loading...

সুবিধাবাদী রাজনৈতিক নেতাদের ক্ষমতার দাপটে অসহায় সাধারণ মানুষ

0

 আনিস আহমেদ :

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের সুবিধাবাদী নেতাদের ক্ষমতার দাপট বেশি দেখা যায়। যারা একাধিকবার দল পরিবর্তন করে ঐ সমস্ত নেতারা স্হানীয় সাংসদ থেকে শুরু করে প্রশাসনিক সহযোগিতা নিয়ে নিজ এলাকার সাধারণ মানুষকে বিভিন্ন ভাবে শোষণ করে থাকে।যা কেবল মাত্র শোষিতরাই বুঝতে পারে।কেননা শোষিত মানুষের কথাগুলো কেউ শুনতে এবং বুঝতে চায়না বা শোনার এবং বুঝার প্রয়োজন মনে করেনা।আর যদিও কেউ দেখে বা শুনে তারাও মূর্তির মত চুপ থাকে কিন্তু কেন? এক অনুসন্ধানে দেখা যায় ঐ সমস্ত সুবিধাবাদী নেতাদের ক্ষমতার কাছে তারা অসহায় আত্মসমর্পণ করেন।

কেননা তাদের বিরুদ্ধে কোনো কথা বললেই হয়তো রাজনৈতিক মামলা,নয়তো বনের মামলা,অথবা মাদক মামলাসহ বিভিন্ন মামলার আসামি করে নীরিহ মানুষকে ফাঁসিয়ে তাদের রাজনৈতিক এবং ব্যাক্তি স্বার্থ হাসিল করে থাকেন।কারণ ঐ সমস্ত নেতাদের ক্ষমতা চিরস্থায়ী, যখন যেদল ক্ষমতায় আসে তখনি তো তারা দল পরিবর্তন করে সরকারি দলের লোক হয়ে যায়। আবার এমনও দেখা যায় বড় আওয়ামী লীগ নেতা আর ছোট ভাই বিএনপি নেতা, এই সুবাদে তাদের কখনো রাজনৈতিক মামলার আসামি হতে হয়না।এটাও সুবিধাজনক একটা বিষয় এবং সকল রাজনীতিবীদদের এই কৌশল অবলম্বন করা উচিত! এক ভাই যদি আওয়ামী লীগ নেতা হন আরেক জন বিএনপির নেতা হবেন তাহলে রাজনৈতিক জীবন নিয়ে আর দুশ্চিন্তা করতে হবেনা।এইতো গেলো নেতাদের কথা কিন্তু সাধারণ মানুষ কি পাবে এমন নেতাদের কাছ থেকে?

এখন স্বাধীনতার স্বপক্ষের সরকারের নীতিনির্ধারক দের দিকে তাকিয়ে থাকা ছাড়া আর কি আছে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ গুলোর। বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর নীতি নির্ধারকগন যদি এসমস্ত সুবিধাবাদী নেতাদের উপর নজরদারী কিংবা সুবিধাবাদী নেতাদের দলে ডুকার পথ রুদ্ধ নাকরেন তাহলে সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার নির্যাতন বন্ধ হবেনা কখনো।আর তাই সাধারণ মানুষের চাওয়া সুবিধাবাদী নেতা, তারা যতই প্রভাবশালর হউক না কেন যদি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এ নতুনভাবে যোগদেন তাহলে যেন তাদের লাগাম টেনে ধরে রাখা হয় হাইকমান্ড থেকে। আর তাতে নিরাপদ থাকবে বাংলাদেশের আপামর সাধারণ মানুষগুলো।এরকম সুবিধাবাদী নেতাদের সাধারণ মানুষের উপর অন্যায় অত্যাচার,জবরদখল ও নির্যাতন নিয়ে ধারাবাহিক ভাবে আমাদের প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।

loading...