loading...

পূর্বধলায় বাদীর অভিযোগ অস্বীকার করেছে আসামী হাবিবুর

0

পূর্বধলা প্রতিনিধিঃ

নেত্রকোণা জেলার পূর্বধলা থানাধীন সীজকান্দি গ্রামের বজলুল হকের মেয়ে ছদ্ম নাম (ফারিয়া) (১৫) বাদী হয়ে গত ১০ ই মে ১৮ ইং নেত্রকোণায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ২৭০ নং মামলা দায়ের করে, মামলার দরখাস্তে দেখা যায় গত বছর ৫/০৪/১৭ ইং তারিখে আসামী একই গ্রামে সজিম উদ্দিন খাঁ’র ছেলে হাবিবুর রহমান (দরদ খাঁ)  (২৭) বিয়ের প্রলোভন দিয়ে মেলামেশা করে ।

এর পর থেকে দুজনের মধ্যে মিলন হতো, যার ফলে মেয়েটি গর্ভবতী হয় । পরবর্তীতে বাঙালী ঔষধ খাওয়ার মাধ্যমে গর্ভ নষ্ট হয় । এই মর্মে আদালতে মামলাটি দায়ের করে ।

এদিকে আসামী দরদ খাঁর সাথে আলাপ কালে জানায়, বাদীর পিতা আমার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে বেশ কিছুদিন যাবৎ আমার কাছ থেকে টাকা পয়সা আদায় কারার জন্য আমার পেছনে লেগে আছে। কারণ জানতে চাইলে দরদ খাঁ জানায়, আমাদের গ্রামের একমাত্র পরিবার স্বামী- স্ত্রী দু’জনেই আমরা চাকুরীজীবী হওয়ায় ক্ষতি কারার উদ্দেশ্যে এই ষড়যন্ত্র করেতেছে ।

এ বিষয়ে আমি গত ১০/৪/১৮ ইং তারিখে নেত্রকোণা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালদে ফৌজদারী কার্যা বিধি আইনে ১০৭/১১৭/৩ ধারায় দরখাস্ত নং ২০৩/১৮ মামলা দায়ের করি । মামলা করার বিষয়টি জানতে পেরে আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ করে মামলা করেছে । মেয়েটির পেটে বাচ্চা ছিল এই বিষয়ে জানতে চাইলে সে বলে আমি জানি না ।

এসময় বজলুল হকের পাশের বাড়ির মৃত ময়েজ উদ্দিনের  ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা আ: রহমান জানায়, আমার পাশের বাড়ির ঘটনা আমার জানা মতে দরদ খাঁ এই ধরনের ছেলে না ওই বাড়িতে কখনও যাতায়াত করতে দেখি নাই, এ সময় একই গ্রামের আঃ কাদিরের ছেলে মজিদ মিয়া, মৃত ইসমাইলের ছেলে রুক্কু মিয়া, মৃত আদম আলীর ছেলে কিতাব আলী সহ আরও অনেকেই বলেন, এটি ছেলেটির উপর ষড়যন্ত্র মূলক ।

দরদ খাঁ’র পাশের বাড়ির লালু মিয়ার ছেলে আঃ খালেক বলেন লোক মারফত আমার মাধ্যমে দরদ খাঁ’র কাছে  ৩ (তিন) লক্ষ টাকা দাবি করে । অন্য দিকে এলাকাবাসীর  জোর দাবি, নিরাপরাধ ব্যক্তি যেন শাস্তি না পায় এবং প্রকৃত আসামীকে আইনের আওতায় আনার জন্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।

loading...
error: Content is protected !!