loading...

ভালুকায় দুই ভাইয়ের  দ্বন্দ্বে ‘মোল্লাবাড়ী মসজিদের’ সংস্কার কাজ বন্ধ

0

স্টাফ রিপোর্টারঃ

ময়মনসিংহ জেলার  ভালুকা উপজেলার ৯ নং কাচিনা ইউনিয়নের তামাট মোল্লাবাড়ী জামে মসজিদ।  এ মসজিদটি প্রতিষ্ঠিত হয় আজ থেকে প্রায় ৭০বছর পূর্বে।মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন হাজী ফজর আলী মোল্লা এবং তার ভাই নজর আলী মোল্লা।মসজিদ টি নির্মানের জন্য ৫৪ শতাংশ জমি ওয়াকফ দলিল করে দেন ফজর আলী মোল্লা ও নজর আলী মোল্লা, আর মসজিদের উন্নয়ন কাজের জন্য আরও প্রায় ১৭ একর জমি ওয়াকফ দলিল করে দিয়ে যান তারা।মসজিদের মোতোয়ালি হিসেবে ফজর আলী মোল্লা তার তৃতীয় সন্তান আব্দুল মালেক মোল্লাকে নিযুক্ত করে যান।তিনি দীর্ঘ ৪৫ বছর যাবৎ মসজিদের উন্নয়নের পাশাপাশি নিজেই ঈমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। প্রতি বছর ওয়াকফ ইন্সপেক্টর এর মাধ্যমে ওয়াকফ প্রশাসক বরাবর মসজিদ এর নামে ওয়াকফকৃত জমিতে উৎপাদিত ফসলের আয় এবং মসজিদের জন্য ব্যায়ের সমস্ত হিসাব প্রদান করে আসছেন বলে জানান আব্দুল মালেক মোল্লা।তিনি অভিযোগ করে বলেন আমার বাবা আমাকে এই মসজিদের মোতোয়ালি করে দিয়ে গেছেন কিন্তু আমার কাছ থেকে  মোতোয়ালি নেওয়ার জন্য আমার ভাই বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করছেন,যেমন আমি দীর্ঘদিন এই মসজিদের মোতোয়ালির দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ঈমামতি করে আসছি।আমি একটি ঈদ জামায়াতে ঈমামতিও করি।ঐ ঈদ জামায়াতে প্রায় ৫০০০হাজার লোকের সমাগম ঘটে,সেখানে ঈমামতি করতে পারলেও আমার বাবা ও চাচার হাতে তৈরি মসজিদের ইমামতি করতে পারছিনা। কারণ নামাজ পড়ার জন্য মসজিদে গেলে তাহারা (আমার ভাই ও বোন এবং তাদের সন্তান )মিলে আমার ও আমার পরিবারের উপর হামলা করে। বিগত দিনে এই মসজিদ নিয়ে মারামারিও হয়েছে। আর একজন নামে মাত্র কারী দিয়ে মসজিদের নামাজ আদায় করে।আমি তাদের বারবার বলেছি যে একজন ভাল ঈমাম নেওয়ার জন্য কিন্তু তাহার নিবেননা,তাহারা যেভাবে ঈমাম রাখতে চায় সেভাবে কোন ঈমাম থাকেনা।তাহারা কোন ঈমামকে সরকারী ভাবে নিয়োগ দিতে দিচ্ছে না।আমি এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে সাক্ষাৎ করে তাকে এ বিষয়ে অবহিত করেছি।আর ওয়াকফ প্রশাসক একটি চিঠির মাধ্যমে মসজিদের উন্নয়নের সার্থে ব্যবস্হা গ্রহন করতে নির্দেশ প্রদান করেন।কিন্তু আমার দায়িত্ব পালনে বাঁধা প্রদান করে আসছেন আমার ভাই।কথা গুলোর সত্যতা জানার জন্য আব্দুল মালেক মোল্লার ভাই হালিম মোল্লার সাথে যোগাযোগ করতে তার বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায় নি।এরপর মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি এবিষয়ে কোন কথা বলবেন না বলে জানান।মসজিদটির উন্নয়ন ও সঠিকভাবে পরিচালনা করতে প্রশাসনিক ব্যবস্হা গ্রহন করা জরুরী বলে মনে করেন অত্র এলাকার মুসুল্লিয়ান ও সচেতন মহল।এলাকাবাসীর দাবী মসজিদ টি আল্লাহর ঘর আর তাই ওয়াকফ প্রশাসন এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নবনির্বাচিত এমপি আলহাজ্ব কাজিম উদ্দিন আহমেদ ধনু এবং সংশ্লিষ্টদের নিয়ে তাদের দুই ভাই এর দ্বন্দ্বের অবসান ঘটাতে ও মসজিদটির উন্নয়ন কাজ ত্বরান্বিত করতে ভূমিকা রাখবেন।

 

loading...
%d bloggers like this: