loading...

জরুরি বিভাগে ডাক্তার না থাকায় ভাঙ্গুড়া হাসপাতালে ভাংচুর

0

পাবনা প্রতিনিধি:

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার ৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি হাসপাতালে জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক না থাকায় লাবনী আক্তার (১৪) নামে এক মুমূর্ষ রোগীর স্বজনরা হাসপাতালের চেয়ার টেবিল ভাংচুর করেছে। বুধবার সন্ধা সাড়ে ৭টার দিকে এঘটনা ঘটে। লাবনী ভাঙ্গুড়া পৌর শহরের পাথরঘাটা পৌর পাড়া মহল্লার বাকি বিল্লার মেয়ে। পরে পৌর মেয়র গোলাম হাসনাইন রাসেল ও পুলিশ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে পরিবেশ শান্ত হয়। জানা যায়, লাবনী বুধবার বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে ভুলবশত নিজ বাড়িতে থাকা কীটনাশক সেবন করে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ভাঙ্গুড়া সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে তার স্বজনরা।

এসময় হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কোনো ডাক্তার না থাকায় চিকিৎসাসেবা না পেয়ে মুমূর্ষ অবস্থায় ওই কিশোরীকে নিয়ে অপেক্ষা করে তার স্বজনরা। পরে নার্স ও পিয়নরা এসে পাকস্থলী ওয়াস করে তাকে প্রাথমিকভাবে বিষমুক্ত করেন। ঘটনার দেড় ঘন্টা পার হলেও কর্তব্যরত আবাসিক মেডিকেল অফিসার আক্তারুজ্জামানকে একাধিকবার মুঠোফোন দিয়ে পাওয়া যায়নি বলে জানান কিশোরীর স্বজনরা। এতে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে সাড়ে ৭ টার দিকে হাসপাতালের অফিস কক্ষের চেয়ার টেবিল ভাংচুর করেন। এসময় খবর পেয়ে মেডিকেল এসিস্ট্যান্স হামিদুল ইসলাম এসে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হালিমা খানমকে খবর দেন। পরে ডা. হালিমা খানম পুলিশের এস আই আমিরুল ইসলাম ও সুভাষ সরকারকে সংগে নিয়ে হাসপাতালে প্রবেশ করেন। এসময় রোগীর স্বজনরা তাকেও গালিগালাজ করেন। পরে মেয়র গোলাম হাসনাইন রাসেল এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। দীর্ঘক্ষণ চিকিৎসা না পেয়ে রোগীর অবস্থার আরো অবনতি ঘটলে রাত ৮ টার দিকে তাকে পাবনা সদর হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।

ডাক্তার না থাকার বিষয়টি স্বীকার করে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হালিমা খানম বলেন, হাসপাতালে মাত্র দুইজন ডাক্তার থাকার কারণে রোগীদের অতিরিক্ত চাপে পড়তে হচ্ছে তাদেরকে। তাই ইচ্ছা থাকলেও পর্যাপ্ত সেবা দেয়া যাচ্ছেনা বলে তিনি জানান।

loading...