loading...

নেত্রকোনা থেকে পূর্বধলার রাস্তার বেহাল অবস্থা ১০ বছরেও হয়নি কোন সংস্কার

0

 

নেত্রকোনা প্রতিনিধি:

 

নেত্রকোনা জেলা সদর থেকে পূর্বধলার সড়কটি জেলার অন্যতম বাণিজ্যপথ,প্রতিদিন এই রাস্তায় লাখ লাখ মানুষের যাতায়াত। শুধু পূর্বধলা নয় দূর্গাপুর থানার মানুষও জেলায় যাওয়ার জন্য এই রাস্তাটিই ব্যবহার করেন।

কিন্তু সড়কটির কিছু কিছু অংশে যানবাহনতো দূরের কথা পায়ে হেঁটে চলাচলও এখন কষ্টসাধ্য ব্যাপার। সড়ক ও জনপথ বিভাগের এ সড়কটির সংস্কার কাজ না হওয়ায় দিন দিন দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে।
নেত্রকোনা শহর থেকে পূর্বধলা উপজেলার দূরত্ব মাত্র ১৭ কিলোমিটার। এ ১৭ কিলোমিটার সড়কের কোনো অংশই এখন আর ভালো নয়। সড়কের উপর থেকে পিচ উঠে গেছে। কোন কোন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি হলে দুর্ভোগের সীমা থাকে না। যানবাহনগুলো প্রায়শই দুর্ঘটনায় পড়ে।

নেত্রকোনা থেকে পূর্বধলা পর্যন্ত ১৭ কিলোমিটার সড়ক যেতে যেখানে সময় লাগার কথা আধা ঘণ্টা। সেখানে খারাপ সড়কের জন্য এখন সময় লাগে এক থেকে দেড় ঘণ্টা। এ ভাঙা সড়কের কারণে এখান দিয়ে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

সড়কের লোড যেখানে পাঁচ থেকে সাত টন, সেখানে এক একটি বালুবাহী ট্রাক ১৫ থেকে ২০ টন মাল নিয়ে এ সড়কে চলাচল করে। ফলে সড়কটি দ্রুত নষ্ট হয়। এছাড়া বালুবাহী ট্রাক থেকে পানি পড়ার কারণেও পিচের রাস্তা নষ্ট হওয়ার অন্যতম কারণ বলে জানান স্থানীয়রা।

বিগত দিনেও সড়কটির নামমাত্র সংস্কার হলেও স্থায়ী কোন সমাধান পায়নি এ অঞ্চলের জনসাধারণ। তাই অভিযোগের তীর স্বভাবতই স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপর।

রাস্তাটির সাতপাই থেকে ত্রিমোহীনি বাজার পর্যন্ত নেত্রকোনা সদর উপজেলার সীমানা আর ত্রিমোহীনি থেকে বাকী রাস্তা পূর্বধলা সদর উপজেলার সীমানা।

সেই হিসেবে আরিফ খান জয় এমপি (উপমন্ত্রী) সদর উপজেলার ও ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল (বীরপ্রতীক)এমপি পূর্বধলা উপজেলার জনপ্রতিনিধি। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ টানা ১০ বছর ধরে রাষ্ট্র ক্ষমতায়, চারদিকে কত উন্নয়ন কিন্তু এই রাস্তাটির দিকে ১০ বছরেও কারোও নজর গেলো না।

এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন নেত্রকোনা থেকে পূর্বধলা যেতে হয় এবং পূর্বধলা থেকে নেত্রকোনা আসতে হয় এই রকম বেশ কয়েকজন পথচারীর সাথে কথা বললে তারা জানান, রাস্তা ভাঙ্গা থাকার কারনে যাতায়াতে যেমন খুবই কষ্ট তেমনি সময় মতো কাজে পৌছতেও পারেন না।

এ ব্যাপারে উপমন্ত্রী আরিফ খান জয় এর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও ওনাকে পাওয়া যায়নি।

এব্যাপারে পূর্বধলা আসনের সংসদসদস্য ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল জানান, নির্বাচনের আগেতো আর কোনকিছু সম্ভব না।
কিন্তু বিগত দশবছর সংসদসদস্য থেকেও কোন ভুমিকা নিতে না পারার কারন জানতে চাওয়া মাত্রই তিনি ফোন কেটে দেন।

এব্যাপারে নেত্রকোনার সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী দিদারুল আলম তরফদার জানান, আগামী উনিশ তারিখ এ কাজের টেন্ডার ওপেন করব।

loading...