loading...

মাসিক কোন অসুখ নয়,, এটি স্বাভাবিক ও প্রাকৃতিক

0

মোঃ শাখাওয়াত হোসেন শিমুলঃ

মেয়েদের সাধারনত প্রাকৃতিক নিয়ম অনুযায়ী ৯-১৩ বছর বয়সে মাসিক শুরু হয়।মাসিক হচ্ছে উক্ত বয়সে প্রাকৃতিক নিয়মে প্রতি মাসে জরায়ু সন্তান ধারনের জন্য তৈরি হয়।

শিশুর জীবন শুরু হয় ভ্রুন হিসেবে একারনে জরায়ুর ভিতরে নরম থিকথিকে রক্তের পরিপূর্ণ স্তর তৈরি হয় সেখানে প্রচুর পুষ্টি থাকে ভ্রুন পুষ্টি সাধিত হয়। যখন ডিম্বাণু নিষিক্ত হয়না তখন জরায়ুর অভ্যান্তরে নরম রক্তপূর্ন দেওয়ালের স্তর ভেঙ্গে রক্ত আকারে বেরিয়ে আসে ইহাই মাসিক।
কাজেই এটি কোন রোগ নয়, এটি সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত  স্বাভাবিক ও প্রাকৃতিক একটি প্রক্রিয়া।

এটির সাধারনত স্থায়ীকাল মাসে ৩-৭ দিন। তার চেয়ে অধিক সময় যদি রক্তপাত হতে থাকে তাহলে তাকে রোগ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।
এই প্রাকৃতিক নিয়মই একটি মেয়েকে কৈশোর থেকে যুবতী বা নারীত্বের পথে নিয়ে যায়।

আমাদের বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এমনকি শিক্ষিত সমাজেও মাসিকের আলোচনা কে লজ্জাজনক মনে করে। কিন্তু এই বিষয়টায় লজ্জার কিছু নেই জানা, বুঝা ও শেখার আছে অনেক কিছু।

আমাদের সমাজে মাসিক নিয়ে অনেক কুসংস্কার ও প্রচলিত আছে উদাহরনসরুপ বলা যেতে পারে, মাসিকের সময় মাছ না খাওয়া, কোন কাজ না করা,স্কুলে না যাওয়া,কোনকিছু  ধরা যাবে না, ছোয়া যাবে না ইত্যাদি।

এই সবকিছু কুসংস্কার বই আর কিছু নয়।  আসল কথা হচ্ছে মাসিকের সময় স্বাভাবিক সব কাজ করা যায়, সবকিছু খাওয়া যায়। এই সময়ে শুকনা কাপড় / প্যাড ব্যাবহারে সর্তকতা অবলম্বন করতে হয়। অবশ্যই পরিষ্কার কাপড় /প্যাড ব্যবহার করা, নিয়মিত গোসল করা,ব্যবহৃত কাপড় কয়েক মাস পর পর পরিবর্তন করা।

আশার কথা হচ্ছে যে বাংলাদেশে নারীদের মাসিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে “ঋতু প্রজেক্ট” নামে কাজ করছে বেশ কয়েকটি সংস্থা যৌথভাবে
সিমাভি,রেডঅরেন্জ,টিএনও,ড্রপ,বিএনপিএস।

সংস্থাগুলো কাজ শুরু করেছে আমাদের নেত্রকোনা অঞ্চলে। স্কুল, কলেজ থেকে শুরু করে ঘরে ঘরে মেয়েদের মাসিকের সময় প্রয়োজনীয় সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং কি করনীয় তা পৌছে দেওয়ায় তাদের উদ্দেশ্য।

loading...
error: Content is protected !!