loading...

পূর্বধলায় এমপির এপিএস ও যুবলীগ নেতা আটকের ঘটনায় সড়ক ও রেলপথ অবরোধ

0

পূর্বধলা প্রতিনিধিঃ

নেত্রকোণার পূর্বধলায় ডিবি পুলিশ কর্তৃক স্থানীয় সাংসদ  ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল বীরপ্রতীকের এপিএস ও যুবলীগ নেতা আটকের ঘটনায় (২৫/০৫/১৮)রোজ শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করে রাখে স্থানীয় এমপির সর্মথক নেতা কর্মীরা।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১:২০ মিনিটে উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল আমিন খান পাঠান শওকতকে নেত্রকোনা ডিবি পুলিশের এসআই শরিফুলের নেতৃত্বে একটি টিম আটক করে পূর্বধলা থানায় নিয়ে ছেড়ে দেয়।

পরে ওই দিন রাতেই এমপির ব্যাক্তিগত সহকারী হিসেবে পরিচিত ও পূর্বধলা সরকারী ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক সেলিম জাহাঙ্গীর ও এমপি সমর্থক গিরিয়াশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আওয়াল তালুকদারকে ডিবি পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে শুক্রবার সকালে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

বিষয়টি নিয়ে শুক্রবার সকাল থেকে এমপি সর্মথকরা উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে ও এলোপাথারি ট্রাক রেখে অবরোধ করে রাখে। এসময় ঢাকা হতে জারিয়াগামী বলাকা কমিউটার ট্রেনটি পূর্বধলা রেল স্টেশনে প্রায় দেড় ঘন্টা আটক করে রাখা হয়।

পরে নেত্রকোনা সদর সার্কেলের এএসপি ফখরুজ্জামান জুয়েল পূর্বধলায় এসে আওয়ামী নেতাদের সাথে আলোচনা করে ঘটনা তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার আশ্বাস দিলে অবরোধ উঠিয়ে নেওয়া হয়।

দুর্ভোগে পড়া যাত্রীরা বলেন, যাদের পুলিশ আটক করেছে তারা এমপির লোক। তাই পুলিশ তাদের ছেড়ে দিয়েছে। আবার তারাই রাস্তায় নেমে কেন আন্দোলন করছে? পুলিশ তাদের আটক করল কেন?  আবার ছেড়েই দিল কেন? স্থানীয় দোকানদাররা জানান, এমপি সমর্থক লোকেরা গত কয়েক দিন ধরেই রাস্তায় মানুষকে মারধর, মাথা ন্যাড়া সহ বেআইনি কাজ করেই যাচ্ছে,  আজ আবার রাস্তা অবরোধ!  এমপি সাব কি এইগুলা জানেন না !  নাকি ওনার নির্দেশেই এসব হচ্ছে।

এপিএস সেলিম জাহাঙ্গীর জানান, উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক নূরুল আমীন খান পাঠান শওকতকে ডিবি পুলিশ আটক করেছে খবর পেয়ে থানায় খুজ নিতে গিয়ে দেখি তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এ সময় অজ্ঞাত কারনে আমাকে ও আওয়াল তালুকদারকে থানায় আটক করে রাখে।

নেত্রকোণা ডিবির ওসি আমীর তৈয়মুর ইলী বলেন, তাদের বিরুদ্ধে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ ছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের আটক করা হয়। শওকতকে আটক করে ডিবি পুলিশ ছেড়ে দেয়।

বাকী দুজনকে পূর্বধলা থানায় রেখে আসে ডিবির লোকজন। পরে থানা কর্তৃপক্ষ তাদের কিভাবে ছেড়ে দিয়েছে তা আমি বলতে পারবনা।এব্যাপারে পূর্বধলা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. বিল্লাল উদ্দিনের সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি মোবাইল ফোন রিসিভ করেননি।

loading...
error: Content is protected !!