loading...

পলাশবাড়ীতে কোনভাবেই রোধ করা যাচ্ছে না কয়েন বিড়ম্বনা

0
ছাদেকুল ইসলাম রুবেল, গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ীতে  কয়েন নিয়ে বিড়ম্বনা কোনভাবেই রোধ করা যাচ্ছে না। বিভিন্ন  হাটবাজারে এ নিয়ে ক্রেতা বিক্রেতাদের মাঝে বাগ-বিতন্ডা লেগেই আছে। অথচ একদিকে যেমন এগুলো বড় ব্যবসায়ীরা নিতে চাইছে না অন্যদিকে ব্যাংকও নানা অজুহাতে এসব কয়েন নেয়া থেকে বিরত থাকছে। যার সামগ্রিক প্রভাব পড়ছে ব্যবসা বাণিজ্যের ক্রেতা-বিক্রেতার উপর।
সরকার খুচরা টাকা হিসেবে নোটের পরিবর্তে ১ টাকা, ২ টাকা ও ৫ টাকার কয়েন চালু করে। অথচ সরকারের কোন প্রজ্ঞাপন ছাড়াই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান,যেন কোম্পানী ও ব্যাংক স্ব-ঘোষিতভাবে তাদের নিজস্ব আইনের মাধ্যমে বিভিন্ন টাকার কয়েন নেয়া বন্ধ করেছে। পলাশবাড়ীতে  বিভিন্ন হাট-বাজারে খুচরা ক্রেতা ও বিক্রেতারা বিভিন্ন মানের টাকার কয়েন নিয়ে চরম অস্বস্তিতে আছে।
সরকারি কোন নিষেধাজ্ঞা না থাকলেও ক্রেতা-বিক্রেতা কেউই কয়েন নিতে চাইছেন না। এ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি হচ্ছে গণপরিবহন ও ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে।
 হাট বাজার সহ ছোট-বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কয়েন দেখলেই ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে শুরু হয়ে যায় বাক-বিতন্ডা। কোন পক্ষই এসব ধাতব মুদ্রা নিতে রাজি নয়।
পলাশবাড়ীতে এক টাকা ও দুই টাকার ক্রয় ক্ষমতা আগের চেয়ে  হ্রাস পাওয়ায় ফেরিওয়ালা, কাচাঁবাজার, মোদির দোকান, মিস্টির দোকান, গণ পরিবহনের ভাড়া, ব্যাংক সব ক্ষেত্রেই কয়েন নিয়ে ভোগান্তি। বাংলাদেশ ব্যাংক কয়েন বাতিল ঘোষণা না করলেও মানুষ এগুলো আর নিতে চায়না।
পলাশবাড়ীতে  প্রায় সব খানেই কয়েন আদান-প্রদান নিয়ে প্রকট সমস্যা চলছে। বিড়ম্বনায় ক্রেতারাও। একটাকা বা দুইটাকার কয়েন এমনকি পাঁচ টাকার কয়েনও নিচ্ছে না ব্যবসায়ীরা।
গতকাল বিকালে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর এস এম হাই স্কুল মার্কেটের ঔষুদ ব্যাবসায়ী দূর্ষয়ের সাথে  এক ক্রেতার কয়েন নিয়ে সামন্য বাক- বিতন্ডা দেখা যায় এসময় গ্রাহক  বলেন ১ টাকা, ২ টাকা এবং ৫ টাকার কয়েন কোন লোককে দিলে এমন আচরণ করে মনে হয় আমি নিজে টাকাটা বানিয়েছি। সরকারি নোট হওয়া সত্বেও মানুষের কাছে মনে হয় এগুলো মুল্যহীন। কোন ক্রমে এটা হাতে আসলে ব্যাবহার/খরচ করা কঠিন। ব্যাংক, এনজিও, কোম্পানি, ক্রেতা-বিক্রেতা, রিক্সাওয়ালা, বাস কন্ট্রাক্টর এমনকি ভিক্ষুক পর্যন্ত কেউ কয়েন টাকা নিতে চায়না।
এদিকে ঝুনু মেডিকেল স্টোরের ম্যানাজার  দূর্ষয় বাবু বলেন মালিক-মহাজন না নেওয়ায় আমরা নিতে পারছি না। যতোই দিন যাচ্ছে ১ টাকা ২ এমনকি ৫  টাকার কয়েন বিড়ম্বনা বাড়ছেই।
loading...