন বাবা-মার সাথে। এবারে ভারতীয় কাপড়ের চাহিদা থাকলেও ক্রেতারা দেশি কাপড়ের দিকে ঝুঁকছেন বলে জানান বিক্রেতারা। এবারে বিপণী বিতানগুলোতে পুরুষদের চেয়ে নারীদের উপস্থিতি বেশি লক্ষ করা যাচ্ছে।

ক্রেতারা বলেছেন, গত বছরের তুলনায় দাম কিছুটা বেশি হলেও শেষ মুহূর্তে জমে উঠতে শুরু করেছে ঈদ বাজার। তবে বিক্রেতারা জানায়, এবার ভারতীয় কাপড়গুলোকে পেছনে ফেলে বাজার দখল করেছে দেশীয় সুতি কাপড়। গরমের কারণে দেশি সুতি থ্রি পিছগুলো সবার পছন্দ ও বিক্রির শীর্ষে রয়েছে। সমানতালে বিক্রি হচ্ছে ইন্ডিয়ান গাউন ও কাজ করা লং ফ্রোক। এছাড়া শিশুদের হরেক রকম পোশাকও বিক্রি হচ্ছে বেশী। তবে শিশুদের পোশাকের দাম অপেক্ষাকৃত একটু বেশী। এছাড়াও জিন্স প্যান্ট, গ্যাবার্ডিন প্যান্টের পাশাপাশি ফুলশার্ট, চেক শার্ট, এক কালার শার্ট রয়েছে ছেলেদের পছন্দের তালিকায়। টপস্, স্কার্ট, ফ্রকও রয়েছে ছোটদের পছন্দের তালিকায়। হরেক রকমের বর্ণালী পাঞ্জাবির চাহিদাই এবার সর্বাধিক। এবারে এক রংয়ের বা সাদা পাঞ্জাাবির দিকে নজরই দিচ্ছে না ক্রেতারা। তবে জুতার দোকানগুলোতে এবার ভীড় চোখে পড়ার মতো।
সালিমার সুপার মার্কেটের একজন বিক্রেতা বলেন, ক্রেতার চাহিদা অনুসারে আমরা দেশি বিদেশি দুই ধরণের পোশাকই বিক্রি করছি। তবে তীব্র গরমের কারণে সন্ধ্যার পর থেকে ক্রেতারা বেশি আসছেন। এবারের ঈদে বেচাকেনা ভালই হবে বলেই বিক্রেতারা আশা করছেন। এছাড়াও এমব্রয়ডারি, ব্লক, হাতের কাজ, স্ক্রিন প্রিন্ট ও কারুকাজ করা বাহারি শাড়িরও চাহিদা রয়েছে বিপনী বিতানগুলোতে।
এদিকে ফুটপাতগুলোতেও সমানতালে চলছে কেনাকাটার ধুম। মধ্য আয়ের মানুষরা ভিড় করছে এসব ফুটপাতগুলোতে। তবে গহনার দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় বেশি লক্ষ করা যাচ্ছে। শেষ মুহূর্তে অনেক রাত পর্যন্ত এবং ভালো বিক্রি হচ্ছে বলে জানান অনেক বিক্রেতারা।

loading...
%d bloggers like this: