loading...

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শীর্ষ ইয়াবা সম্রাট “টিপু” ধরাছোঁয়ার বাইরে !

0

তারেক আহম্মেদ-চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যুরো চীফ:

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দেশ জুড়ে চলছে মাদক বিরোধী অভিযান। জঙ্গি দমনের মতো এবার মাদক দমনে অভিযান শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী । অভিযান শুরুর পর থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে ধরা পড়ছে বেশকিছু মাদক কারবারি। বন্ধুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে একজন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। তবে এখনো বরাবরের মতো ধরাছোঁয়ার বাইরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শীর্ষ ইয়াবা সম্রাট শাহীদ রানা টিপু ওরফে টিপু সুলতান। বিভিন্ন সংস্থার একের পর এক তৈরি করা তালিকায় নাম উঠলেও শীর্ষ এই মাদক কারবারি থেকে গেছে আড়ালেই। চাঁপাইনবাবগঞ্জের শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ীকে ধরা হবে কিনা তা নিয়েও জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

গোয়েন্দা পুলিশের এক সদস্য জানান, বিদ্যমান আইনে মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতার কারণে এতো দিন এরা ধরাছোঁয়ার বাইরে। কারণ কারো কাছে মাদক না পাওয়া গেলে সে যত বড় কারবারিই হোক, তাকে ধরা যায় না।

গোয়েন্দা সংস্থার তালিকায় দেখা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক ব্যবসায় শীর্ষ পর্যায়ে ৪৩ জন কারবারি রয়েছে। এদের মধ্যে ইয়াবার সবচেয়ে বড় ডিলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান। সরকারের বিভিন্ন বাহিনীর সমন্বয়ে করা মাদক ব্যবসায়ীদের সর্বশেষ তালিকায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১ নাম্বার মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে তাকে। দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া ভয়ঙ্কর মরণনেশা ইয়াবার পেছনে রয়েছে উত্তরবঙ্গের নাম্বার ওয়ান ইয়াবা ব্যবসায়ী টিপু সুলতান।

মাদক সম্রাজ্যের গডফাদার টিপু সুলতানের বিরুদ্ধে এর আগে চারটি মাদক মামলা হলেও প্রতিটি মামলাতে তাকে অব্যাহতি দিয়ে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় তদন্ত কর্মকর্তারা। চরবাগডাঙ্গার আবু বাক্কার ঝাটুর ছেলে শাহিদ রানা টিপু গত ১০ বছরে কামলা থেকে শত কোটি টাকার মালিক হয়েছে। রাজধানী ঢাকা, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জে তার চারটি বাড়ি ও ফ্ল্যাট আছে। এছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে প্লট।

সারা দেশের মত চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক কারবারিদের ধরতে পুলিশ ও র‌্যাব এর বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাদক নির্মূলের চ্যালেঞ্জ ও মাদক বিরোধী অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছে স্থানীয়রা।

loading...