loading...

স্কুল ছাত্রী ও ভারসাম্যহীন বৃদ্ধার গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা  

0

শেখ আমিনুর হোসেন,সাতক্ষীরা ব্যুরো চীফঃ

সাতক্ষীরা সদরের ৬ষ্ঠ শ্রেনিতে পড়ুয়া স্কুল ছাত্রী মিনারা খাতুন (১৩) ও দেবহাটার মানষিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধা শাহানারা খাতুন (৫০) নামে দুই ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছে। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা শহরতলির আলিয়া মাদ্রাসা পাড়ায় ও একই দিন সকালে দেবহাটা উপজেলার মাঝ পারুলিয়া গ্রামে আত্মহত্যার ঘটনা দুটি ঘটে। আত্মহত্যাকারিরা হচ্ছে, সাতক্ষীরা শহরতলির আলিয়া মাদ্রাসা পাড়ার স্বামী পরিত্যাক্ত নাছরিন খাতুনের মেয়ে সাতক্ষীরা এ করিম বালিকা বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী মিনারা খাতুন ও দেবহাটা উপজেলার মাঝ পারুলিয়া গ্রামের মৃত আবুল হোসাইনের স্ত্রী ভারসাম্যহীন শাহানারা খাতুন।

নিহতদের পারিবারিক ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, মিনারা শৈশবে পিতা-মাতার ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। পরবর্তীতে মাতা নাছরিন মিনারাকে নানী আয়েশা খাতুন’র কাছে রেখে বিদেশ চলে যান। শনিবার সকালে নানীর সাড়ে ৩ হাজার টাকা হারিয়ে যায়। ওই টাকা খুঁজে না পেয়ে মিনারা টাকা চুরি করেছে বলে অপবাদ দিয়ে দফায় দফায় মারপিট করে নানী আয়েশা খাতুন। মিনারার শিশু হৃদয় এ অপবাদ সহ্য করতে না পেরে শনিবার দুপুরে লোকচক্ষুর অন্তরালে ঘরের মধ্যে আড়ার সাথে ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করে।
এবিষয়ে পৌর ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ আব্দুস সেলিম বলেন, নানীর দেওয়া অপবাদ সইতে না পেরে মিনারা আত্মহত্যা করেছে।
এঘটনায় পুরাতন সাতক্ষীরা ফাঁড়ির ইনচার্জ কবির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।অপরদিকে দেবহাটায় মানষিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধা শাহানারা খাতুন নিজ বাড়ীতে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। সকালে দেবহাটা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার লাশ উদ্ধার করেছে। নিহত বৃদ্ধার ৩ ছেলে রয়েছে। পুলিশ জানায়, শনিবার সকালে স্থানীয়দের দেয়া তথ্য মতে দেবহাটা থানার এসআই হাবিবুর রহমান নিহত বৃদ্ধার বাড়ি গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। এসময় তার ঘর থেকে অনেক ঔষধ উদ্ধার করা হয়। নিহতের ছেলেরা ও স্থানীয়রা জানান, নিহত বৃদ্ধা শাহানারা খাতুন দীর্ঘদিন মানষিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। যার কারনে তিনি বিভিন্ন সময়ে নানারকম পাগলামী করতেন। এ ব্যাপারে দেবহাটা থানায় একটি ইউডি ১১ নং মামলা দায়ের করা হয়েছে।
loading...
error: Content is protected !!