loading...

কলাপাড়ায় উপকূলের কৃষকের চোখে-মুখে স্বস্তির হাসি বাম্পার ফলন

0

মো:পারভেজ,কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:

নতুন ধানের সঙ্গে মিশে আছে উপকূলের কৃষকের স্বপ্ন। ক্ষেত জুড়ে উকি দিচ্ছে সোনালী ধানের শীষ। বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন পাকা ধানের ঘ্রাণ বইছে। ফসল ঘরে তোলার আসায় প্রতিটি কৃষক পরিবারের চোখে মুখে লেগে আছে সোনালী স্বপ্ন পূরনের ছাপ। ক’দিন পরেই কলাপাড়া উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামের কৃষকরা ক্ষেতের স্বপ্নের সোনালী ধান কাটা শুরু করবে। অধিকাংশ কৃষক পরিবারে নবান্ন উৎসবও চলছে। তবে বাজারে ন্যায্য মূল্য পাওয়া নিয়ে রয়েছে শঙ্কায়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা কোন বিপর্যয় না ঘটলে বাড়ির আঙ্গিনা ভরে উঠবে এমন আশায় দিন গুনছেন হাজারো কৃষক।

কৃষি অফিসের তথ্য সূত্রে জানা যায়, কলাপাড়া উপজেলার আয়তন ৪৯২১০২ বর্গ কিলোমিটার। এর মধ্যে পৌরসভা ২টি, ইউনিয়ন ১২ টি, গ্রাম ২৪৭টি। এখানে মোট জমির পরিমান ৪৯২১০ হেক্টর। যার মধ্যে কৃষি জমি ৪০৯৪০ হেক্টর। এবছর উফসী জাতের ২৪১০০ হেক্টার ও স্থানীয় জাতের ১০৪০০ হেক্টার জমিতে আমন আমন ধানের আবাদ হয়েছে।সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রত্যন্ত গ্রাম-গায়ের কৃষকরা তাদের ক্ষেতের ধান কাটার অপেক্ষায় রয়েছে। বাতাসে সেলালী ধানের শিষ দুলছে। ক্ষেতের মধ্যে পোতা বাঁশের কঁি ও গাছের ডালের উপর ফিঙ্গে, শালিক, দোয়েলসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি বসে আছে। সুযোগ বুঝে ধানক্ষেতের ক্ষতিকারক পোকা ওইসব পাখিরা খেয়ে ফেলছে। আবার অনেকে অধিক ধান পাওয়ার আশায় নিজ নিজ জমিতে রাসায়নিক ও জৈব সার প্রয়োগ করছে।

কেউ আবার ক্ষেতের পরিচর্যায় ব্যস্ত রয়েছে। স্বপ্নে বিভোর উপকূলের ওইসব কৃষকরা।একধিক কৃষকদের সূত্রে জানা গেছে, এ বছর জমি চাষ থেকে শুরু করে রোপন ও ক্ষেতের নিয়মিত পরিচর্যা করায় ফসলও ভালো হয়েছে। তবে দেখা দিয়েছে ক্ষেতে ইদুরের উপদ্রব। কৃষক আব্দুল লতিফ জানান, অতি বৃষ্টি বা অতিরিক্ত খরার কারনে এবছর তেমন কোনো সমস্যায় পরতে হয়নি। রোগ-বালাই ও পোকায় বেশি একটা আক্রমণ করতে পারেনি।

অপর এক কৃষক মন্নান মুসল্লী জানান, তিনি ৮ একর জমি চাষ করেছে ফসলও ভাল হয়েছে ।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মন্নান জানান, এ বছর আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এখন পর্যন্ত ক্ষেতে রোগ-বালাইয়ের প্রকোপ নেই। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে কৃষকরা বাম্পার ফলন পাবে এমনটাই তিনি আশা করেছেন।

loading...
%d bloggers like this: